পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্ৰোণপৰ্ব্ব । ] পদ্মরাগ প্রতীকশশাং কুঙ্কুমারুণসন্নিভাং । Ꮼ ❍ ☾ লাক দিয়া ধরে ঘটোৎকচ মহাবল । এক চড়ে ভাঙ্গিল তাহার বক্ষঃস্থল । মহাকায় রাক্ষস পড়িল ভূমিতলে । দেখিয়া হইল ভয় কৌরবের দলে ॥ অলঙ্কৃষি পড়িল দেখিল বিদ্যমান । ভয়ে কোন বীর আর নহে আগুয়ান ॥ লুদ হাতে করি ধায় ঘটোৎকচ বীর । গদ্যর প্রহারে সৈন্য করিল অস্থির ॥ ঘটোৎকচ কর্তৃক পাণ্ড্য রাজা বধ । মহাকোপে ঘটোৎকচ বায়ুবেগে ধায় । রথ সৈন্য অশ্বগণে চুর্ণ করি যায় ॥ লক্ষ লক্ষ পদাতিক করিল সংহার । দেখি দুর্য্যোধন রাজা করে হাহাকার ॥ আজি ঘটোৎকচ বীর করিল সংহার । মম সৈন্যে বীর নাহি সমান ইহার ॥ অভিমনু্য ঘটোৎকচ সম দুইজন । অন্য বীর নাহি এই দোহার তুলনা ॥ ভীমের সমান বীর মহাপরাক্রম । গদা হাতে করি ধায় যেন কাল সম ॥ হেনকালে পাণ্ড্য রাজ রথে চড়ি এল । দুৰ্য্যোধন প্রতি তবে ডাকিয়া বলিল ॥ কি কারণে মহারাজ চিন্তা কর তুমি । দেখ ঘটোৎকচ বীরে বিনাশিব আমি ॥ এত বলি ধনু ধরি যায় নৃপবর । দেখি দুর্য্যোধন বীর হরিষ অন্তর ॥ টাংকচে দেখি বীর ছাড়ে সিংহনাদ । আজি তোর ঘুচাইব সমরের সাধ । iস্থর হয়ে ঘটোৎকচ দেহ মোরে রণ । এক বাণে পাঠাইব যমের সদন ॥ এত শুনি ঘটোৎকচ মহাকুদ্ধ হৈল। *তি গদা করি বীর সমরে ধাইল ॥ শকনি পূরিয়া পাণ্ড্য রাজ এড়ে বাণ । જા ঠেকিয় তাহ হৈল খান খান ॥ । ভণ পৗণ্ড্য রাজা কোপে এড়ে পঞ্চবাণ । 7ণবাণে গদা কাটি করে খান খান ॥ ! | | | | | গদা কাটা গেল বীর অস্ত্র নাহি আল্প । চড় চাপড়েতে বীর করে মহামার ॥ মহাকোপে ঘটোৎকচ ভীমের নন্দন । রথখান সাপটিয়া ধরে সেইক্ষণ ॥ এক টানে ফেলে বীর দ্বাদশ য়োজন । i হেনমতে পাণ্ড্যরাজ ত্যজিল জীবন ॥ এতেক দেখিয়া সবে লাগে চমৎকার । কৌরবের সেনাগণ গণিল আসার ॥ : দুৰ্য্যোধন বলে শুন সৰ্ব্ব যোদ্ধাগণ । সবে মেলি ঘটোৎকচে করহ নিধন ॥ সৰ্ব্বনাশ কৈল মম ভীমের নন্দন । কিরুপেতে জয় হবে আজিকার রণ ॥ ইহার বিধান সবে কহু ত আমারে । ঘটোৎকচ বধ করি কিমত প্রকারে ॥ দুৰ্য্যোধনে কাতর দেখিয়া সৰ্ব্বজন । রথে চড়ি ধায় সবে করিবারে রণ ॥ প্রাণ উপেক্ষিয়া সবে করয়ে সমর । নানা অস্ত্র ফেলে ঘটোৎকচের উপর ॥ ভুষণ্ডী তোমর শক্তি শেল জাঠাজাঠি । ত্রিশূল পটিশ নানা অস্ত্র কোটি কোটি । মূষলের ধারে যেন বৃষ্টি হয় নীর । হেনমতে অস্ত্র ফেলে সব মহাবীর । দেখিয়া কুপিল বীর হিড়িম্বানন্দন । কোপেতে লোহিত নেত্র সাক্ষাৎ শমন ॥ শীঘ্ৰগতি ধনু ধরি করিল সন্ধান । খণ্ড খণ্ড করি কাটে সবাকার বাণ ॥ কাটিয়া সকল অস্ত্র ভীমের তনয় । দশ দশ বাণে বিন্ধে সবার হৃদয় ॥ বাণাঘাতে ধোদ্ধাগণ হৈল অচেতন । ভঙ্গ দিয়া পলাইয়া যায় সবর্বজন । তবে ক্রোধে ঘটোৎকচ যমের সমান । নিমিষেকে মারিলেক লক্ষ সেনাগণ । দেখিয়া ব্যাকুল বড় হৈল ফুৰ্য্যোধন । রোদন করিয়া ধায় যত যোদ্ধাগণ ॥ রথ ছাড়ি হয় ছাড়ি পথে সবে ধায় । | আতঙ্কেতে ভঙ্গ দিয়া পলাইয়t যায় ॥