পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (দ্বিতীয় বর্ষ - প্রথম খণ্ড).pdf/৩২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভূমি-কর্ষণ, সার, শস্তপৰ্য্যায়, বীজরক্ষা প্ৰভৃতি বহুতর বিষয় এই অধ্যায়ে আলোচিত হইয়াছে। জীবদেহের মস্তকের ন্যায়, এই উপক্ৰমণিকাই এ পুস্তকের প্রধান অঙ্গ। এই উপক্ৰমণিকাবিহীন হইলে পুস্তকের প্রাণহানি देऊ । দ্বিতীয় গোল-এই পুস্তক প্রণয়নের উদ্দেশ্য লইয়া । লেখক লিখিয়াছেন,-“বাবহারিক কৃষির প্রায় অধিকাংশই বহুব্যয়সাধ্য, সুতরাং বিত্তবান না হইলে তাহদের চাষ সফল হয় না।” তবেই বুঝা গেল যে, এই পুস্তক সাধারণ লোকের জন্য লিখিত হয় নাই ; কারণ তাহারা বিত্তবান নহে এবং তাহারা “ব্যবহারিক কৃষি” অপেক্ষা খাদ্যকৃষি অধিক বুঝে,-তাহারা C “হাভাতের” দল। আগে পেটের চিন্তা তাহার পর অন্য কথা। উদয় পূর্ণ থাকিলে তবে অন্য কাৰ্য্যে মনোনিবেশ করা যায় । গ্ৰন্থকায় অবগত আছেন। कि मां खानि न যে, আমাদের দেশের দশ আনা লোক প্ৰত্যহ এক বেলা মাত্ৰ আহার করিতে পায় । দেশের যখন এইরূপ হৃদয়-বিদারক শোচনীয় অবস্থা, তখন দেশের জনসাধারণ যে “পেটটা জানে সার”-তাহাতে আর সন্দেহ কি ? তাই বলিতেছিলাম যে, যদি কৃষিকাৰ্য্যের উন্নতি করিয়া দেশের দৈন্য দূর করাই আমাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য হয়, তাহা হইলে কি উপায়ে দেশের অন্নাভাব ঘুচিতে পারে, কিরূপে আমাদের খাদ্যশস্যের উন্নতি হইতে পারে, সেই বিষয়ে অগ্ৰে যত্নবান হওয়া সৰ্ব্বতোভাবে কৰ্ত্তব্য। তৃতীয় গোল-পুস্তকের ভাষা লইয়া । পুস্তকের ভাষা স্থানে স্থানে দুৰ্বোধ্য। কোন কোন স্থলে ভাষা অলঙ্কারের ভারে কুজ হইয়া পড়িয়াছে। একটা নমুনা দিতেছি ;- “কেশরীর অকস্মাৎ ভীষণ গৰ্জনে বনমধ্যস্থ শ্বাপদকুল যেমন স্তম্ভিত কিংকৰ্তব্যবিমূঢ় হইয়া পড়ে, ক্ৰরিদর্শন সর্বোেপকরণসম্পন্ন নিষাদের দর্শনে ভীত মৃগকুল যেমন ইতস্ততঃ ধাবমান হয়, অলক্ষ গতিবিধি লোলরিসন মহাব্যালের সমীপসঞ্চারণে বিটপ-শিখরা-সমাসীন নিঃশঙ্কচিত্ত বিহঙ্গকুল যেমত ঘোর কোলাহলে উডীয়মান হয়, তমোময় পাপরাশির আগমনে জ্যোতিস্বরূপ পুণ্যরাশি যেমন লুকারিত হন, অধুনা আমাদের পূর্বকালীন গ্ৰাম্য সমৃদ্ধি, সুখশান্তি, সারল্য-আশা-ভরসা ভোগাবসানে ক্ষীণপুণ্য ব্যক্তির লোকান্তর অবতরণবৎ, বিভিাবারীসমাগমে ভগবান মরীচিমালীর অন্তধ্যানবৎ, অপার SYDKBDBD DBDBD BBD BB DDBDDBBDESMDDBDBDDB