পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র - পঞ্চম পর্য্যায়.pdf/১১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বুদ্ধাস্থির পরিণাম কি হইবে ? So বৌদ্ধ চিহ্নাদি সংগ্ৰহ করিয়া পুনরায় নূতন নূতন স্তুপ ও বিহারাদি স্থাপন করেন। তঁহার সময়ে গান্ধার রাজ্যে এবং তাহার উপকণ্ঠ প্রদেশে दछ বৌদ্ধ চিহ্নের স্তাপ-নিৰ্ম্মিত হয়। তিনি রাজধানী পুরুষপুরে একটি উচ্চ স্তুপ ও এক অতি বৃহৎ বিহার নিৰ্ম্মাণ করান। ইহাতে বহুবিধ বুদ্ধদেহাবশেষ রক্ষিত হইয়াছিল । তাহার পর যখন খৃষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে চীন পরিাব্রাঞ্জক ঘু আন-চুআঙ এদেশে ভ্ৰমণে আসেন, তখন তিনি এই পুরুষপুরে এক অতি মহাকায় পুরাতন বিহারের ভগ্নাবশেষ দর্শন করেন, তখনও তাহাতে বহু শ্রমণের বাস ছিল । তদ্ভিন্ন তিনি একটি অতি উচ্চ স্তুপও দেখিয়াছিলেন। সেটির তখন জীৰ্ণ-সংস্কার হইতেছিল । তিনি এদেশে আসিবার পূর্বে উহা অগ্নিদাহে নষ্ট হইয়া গিয়াছিল। অনুসন্ধানে তিনি -জানিয়াছিলেন যে, ঐ মহাকায় বিহারটিই সম্রাট কানস্কের নিৰ্ম্মিত “মহাবিহার’ ও স্ত,পািটই তাহার ‘মহান্ত প”। যুআনচুআঙ এই স্তুপটিকে ৪০০ ফুট ঊচ্চ, পাঁচশ চূড়া বিশিষ্ট, পঞ্চতল দেখিয়াছিলেন। ইহার সর্বনিম্নতলের উচ্চতা তিনি বলেন ১৫০ ফুট ছিল। পাঁচশটি চুড়ার মাথায় পাঁচিশখানি স্বৰ্ণরঞ্জিত বৃহৎ তাম্রচক্র ছিল । তিনি ইহার মধ্যে বহুবিধ বুদ্ধাদেহাবশেষ, বুদ্ধব্যবহৃত দ্রব্য ও স্মৃতিচিহ্ন এবং বৌদ্ধধৰ্ম্ম সংক্রান্ত নানাবিধ দ্রব্যাদি সংরক্ষিত থাকিতে দেখিয়াছিলেন। এইস্থানে বুদ্ধদেবের একখানি ষোলফুট উচ্চ চিত্ৰিত ছবি ছিল । উহাতে বুদ্ধদেবের এক দেহে দ্বিমস্তক যুক্ত মূৰ্ত্তি অঙ্কিত হইয়াছিল। এই স্তপের দক্ষিণ পূর্বদিকে শতপদমাত্র দূরে তিনি এক ১৮ ফুট উচ্চ শ্বেত প্রস্তরে নিৰ্ম্মিত এক দণ্ডায়মান বুদ্ধ-প্ৰতিমা দর্শন করেন। উহা উত্তর মুখে প্ৰতিষ্ঠিত छिडा । চীন-পরিব্রাজকের এই বর্ণনার পর আর বহুকাল এই সকল স্তাপবিহারাদির কোন বিবরণ কোথাও লিখিত হইতে দেখা যায় নাই। য়ু আনচু আঙের বিবরণ দেখিয়া অবধি আমাদের বর্তমান ইংরাজী-গভর্ণমেণ্টের