পাতা:এলিজিবেথ.pdf/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

* *、8 - এলিজিবেথ । তৎকালে এলিজিবেথের জনক যে কি পৰ্য্যন্ত শোকাকুল হইয়াছিলেন, তাহ বর্ণনা করিবার নিমিত্ত পাকতঃ চেষ্টা পাওয়া হইয়াছে, এ কথা স্বীকার করিতে হইবেক, কিন্তু তাহার জননীর শোকের কথা বর্ণনা কর। অতি দুঃসাধ্য। ফলতঃ সেই গুরুতর মাতৃশোক বর্ণনাদ্বারা ব্যক্ত করাও বড় সহজ ব্যাপার নহে । স্বামীর রোদন শব্দ শুনিবামাত্র ফেডোরার নিদ্রাভঙ্গ হইলে, তিনি সত্বরে পতির নিকট ধাবমান হইয়। র্তাহার মুখ দেখিয়া বুঝিতে পারিলেন যে, তাহার সন্তান প্রস্থান করিয়াছেন। মনে মনে এই রূপ অনুভব করিয়া তিনি শোকাবেগে আহত ও নিতান্ত অভিভূত হইয়া তখনি অমনি মুচ্ছিত ও ভূতলে পতিত হইলেন। শুিঙ্গর প্রিয়তমাকে সান্তন করিবার জন্য যৎপরোনাস্তি চেষ্টা পাইতে লাগিলেন, কিন্তু সকল চেষ্টাই বিফল হইয়া পড়িল । তিনি তখন পতির বাক্যে কর্ণপাত করিলেন না । প্রণয়পাশের দৃঢ় বন্ধন এককালে শিথিল হইয়া পড়িল। বস্তুতঃ সেই প্রণয় তখন এমনি হতবীৰ্য্য হইয়াছিল, যে তাছ। তাহার হৃদয়ে উদ্বোধ হওয়াও নিতান্ত কঠিন হইয়া উঠিল। প্রবোধ বাক্যে অন্যান্য ভাবনার শমত হইতে পারে বটে, কিন্তু তাহাতে মাতার দুর্ভাবন ও শোক কদাচই শান্ত হইবার সম্ভাবনা নাই। মাতৃশোকের শান্তি কখন লৌকিক উপায়সাধ্য নয়, কেবল পরমেশ্বর যদি কৃপা করেন, তাহ। হইলেই শান্তি হইতে পারে, নচেৎ অার উপায়ান্তর নাই । যিনি দুৰ্ব্বল অবলা জাতির প্রতি এই অপরিহার্য্য ও অপ্রতিবিধেয় শোক সন্তাপ বিধান করিয়াছেন এবং যাহ। তাহার নিতান্ত আজ্ঞাধীন, তাহাকে দূর করা তাহ ব্যতীত অার কাছার সাধ্য ? o ১৪ ই মে, অর্থাৎ জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথমে, এলিজিবেথ ও