পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিবেচনা ও অবিবেচনা পারি না । অথচ সমাজের চোখে ঠুলি দিয়া, তাহাকে সরু মোটা হাজার বাধনে বধিয়া, মানার প্রকাও ঘানিতে জুড়িয়া,একই চক্রপথে ঘুরাইবার সব চেয়ে বড়ো ওস্তাদ ইহারাই। বলেন, এ ঘানি সনাতন, ইহার পবিত্র স্নিগ্ধ তৈলে প্ৰকুপিত বায়ু একেবারে শাস্ত হইয়া যায়। ইহারা প্রচণ্ড তেজের সঙ্গেই দেশের তেজ নিবৃত্তির জন্ত লাগিয়াছেন ; সমাজের মধ্যে কোথাও কিছু ব্যস্ততার লক্ষণ না দেখা দেয়, সেজন্ত ইহার ভয়ংকর ব্যস্ত । কিন্তু পারিয়া উঠিবেন না। অস্থিরতার বিরুদ্ধে যে চাঞ্চল্য ষ্টছাদিগকে এমন অস্থির করিয়া তুলিয়াছে, সেট দেশের নাড়ীতে প্রবেশ BBBBB BBBB BBBB BBBB BBBD S BBBBBDD DBBBS উঠিয়া যদি কেহ কেহ ঘরে আলো আসিতেছে বলিয়া বিরক্ত হইয়। দুড় দাড়, শব্দে ঘরের দরজা-জানালাগুলো বন্ধ করিয়া দিতে চায় তবে নিশ্চয় আরো অনেক লোক জাগিবে যাহার দরজা খুলিয়া দিবার জন্য উংসুক হইয়া উঠিবে। জাগরণের দিনে ছুই দলই জাগে, এইটেই আমাদের সকলের চেয়ে আশার কথা । যাহারী দেশকে ঠাও করিয়া রাখিয়াছিলেন তাহারা অনেক দিন একাধিপত্য করিয়াছেন। তাহদের সেই একেশ্বর রাজত্বের কীর্তিগুলি চারি দিকেই দেখা যাইতেছে ; তাহ লইয়া আলোচনা করিতে গেলেই রাগারগি হইবার সম্ভাবনা আছে । কিন্তু, দেশের নবযৌবনকে তাহারা আর নির্বাসিত করিয়া রাখিতে পারিবেন না । তাহারা চওঁীমণ্ডপে বসিয়া থাকুন, আর বাকি সবাই পথে ঘাটে বাহির হইয়া পড়ুক । সেখানে তারুণ্যের জয় হউক । তাহার পায়ের তলায় জঙ্গল মরিয়া যাক, জঞ্জাল সরিয়া যাক, কাট। দলিয়া যাক, পথ খোলসা হউক ; তাহার অবিবেচনার উদ্ধত বেগে অসাধ্যসাধন হইতে থাক । চলার পদ্ধতির মধ্যে অবিবেচনার বেগও দরকার, বিবেচনার সংযমও