পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


: না, অন্যে তুললেও চলবে। আপনার সামনে চুল আগুনে পুড়িয়ে দিতে হবে । আপনিই তুলে পোড়ান। একটু বাতাসের জন্য প্ৰাণান্তকর যাতনায় ললনার তখন অন্য সব বোধশক্তি চাপ ওপড়ে গেছে, কেশব একটু সঙ্কোচের সঙ্গেই তার মাথা থেকে তিনগাছ চুল তুলে নেয়। চুল তিনটি দল পাকিয়ে একটুকরো কাগজ জ্বালিয়ে তার মধ্যে ফেলে দেয়। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় ললনা এতটুকু আরামও পায় না । কেশবের পিসের মত গভীর কুসংস্কারের জোরালো অন্ধ বিশ্বাস সে কোথায় পাবে। ডাক্তারকে এসে ইনজেকসন দিতে হয় । কিছু কাল থেকে আরেকজন ঘনিষ্ট হতে চেষ্টা করছে ললনার সঙ্গে । ऊाद्ध आऊिषान्छे ठूद्र शू6झgछ श्छा९ । বঙ্কিম আজ মস্ত লোক, তার অনেক ক্ষমতা, অনেক প্ৰতিপত্তি । অনিমেষের চাকরীর সঙ্গে সোজাসুজি তার সংযোগ নেই। কিন্তু চাকরীর কলকাঠি যাদের হাতে তাদের সঙ্গে তার বেশ খানিকটা এক ধরণের বাধ্য বাধকতার সম্পর্ক আছে! : চােরাবাজারী মুনফার একটা ষে অংশ ক্ষমতার পূজায় লাগে সেও তার ভাগ পায়। নরেশের মত ললনার পিছনে প্রীতিসম্মেলনে আসরে বৈঠক বা সভায় ঘুরবার মত তার সময় নেই। সে একাই বাড়ীতে আসে। এবং বেশ টের পাওয়া যায় যে তার পদাৰ্পণ ঘটলে বাড়ীর সকলে একটু তটস্থ হয়ে ওঠে। একটু অস্বস্তি বোধ করে। যতই অৰ্থ আর প্রতিপত্তি থাক, বয়স গিয়েছে পঞ্চাশের দিকে । লালনার সঙ্গে একেবারেই মানবে না । তাছাড়া, বৌ করে কোন SP