পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


@文●。 গাভুর ডলনং বন্ধে সৰ্ব্বলোক ভয়ঙ্করং। [ মহাভারত । মহাভারতের কথা অমৃত-সমান । কাশীরাম দাস কহে শুনে পুণ্যবান ॥ শ্ৰীকৃষ্ণের নিকটে দুৰ্য্যোধন কর্তৃক দূত প্রেরণ । মুনি বলে শুন শুন রাজা জন্মেজয় । তবে দুর্য্যোধন রাজা চিন্তিল হৃদয় ॥ দ্বারকা গেলেন কৃষ্ণ পেয়ে সমাচার । বরিবারে দূত পঠাইল আগুসার । গোবিন্দেরে লিখিল সকল.বিবরণ। কৌরব পাণ্ডবে হবে ঘোরতর রণ ॥ উভয় কুলের হও কুটুম্ব আপনি । সে কারণে অগ্ৰে তোমা বরিলাম আমি ॥ মহারণে হবে তুমি আমার সারথি । এত বলি দূত পাঠাইল শীঘ্ৰগতি ॥ সবে মস্ত্ৰিগণে ল’য়ে কৌরবের পতি । নিভৃতে বসিয়া যুক্তি করি মহামতি ॥ ভীষ্ম দ্রোণ কৃপ আর প্রতীপনন্দন । দুঃশাসন কর্ণ আদি যত মন্ত্রিগণ ॥ রাজা বলে একমনে শুন সৰ্ব্বজন । দুই কুল হিত হন দেব নারায়ণ ॥ হইবে ভারতযুদ্ধ না হয় খণ্ডন । সম্বন্ধে সমান হন দেব জনাৰ্দ্দন ॥ দুত প্রেরিলাম আমি বুঝিতে রহস্য । দুই কুল হিত কৃষ্ণ করিবে অবশ্য । সে কারণে বুঝিব কৃষ্ণের বলাবল । পাণ্ডবে সন্তোষ কিব। জানিব সকল ॥ করে কি না করে কৃঞ্চ মম হিতাহিত । বুঝিবার জন্য দূত পঠান উচিত ॥ এত শুনি কহিলেন গঙ্গার নন্দন । না বুঝিয়া পাঠাইলে দূত অকারণ ॥ ত্রিভুবন জ্ঞাত কৃষ্ণ পাণ্ডবের হিত । তোমার সাপক্ষ না হবেন কদাচিত ॥ বলিলেন কর্ণ মনে নাহি লয় কথা । পাণ্ডবের হিত কৃষ্ণ জানিবে সৰ্ব্বথা ॥ যটি ব। সপক্ষ তব অনুরোধে হন । , নাসিবেন কপটে তোমার সর্বজন ॥ i | | | །───ཟས་ཟ་མ་ཟ་བླ-- মুখেতে সুন্দর ভাষা অন্তরে তা নয় । তোমার পরম শক্র জানিবা নিশ্চয় ॥ ধৃতরাষ্ট্র বলিল দূতের কৰ্ম্ম নয় । আপনি যাইয়া বর দেবকীতনয় ॥ সসৈন্যে দ্বারকাপুরী যাও দুৰ্য্যোধন। সাক্ষাতে বরিলে সেই মানিবে বচন ॥ দুৰ্য্যোধন বলে অগ্ৰে শুনি দূতস্থানে । কি বলয়ে আগে শুনি দেব নারায়ণে ॥ হন বা না হন কৃষ্ণ আমার সারথি । দূতমুখে জানা যাবে ইহার ভারতী ॥ ধৃতরাষ্ট্র বলিল কহিলে যুক্তি সার । আপনি বলহ গিয়া দেকীকুমার ॥ যাবৎ না বরে পঞ্চ পাণ্ডুর কুমার। সসৈন্য দ্বারক। তুমি হও আগুসার ॥ এত শুনি বিদুর কহেন সেইক্ষণ । বিপদ সময়ে জ্ঞান হারায় স্বজন ॥ আরে দুর্য্যোধন তোর হেন লয় মন । তোমার সারথি হইবেন নারায়ণ ॥ ব্ৰহ্মা শিব ইন্দ্র আদি দেব যত জন । উদ্দেশে করেন র্যার চরণ-সেবন ॥ বার বীর অবতার হয়ে জগন্নাথ । করিলেন কোটি অস্থর নিপাত ॥ মৎস্য-কলেবর ধরি দেব নারায়ণ । দৈত্য মারি করিলেন বেদ উদ্ধারণ ॥ কুৰ্ম্ম অবতার হয়ে শ্ৰীমধুসূদন । করিলেন পৃষ্ঠদেশে ধরণী ধারণ ॥ অনন্তরে ধরি কৃষ্ণ বরাহ-আকৃতি । হিরণ্যাক্ষেম বধ করি উদ্ধারিল ক্ষিতি | ধরিয়া নৃসিংহরূপ হইয় প্রকাশ । করিলেন হিরণ্যকশিপুকে বিনাশ ॥ ধরিয়া বামনরূপ দেব নারায়ণ । পাতালে নিলেন বলি করিয়া ছলন ॥ " ভূগুবংশে রামরূপে হ’য়ে অবতার । নিঃক্ষত্র করেন ক্ষিতি তিন সপ্তবার ॥ রামরূপে বধিলেন লঙ্কার রাবণ । হলধরবেশধারী আছেন এখন ॥