পাতা:আর্য্য-নারী দ্বিতীয় ভাগ.djvu/১১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

কৃষ্ণকুমারী। o ইহা ছাড়া প্রায় সমস্ত ভারতবৰ্ষই মারাঠারা ইচ্ছামত লুণ্ঠন করিত, অথবা, রাজা, নবাব, ও শাসনকর্ত্তাদের নিকট হইতে করা আদায় করিত। মারাঠা সাম্রাজ্য আবার এই সময়ে পাঁচ ভাগে বিভক্ত হইয়া যায়। সকলের পূর্বে নাগপুরে ভোসলা রাজা, তারপর ক্রমে পশ্চিমে গোয়ালিয়ারে সিন্ধিয়া --রাজা, ইন্দোরে হোলকার রাজা এবং বিরোদায় গুইকোয়ার রাজা, রাজত্ব করিতেন। বরোদার দক্ষিণে পুণায় পেশোয়া রাজার রাজধানী ছিল । মাবাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা শিবাজির বংশধরেরা অতি হীন ভাবে সেতারা ও কোলাপুরে পেশোয়ার অধীন ক্ষুদ্র ভূস্বামীর ন্যায় বাস করিতেন। এই সব মারাঠা রাজারা ভারতের অন্যান্য প্রদেশের —দ্যায় অনেক সময় রাজপুতানাও আক্রমণ ও লুণ্ঠন করিতেন। ইহাদের পরাক্রমে রাজপুত রাজারা বিশেষ শঙ্কিত ও বিপদগ্রস্ত হইয়া পড়েন । মারাঠা-রাজ সিন্ধিয়ার সঙ্গে জয়পুররাজ জগৎ সিংহের বিশেষ শক্রিতা ছিল। তিনি যে ‘রাজস্থানকুসুম” কৃষ্ণকুমারীকে লাভ করিবেন, ইহা সিন্ধিয়ার সহ্য হইল না। তিনি রাণাকে বলিয়া পাঠাইলেন, জগৎ সিংহের পরিবর্তে মানসিংহকে যেন তুিনি কন্যাদান করেন। ( ७ ) আভৰণা ইহাতে সম্মত হইলেন না। তখন সিন্ধিয়া বহু সৈন্য সহ মিবার অীক্রমণ করিলেন । মিবারের আর সে দিন নাই,