পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૭૯૨ মুক্তাহারলতেপেত সমুন্নতপয়োধরাং । [ भशडांब्रड । । আকর্ণ পূরিয়া কৰ্ণ করিল সন্ধান । ভীমের হাতের ধনু করে খান খান ॥ গদাঘাত কর্ণে করিল বৃকোদর। মুছিত হইল কর্ণ রথের উপর ॥ রথ বাহুড়িল তবে সারথি সত্বর । ক্ষণেকে চেতন পায় কর্ণ ধনুৰ্দ্ধর ॥ বাহুযুদ্ধ করে দোহে নিৰ্ভয় শরীর । দোছে মহাবীৰ্য্যবন্ত দোহে মহাবীর ॥ অশ্বথামা বীর তবে প্রতিজ্ঞ করিল। রাজার গোচরে গিয়া এমত কহিল ॥ ধৃষ্টদ্যুম্ন বীর বটে মম পিতৃবৈরী। তোমারে তুষিব আজি তাহারে সংহারি ॥ বিনা ধৃষ্টদ্যুম্ব বধে যুদ্ধ যদি করি । আজিকার যুদ্ধে আমি হ’ব পিতৃবৈরী ॥ প্রতিজ্ঞা করিয়া বীর আসিলেক রণে । ধৃষ্টদ্যুম্ন সেনাপতি আসিল তখনে ॥ হুহুঙ্কার করি যুঝে দ্রোণপুত্র সনে । অশ্বথামা মহাবীর মিলিল সমানে ॥ মহাবীর অশ্বথামা সংগ্রামে নিপুণ । ধৃষ্টদ্যুম্ন বীরের কাটিল ধনুগুণি ॥ অশ্বসহ সারথিরে করিল সংহার । নাছিক সন্ত্রম কিছু দ্রোণের কুমার ॥ ক্রোধভরে আসে অশ্বথাম মহাবীর । মনে ভাবি কাটিবেন ধৃষ্টদ্যুম্ব শির ॥ ভীমসেন করিল র্তাহার পরিত্রাণ । আকাশে অমরগণ করয়ে বাখান ॥ মহাবীর কর্ণে তবে বরিষয়ে শর। ” বরিষার মেঘ যেন বরষে নিঝর ॥ ভাঙ্গিল পাণ্ডব-সৈন্য কর্ণ বীর শরে । রাখিতে নারেন সৈন্য ধৰ্ম্ম নৃপবরে ॥. পুনঃ যুধিষ্ঠিরে ধীয় কর্ণ মহাবীর । নারাচ বাণেতে বিন্ধে রাজার শরীর ॥ যুধিষ্ঠির হৃদয়ে বিন্ধিল সাত বাণ । ধৰ্ম্মের শরীর বিন্ধি কৈল খান খান ॥ রাখিবারে রাজারে এল যোদ্ধাগণ । কর্ণবীর বাণেতে করিল নিবারণ ॥ সহদেব নকুল ধৰ্ম্মের পাশে থাকে। - দুই ভাই বিপক্ষে মারিল লাখে লাখে ॥ ত্রিভুবনে বীর নাই কর্ণের সোসর। কাটিল রাজার ধনু কৰ্ণ ধনুৰ্দ্ধর ॥ এক বাণে কাটিয়া পাড়িল শরাসনে । শর ধনু কাটিয়া পাড়িল সেইক্ষণে ॥ অবিলম্বে অশ্ব রথ কাটেন কর্ণবীর । অস্ত্রবৃষ্ঠি করিলেন ধৰ্ম্মের উপর ॥ দুই ভাই চড়িলেন সহদেব-রথে। । পুনরপি কর্ণবীর ধনু নিল হাতে ॥ পাণ্ডবের মাতুল মদ্রের অধিপতি । কর্ণের সারথী সেই বীর মহামতি ॥ ভাগিনার দুঃখ দেখি হৃদয়ে আকুল । বিস্তর বলিল পাণ্ডবের অনুকূল । শুন কর্ণ মহাশয় আমার বচন । আপনি প্রতিজ্ঞ কৈলা বিস্মর এখন ॥ অৰ্জ্জুনের সঙ্গে রণ প্রতিজ্ঞা করিলে। ধৰ্ম্মপুত্র যুধিষ্ঠির সঙ্গে আরম্ভিলে। হীন অস্ত্র যুধিষ্ঠির কবচ রহিত । তাহাকে বিন্ধিতে কর্ণ না হয় উচিত ॥ পার্থে এড়ি যুধিষ্ঠিরে মারিবার আশ । কৃষ্ণসনে অর্জন করিবে উপহাস ॥ শল্যের বচন শুনি ফিরে কর্ণবীর। লজ্জা পেয়ে শিবিরে গেলেন যুধিষ্ঠির ॥ রথ হৈতে নামিলেন ধৰ্ম্ম নরপতি । সরক্ত শরীর রাজা সবিকল মতি ॥ সহদেব নকুলেরে পাঠান সত্বর । যথা যুদ্ধ কুরে মহাবীর বৃকোদর ॥ যুধিষ্ঠিরে এড়ি কর্ণ অন্যেকে ধাইল । মৃগযুথ মধ্যে যেন গজেন্দ্র পশিল । যত অস্ত্র ভূগুরাম দিল মহাবীরে । মারিলেন কর্ণবীর নির্ভর অন্তরে } পাণ্ডবের সৈন্যেতে করিল হাহাকার । যুগান্তের যম যেন করিল সংহার ॥ অর্জন অর্জন বলি মহাশব্দ করে । ধনঞ্জয় ধনুৰ্দ্ধর গেল কোথাকারে।