পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৯২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চবিংশ অধ্যায় । brసిడి বটট, মেজর টলিকে বিক্রয় করেন। এই মেজর টলিই, খিদিরপুরের বর্ধমান টলিস-নালার খনক ও টালিগঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা। টলি সাহেব, এই বাটীতে প্রথমে বাস করিয়াছিলেন, পরে তিনি ইহা ভাড়া দেন। টলির মৃত্যুর পর ১৮৯২ খ্ৰীঃ অব্দে, র্তাহার এটর্ণি কর্তৃক ইহা নীলামে বিক্রীত হয় । তৎপরে এই বাট ব্রেরেটন বার্ড নামক এক ইংরজের সম্পত্তি হয়। (১৮৯০ খ্ৰীঃ অন্ধ )। বার্চ সাহেবের পর, ইহা বাবু, শম্ভুচন্দ্র মুখোপাধ্যায় নামক এক অবস্থাপন্ন বাঙ্গালীর সম্পত্তি হইয়াছিল। ( ১৮২৪ খ্ৰীঃ অব ) এই মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের নিবাস স্থান কোথায়, তাহা অামরা ঠিক করিতে পারি নাই । ১৮৪১ খৃষ্টাব্দে এই বেলভেডিয়ার বাটী, জেম্স ম্যাকিলপ, নামক একজন ইংরজের দখলে আসে। ১৮২৩ খৃঃ অব্দে দেখিতে পাওয়৷ যায় -- ভারতবর্ষের প্রধান সেনাপতি অনারেবল স্যর এডওয়ার্ড প্যাজেট কে, সি, বি, এই বাটতে ভাড়াটিয়া ছিলেন। ১৮৫৪ খ্ৰী: অব্দে লর্ড ডালহৌসী, বিলাতের কৰ্ত্তাদের এক পত্র লেখেন । তাহার সার মৰ্ম্ম এই—“বঙ্গের লেফটেনাণ্ট-গবর্ণরগণের জন্ত স্বতন্থ আবাস-বাট নিৰ্ম্মিত হওয়া উচিত। এই বাট গবর্ণমেণ্টের খরচায় খরিদ করা ও সাজান হইবে । ভারতের গবর্ণর-জেনারেল এবং বোম্বে ও মান্দ্রীজ প্রেসিডেন্সির গবর্ণরদের জন্ত যেরূপ স্বতন্ত্র আবাস-স্থান আছে, বঙ্গের লেফটেনাণ্ট গবর্ণরদের জন্য সেইরূপ কোন কিছু হওয়া উচিত।” লর্ড ডালহৌসির এই মস্তব্যের ফলে ও চেষ্টায়, বেলভেডিয়ার বাটটিই শেষ লাট-প্রাসাদের জন্য মনোনীত হয়। তখন এই বাটটি সুপ্রীমকোর্টের এডভোকেট জেনারেল, রবার্ট প্রিন্সেপ সাহেবের দখলে ছিল। গবর্ণমেন্ট তাহার নিকট হইতে এই বাটটি ক্রয় করিয়া লয়েন। ' তৎপরে ভিন্ন ভিন্ন লেফটেনাণ্ট গবর্ণরদিগের আমলে, এই বাটীর নানাবিধ উন্নতি সাধিত হয়। স্যর উইলিয়াম গ্রে, স্যর এসলি ইডেন, স্যর ইয়াট বেলী, স্যর চালর্স ইলিয়াট, স্যর রিচার্ড টেম্পল প্রভৃতি লেফটেনাণ্ট গবর্ণরদের আমলে, এই প্রাসাদতুল্য অট্টালিকার নানাস্থান নূতনভাবে নিৰ্ম্মিত হইয়া ইহা বর্তমান অবস্থায় দাড়াইয়াছে । বাঙ্গালার গবর্ণর ১৮৩৩ খৃঃ অঙ্গের চার্টারের বলে, গবর্ণর-জেনারেল অব ইণ্ডিয়া এবং গবর্ণর-অব-বেঙ্গল বলিয়া আখ্যাত হইলেন । এই গবর্ণর জেনারেলের হস্তে এরূপ ক্ষমতা দেওয়া ছিল—যে তিনি ইচ্ছা করিলে একজন ডেপুটী-গবর্ণর নিযুক্ত করিত্নে পারেন। সমগ্র বঙ্গদেশের শাসনভার