পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উদ্যোগপর্ব। ] গুহ কালীর ধ্যান—মহামেঘপ্রভাং দেবীং কৃষ্ণবস্ত্র পিথায়িনীং | Qr oss এত শুনি হৈল মাতা মলিন বদন । করা হও বলি মুখে বলিল বচন ॥ আরো এক কথা পুত্র শুন দুৰ্য্যোধন । “যথ ধৰ্ম্ম তথা জয়” বেদের বচন ॥ এই বাক্য মুখে বলে মাতা স্নবদনী । আকাশে নির্ঘাত বাণী হৈল ঘোর ধ্বনি ॥ বিনা মেঘে রক্তবৃষ্টি হয় ত গগনে । চাংকার শব্দ করি ডাকে মেঘগণে ॥ বামেতে শকুনিগণ উড়য়ে আকাশে । মন্দতেজঃ হুৈল রবি না করে প্রকাশে ॥ নগর নিকটে আসি ডাকে শিবাগণ । | এইরূপে যাত্রাকালে হৈল কুলক্ষণ ॥ { অহঙ্কারে দুৰ্য্যোধন মনে না করিল। ময়েরে বিদায় মাগি রথে আরোহিল ॥ . ভষ্ম দ্রোণ কৃতবৰ্ম্ম কৃপ মহামতি । : কৰ্ণ আদি করি সাজে যত মহারথী ॥ জয় শব্দ করি চলে রাজা দুৰ্য্যোধন । : কুরুক্ষেত্রে উত্তরল যত কুরুগণ ॥ : শত ক্লোশ যুড়ি রহে কৌরবের সেনা । রথ রথা গজ বাজা পত্তি অগণন ॥ | প্রলয়ের সিন্ধু সম সৈন্যের গর্জনে । জগং বধির হৈল না শুনি শ্রবণে ॥ তবে তুৰ্য্যোধন রাজা হ’য়ে হৃষ্টমন । উলুকে ভাকিয়া আজ্ঞা দিল সেইক্ষণ ॥ মই ত উলুক তুমি বিলম্ব না সহে । : খেই আমার সৈন্য কোথা কত রহে ॥ । Kণ দেখিলে বিবরিয়া কহিবে পাণ্ডবে । : যুক্ত কর আসি সবে যুক্তি অনুভবে ॥ ! গিব ভীমেরে মোর নিষ্ঠুর বচন । i |শের সঙ্গে আসি শক্তিমত কর রণ ॥ i ত্রিপদীর অপমান আর দাসপণ । ইঃখ পেলে বনে করহ স্মরণ ॥ * গণ মরিয়া সাহসেতে কর ভর । 8র সঙ্গে আসি তুমি করহ সমর ॥ ধরে জিনিয়া হখে ভুঞ্জ বহুমতী । "ধনী আমার হাতে হইবে সদগতি ॥ অর্জনেরে কহিবে দম্ভ করিয়া বিস্তর। পূর্বের্বর যতেক দুঃখ স্মরহ অন্তর ॥ যে প্রতিজ্ঞ করেছিলে করহ পালন । আমারে জিনিয়া মুখে ভুঞ্জ ত্রিভুবন ॥ নতুবা কর্ণের হাতে দেখিবে শমন । অবিলম্বে কর আসি যাহা লয় মন । কৃষ্ণেরে কহিবে দম্ভ করিয়া অপার । পাণ্ডবের পক্ষ হ’য়ে হও আগুলার ॥ যেই বিদ্যা দেখাইলে সভা বিদ্যমানে । সে মায়া করিয়া এস অৰ্জ্জুনের সনে ॥ সহদেব মকুলেরে কহিবে বচন । পুৰ্ব্ব দুঃখ ভাব দুইজনে কর রণ ॥ কহিবে ধৰ্ম্মেরে মোর বচন বিশেষে । ব্রহ্মচারা বলি তোম। জগতেতে ঘোষে ॥ ধাৰ্ম্মিকের শ্রেষ্ঠ তোমা বলে সর্ববজন । তপস্বী বলিয়া তোমা করি যে গণন ॥ এখন সে সব কথা হইল প্রচার । বিড়াল সন্ন্যাসী প্রায় তব ব্যবহার ॥ পূর্বেবতে তাহার শুনিয়াছ যে কারণ । সেই অভিপ্রায় তব যজ্ঞ আচরণ ॥ মুখে মাত্র বল ধৰ্ম্ম অন্তরেতে আন । ; fবড়াল সন্ন্যাসী প্রায় হারাইবে প্রাণ ॥ এত শুনি সবিস্ময়ে উলুক তখন । নৃপতিরে জিজ্ঞাসিল বিনয় বচন ॥ বিড়াল সন্ন্যাসী হ’য়েছিল কি কারণে । আপনার দাষে সেই মরিল কেমনে ॥ পশু হ’য়ে কৈল কেন তপ আচারণ । বিবরিয়া কহ শুনি ইহার কারণ ॥ উদ্যোগপর্কেবর কথা অমৃত-সমান । ব্যাসের রচিত দিব্য ভারত-পুরাণ ॥ মস্তকে বন্দিয়। ব্রাহ্মণের পদরজঃ ॥ কাশীদাস কহে পৃদ্ধর দ{সাগজ । দুৰ্য্যোধন কর্তৃক বিড়াল : বার উপাখ্যান কথন । রাজা বলে শুন শুন ওহে অনুচর । সত্যযুগে ছিল এক তাপসপ্রবর ॥