পাতা:ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও কবিত্ব.djvu/৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪৪ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত।

  • ब्रिट्झन cभंब कब्रिद । श्रेश्वब्रफ़ाठब उशा उंशद्र १श्रुੱਲ |

তিনি কলিকাতায় আগমন করিয়া, অম্বুজ রামচন্দ্রের সহিত পরান্নে প্রতিপালিত হইয়াছিলেন। একদা সেই সময়ে রামচন্দ্রকে বলিয়াছিলেন, " ভাই ! আমাদিগের মাসিক ৪০ টাকা আয় হইলে, উত্তমরূপে চলিবে। ’ শেষ প্রভাকরের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ঈশ্বরচন্দ্রের দৈন্যদশা বিদূরিত হইয়া, সন্ত্রান্ত ধনবানের छाञ्च आग्न इहेtङ थारई।* eउरुद्र इहेrउद्दे अग्नरु छैक আসিত। তদ্ব্যতীত সাধারণের নিকট হইতে সকল সময়েই বৃত্তি প্রভৃতি প্রাপ্ত হইতেন। একদা অম্বুজ রামচন্দ্রকে অর্থে পার্জনে উদাসীন দেখিয়া বলিয়াছিলেন, “ আমি এক দিন ভিক্ষা করিতে বাহির হইলে, এই কলিকাতা হইতেই লক্ষ টাকা ভিক্ষা করিয়া আনিতে পারি, তোর দশা কি হইবে ? ” বাস্তবিক ঈশ্বরচন্দ্রের সেইরূপ প্রতিপত্তি হইয়াছিল। অর্থের প্রতি ঈশ্বরচন্দ্রের কিছুমাত্র মমতা ছিল না। পত্রিপাত্র ভেদ জ্ঞান না করিয়া সাহায্যপ্রার্থী মাত্রকেই দান করিতেন । ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিতগণ প্রতিনিয়তই তাহার নিকট খাতায়াত কবিতেন, ঈশ্বরচন্দ্রও র্তাহাদিগকে নিয়মিত বার্ষিক বৃত্তি দান ব্যতীত সময়ে সময়ে অর্থসাহায্য করিতেন । পরিচিত বা সামান্য পরিচিত ব্যক্তি, ঋণ প্রার্থনা করিলে, তদণ্ডেই আলু প্রদান করিতেন। কেহ সে ঋণ পরিশোধ না করিলে তাঙ্গু আদায় জন্য ঈশ্বরচন্দ্র চেষ্টা করিতেন না। এই স্বত্রে তাহার