পাতা:আরোগ্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মেয়েকে গলায় ঝুলোবার ইচ্ছা তার আছে কিনা সেটাও যথেষ্ট সন্দেহের বিষয় । তবে এটাও অবশ্য ঠিক যে বয়স হলে মানুষের মতিগতির যে বদলও হয় সংসারে অনেকবার তা দেখা গিয়াছে। নইলে বিশেষ সভা সম্মেলনে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসাবে ছাড়া কোথাও যাওয়ার সময় তার হয় না বটে। কিন্তু নিজের বাড়ীতে আজকাল সে মাঝে মাঝে সাংস্কৃতিক বৈঠক বসায় ! এবং দেখা যায়। এসব ক্ষেত্রে টাকা বা নিজেকে জাহির করার বড়বাজারী রুচির পরিচয় যে দিতে নেই এটা সে ভালরকম ভাবেই জানে। গরীব শিল্পী সাহিত্যিক বৈজ্ঞানিক অধ্যাপকদের সে মার্জিত ভাবেই সম্মান করে। তবে একটু গা বঁচিয়ে করে। কে জানে কে কবে কি অনুগ্ৰহ চাইতে আসবে। এই পরিচয়ের সুযোগে । আগেও ললনাকে সে দেখেছে। কিন্তু চোখে লাগেনি ৷ ললনার YB D DukDD BBDDB DBD DDBBD DB BB KKD BBDDD BB ঢের বেশী পাগল হয়ে উঠত। ঘটনাচক্রে ললনার গান শুনে সে মুগ্ধ হয়ে গেছে। কাব্যের ছোয়াচ লাগে সব মানুষেরই। প্ৰাণের গভীরতায় যা কিছু আলোড়ন তোলে যৌবনে হয় তো সেসব তার প্রাণেও সাড়া জাগাত । হয়তো বিশেষ ভাবে গান শুনেই তার প্রাণটা ব্যাকুল হত বেশী। সিনেমা জগতে রূপসী গায়িকার অবশ্য অভাব নেই । কারও রূপে আর গানে মুগ্ধ হলে সামাজিক ভাবে তাকে তোয়াজ করার দরকারও হয় না । কিন্তু সে তো ব্যবসাদারী সস্তা গান। সে গান শুনে শুধু মজাই লাগে। অত কায়দা ললনা জানে না। কিন্তু প্ৰাণ দিয়ে গান গেয়ে সে। মানুষের প্রাণকে ব্যাকুল করতে পারে। । Vaist-8 8ଳ