পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৩৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


---^8లb" স্ব স্ব ভূষাচ্ছলীলাৰ্দ্ধদেহং হরিহরং ভজে। [ মহাভারত । ভ্রাতৃগণান্বেষণে যুগ্ম:রর গমন । এখানে আশ্রমে বলি রাজ যুধিষ্ঠির । সবার বিলম্ব দেখি হৈলেন অস্থির ॥ কোথ৷ ভীম ধনঞ্জয় মাদ্রীর তনয় । তোম। সব না দেথিয় প্রাণ বহিরায় ॥ কোথা লক্ষী গুণবতী দ্রুপদনন্দিনী । তোমার গুণেতে বশ ছিল যত মুনি ॥ আমার সঙ্গেতে প্রিয়ে বহু দুঃখ পেয়ে । হস্তিনীনগরে গেল আমারে ছাড়িয়ে ॥ এইমত বিলাপ করিয়ুi নরপতি । বনে বনে ভ্রমন করেন দুঃখমতি ॥ অরণ্যের মধ্যে রাজা করি অন্বেষণ । ভীমের পাইয়৷ চিহ্ন করেন গমন ॥ যেই পথে গিয়াছেন বীর বৃকোদর । কত শত বৃক্ষচুর্ণ কত গিরিবর ॥ সেই পথে গমন করেন যুধিষ্ঠির । কতক্ষণে উপনীত সরোবর-তীর ॥ সরোবর-তীরে দেখিলেন রমীবন : অপ্রমিত মৃগ পশু মহিষ বারণ ॥ দেখিয়। এ সব শোভ নাহি তাহে চান । উদ্বিগ্নচিত্তেতে রাজা সরোবরে যান ॥ সরোবরে দৃষ্টি যেই করেন নৃপতি । দেখেন ভাসিছে জলে ভীম মহামতি ॥ তার পাশে ধনঞ্জয় ভাসিতেছে জলে । মাদ্রৗপুত্ৰ ভাসে দে হে পবন-হিল্লোল ॥ দ্রৌপদী সুন্দরী ভাসে জলের উপর । শরীরে ভেদিল যেন সহস্ৰ .েতfমর ॥ দেখি রাজা মুগ্ধ হ’য়ে পড়েল ধরণী । অচেতনে রোদন করেন নৃপমণি ॥ কতক্ষণে চেতন পাইয়া যুধিষ্ঠির । দেখিয়া সবার মুখ হলেন অস্থির ॥ পুনর্ববার পড়িলেন ধরণী উপর । চেতন পাইয়া পুনঃ উঠেন সত্বর ॥ পুনঃ পুনঃ কাপিয় পড়েন ঘনে ঘন । হা কৃষ্ণ হ৷ কৃষ্ণ বলি করেন রোদন ॥ মহাভারতের কথা অমৃত-সমান। কাশীরাম দাস কহে শুনে পুণ্যবান ॥ - . রাজা যুধিষ্ঠীরের আক্ষেপ । এইরূপে ভূপতি কান্দেন উচ্চৈঃস্বরে : কোথা কৃষ্ণ রমানাথ রাখহ আমারে । এমন বিপদে কেন ফেলিলে আমায় । কোন দোষে দোষী অামি নহি তব পায় । পিতৃগণ-আমারে দিলেন অভিশাপ । এজন্য আজন্ম আমি পাই মনস্তাপ । অত্যন্ত বালক-কালে হৈল মহাশোক । অজ্ঞানেতে পিতার হইল পরলোক । অনন্তর অস্ত্রশিক্ষা করি যেইকালে । বিহার কারণে যাই জাহ্লবীর জলে ॥ তাহে দুঃখ দিল দুৰ্য্যোধন দুরাচার । প্রকারে করিতেছিল ভীমেরে-সংহার । উদ্ধার হইল ভীম পূৰ্ব্বকৰ্ম্মফলে । নতুবা জীবন পায় কে কোথ মরিলে : পরে মাতৃ সহিতে ছিলাম পঞ্চজন । বিনাশে মন্ত্রণ করে যত শক্রগণ ॥ জতুগৃহ নিৰ্ম্মাণ করিয়া জুরাচার । প্রকারে করিতেছিল সবার সংহার } তাহে স্থমন্ত্রণ দিল বিদুর সুমতি । র্তাহার কৃপায় পাই তথা অব্যাহতি । ঘোর বনে প্রবেশিয়া ভ্ৰমি বহু দেশ । পাইলাম যত দুঃখ নাহি তার শেষ । ভ্ৰমিতে ভ্ৰমিতে আসি পাঞ্চাল নগরে : স্বয়ম্বর-বার্তা শুহি যাই সভাপরে i লক্ষ্য বিন্ধি ধনঞ্জয় জিনে রাজগণে । দ্রৌপদী বরণ কৈল আমা পঞ্চজনে । বিবাহ করিয়া পুনঃ আসিলাম দেশে । করেছি যতেক কৰ্ম্ম কৃষ্ণের আদেশে ! বিদায় লৈয় কৃষ্ণ গেলেন দ্বারকায় । বিধির নির্ববন্ধ কৰ্ম্ম লঙ্ঘন না যায় ॥ i কপট পাশায় দুষ্ট নিল রাজ্যধন । তোমা সব সঙ্গে নিয়া আসি ঘোর বন } _