পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৪৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- جیسبسیے o سياج বকর্ণ নামেতে ধৃতরাষ্ট্রের তনয় । পাগুবের ছুঃখ দেখি দুঃখিত হৃদয় ॥ বশেষ কৃষ্ণার ক্লেশ না সহে শরীরে । ভোজনে চাহিয়া বলেন উচ্চৈঃস্বরে ॥ সভামধ্যে আছে বড় বড় রাজগণে । দ্রৌপদীরে প্রত্যুত্তর নাহি দেহ কেনে ॥ পুনঃ পুনঃ দ্ৰৌপদী যে কহিছে সভায় । সভাসদ লোকে হেন বুঝিতে যুয়ায় ॥ সভায় থাকিয় যদি বিচার না করে । সহস্ৰ বৎসর থাকে নরক ভিতরে ॥ এ যে ভীষ্ম ধৃতরাষ্ট্র বিদুর স্বমতি । কুরুকুলে হর্তা কর্তা এই তিন কৃতী ॥ এ তিন জনেরে নHর করিতে হেলন । তোমরা উভর নাহি দেহ কি কারণ ॥ তোমরা সকলে ভয় করছ কাহারে । উত্তর না দেহ কেন দ্রৌপদীর তরে ॥ আর যে আছয়ে বহু বহু রাজগণ । বুলিয়া উত্তর নাহি দেহ কি কারণ ॥ পুনঃ পুনঃ দ্রৌপদী কহিল বার বার। যার যেই চিত্তে আসে করছ বিচার ॥ এইমত পুনঃ পুনঃ বিকর্ণ কহিল । একজন সভায় উত্তর না করিল ॥ কাহার মুখেতে নাহি পাইয়৷ উত্তর । ক্রোধভরে বিকর্ণ কচালে করে কর ॥ নিশ্বাস ছাড়িয়া পুনঃ কহে সভাজনে । উত্তর না দেহ সবে কিসের কারণে ॥ তোমরা যে কেহ কিছু না দিল উত্তর । আমি কিছু কহি শুন সব নরবর ॥ চারি ধৰ্ম্ম নৃপতির হয়েছে স্বজন । মৃগয় দেবন দান প্রজার পালন ॥ এই যে নৃপতিধৰ্ম্ম দেবনে পশিল । ইচ্ছাম্বথে নহে সবে কপটে ডাকিল ॥ যুধিঠির দ্রৌপদীরে নাহি করে পণ । কপটেতে কছিলেন স্বল-নন্দন ॥ কাগ্রে নরপতি আপনাকে হারিয়াছে । কৃষ্ণার উপর কিবা প্রভুপণ আছে ॥ অভয়ুং বরদঞ্চৈব-দক্ষিণোদ্ধধ-পাণিকাং । বিশেষ সমান কৃষ্ণা এ পঞ্চ জনার । [ মহাভারত। এক ধৰ্ম্মরাজের না ইথে অধিকার ॥ সে কারণে দ্রৌপদী পাশায় নাহি জিত । তোমরা কি বল সবে মম এই চিত ॥ বিকর্ণ বচন শুনি যত সভাজন । সাধু সাধু বলি সবে বলয়ে বচন ॥ বিকর্ণ বচন শুনি কর্ণে ক্রোধ হৈল । দুৰ্য্যোধনে চাহি তবে কহিতে লাগিল ॥ অনেক বিচার বুদ্ধি দেখি যে ইহার । অগ্নি কাষ্ঠে জম্মিয় সংহার করে তার ॥ সেইমত অগ্নিরূপে এই তব কুলে । হেন অপরূপ কহিলেক সভাস্থলে ॥ দেবনেতে কৃষ্ণ জিত হইয়াছে পণে । বুঝিয়া উত্তর নাহি কর কোনজনে ॥ বালক হইয়। সভামধ্যেতে আসিল । বৃদ্ধের সমান নীতি বচন কহিল ॥ কি জানহ ধৰ্ম্ম তুমি কি জান বিচার । কৃষ্ণা জিত নহে যে সে কেমন প্রকার ॥ যুধিষ্ঠির সর্ববস্ব যখন কৈল পণ । জিনিল পাশায় তাহ সুবল-নন্দন ॥ সৰ্ব্বস্বের বাহির কি দ্রৌপদী সুন্দরী । বিশেষ কহিল যবে গান্ধারাধিকারী ॥ দ্রৌপদীরে পণ কর বলিয়া বলিল । শুনিয়া পাণ্ডব কেন নিবৃত্ত ন হৈল ॥ ; আর যে বলিলা কৃষ্ণ এক বস্ত্র কায় । সভামধ্যে ইহারে আনিতে না যুয়ায় ॥ কি তার গৰ্ব্বিত গুরু কিবা ভয় লাভ । বেশ্য। জনে কেন লজ্জা আসিতে সমাজ । | | ! ! l ! | যতেক সংসার এই বিধাতা স্বজিল । ভার্ষ্যার একই স্বামী নিৰ্ম্মাণ করিল ॥ দুই স্বামী হইলে বলি যে দ্বিচারিণী । পঞ্চস্বামী হৈলে পরে বেশ্ব মধ্যে গণি ॥ সভায় আসিবে বেখ্যা লাজ তার কিসে । এইমত বিচার আমার মনে আসে ৷ দুৰ্য্যোধন বলে এই শিশু অল্পমতি । কি জানে বিচার-তত্ত্ব ধৰ্ম্ম সূক্ষ গতি ॥ -=പ്പ