পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২১৪ আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । ৪র্থ বর্ষ-৩য় সংখ্যা । নরেশচন্দ্র অপুত্ৰক ৷ জননী কমলার অযাচিত স্নেহ লাভ করিয়াও ষষ্ঠী দেবীর আশীৰ্ব্বাদলাভ তাহার অদৃষ্ট ঘটে নাই। ভ্রাতুষ্পত্রিটি বড় হইলে তিনি তাহাকে নিজের কাছে আনিয়া লিখাপড়া শিখাইতেছিলেন। দুষ্টলোক কিন্তু তঁহার এই উদারতায় মুগ্ধ হয় নাই। তাহারা জানিত, ভাল লিখাপড়া শিখিলে ছেলে চড়া দরে বিকাইবে, এই আশায় নরেশচন্দ্র ভ্রাতুষ্পত্রি অনিলচন্দ্ৰকে নিজব্যয়ে পড়াইতেছিলেন। যে দামে ছেলে বিকাইবে, তাহার অৰ্দ্ধেক ত নরেশচন্দ্ৰ পাইবেন! তাহার লিখাপড়ার অনুরাগ দেখিয়া যে তিনি তাহাকে কাছে আনিয়া রাখিয়াছিলেন, আত্মীয়স্বজনের মনে এমন বিশ্বাস এক দিনের নিমিত্তেও হয় নাই। সকলেই জানিত, অনিলের জন্য নরেশচন্দ্রের যে অর্থব্যয় হইত, সেটা সম্পূর্ণই তাহার মাহিনীর টাকা হইতে লাগিতা না । পাঠাভ্যাসের পর অবকাশ কালে তিনি তাহাকে দিয়া ঠোঙ্গা তৈয়ার করাইয়া লইতেন। শুনা যায়, প্ৰত্যহ সে নাকি দুই তিন আনা মূল্যের ঠোঙ্গা তৈয়ার করিত। নরেশচন্দ্ৰ বলিতেন, বাজে খেলায় সময় নষ্ট না করিয়া কাগজের ঠোঙ্গা তৈয়ার করা ভাল । তাহাতে পয়সাও আইসে আনন্দও হয়। বিশেষতঃ অসৎ সংসর্গে মিশিয়া উৎসন্ন যাইবার কোন সম্ভাবনা থাকে না । অতিথি অভ্যাগত এবং কদাচিৎ কোন আত্মীয় নরেশচন্দ্রের ভবনে। সমাগত হইলে নানারূপ অসুবিধার কথা তুলিয়া তিনি বাজে খরচ এবং ঝঙ্কাটের হাত এড়াইতেন। অনেকেই বলিত যে, দরিদ্র ভিক্ষুক তঁহার গৃহদ্বার হইতে কখনও হাসি মুখে ফিরে নাই। অনাবশ্যক আলস্যের প্রশ্ৰয় দানে তিনি চিরদিনই বিমুখ। এ বিষয়ে তিনি তঁহার সহোদরকেও নাকি রেহাই দেন নাই। মধ্যমাগ্রজ কোন কাৰ্য্যোপলক্ষে কলিকাতায় আসিয়াছিলেন, মেসে থাকার বিশেষ অসুবিধা হওয়ায় অগত্য তিনি কনিষ্ঠের বাসায় খরচ দিয়া থাকিতে প্ৰতিশ্রুত হয়েনি। নরেশচন্দ্ৰ'মাসিকাবারে তঁহার নিকট হইতে BBD BBBB D DDBS DBBD BD DBDD DtD DBBBBDS DD স্পষ্টই বলিতেন, “আমার এমন সামর্থ্য নাই যে, কাহাকেও কোনরূপ সাহায্য করি। তা দাদাই হউন, আর বাবাই হউন।” এমন কবুল জবারের পর আর কোন ভদ্রলোক এ বিষয়ের আলোচনা করিতে চাহেন ? (R) মাঘ মাস, কিন্তু সে দিন টিপ, টিপ করিয়া বৃষ্টি পড়িতেছিল। শীঘ্ৰ