পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৮৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


.یہ ح Ե-ԳՀ স্বষ্টিরূপাং মহাভাগাং ব্ৰহ্মাণীং তাং নমাম্যহম্ । [ মহাভারত । মৃগ মারিবার ছলে, ব্যাধ আসি সেই স্বলে, সীতা নামে মম নারী, রাবণ লইল হরি দেখিলেক কৃষ্ণের চরণ ॥ - অন্বেষিতে দুই সহোদর ॥ ধ্বজবজাঙ্কুশ পদ, রবিবিম্ব কোকনদ, শত পদ্ম যেন স্থশোভন । রাতুল চরণ দেখি, ব্যাধস্থত হৈল মুখী, মৃগকর্ণ হেন নিল মন । মূষলের শেষ পাই, যেন বাণ-নিরামাই, দৈবে সেই বাণ নিল হাতে । টানিয়া ধনুকখান, সন্ধানিয়া মারে বাণ, চরণ ভেদিল জগন্নাথে ॥ বাণ মারি ব্যাধস্থত, বৃক্ষতলে এল দ্রুত, অপূৰ্ব্ব দেখিয় হৈল ভীত। কিরীট কুণ্ডল হার, নানা রত্ন অলঙ্কার, হৃদয়ে কৌস্তুভ সুশোভিত ॥ পাঞ্চজন্য স্থদর্শন, পাদপদ্ম স্থশোভন, চতুভূজ গলে বনমালা । শ্ৰীবৎসলাঞ্ছন দেহে, মণি বিভূষণ তাহে, নবমেঘে যেমন চপলা ॥ অম্লান তুলসী-মাল, আকর্ণ-লোচন ভাল, অলকা তিলক ভালে সাজে। পরিধান পীতবাস, মুখচন্দ্র স্থপ্রকাশ, কত শোভা কত দ্বিজরাজে ॥ ভয়ার্ত হইয়া ব্যাধ, মাগি নিজ অপরাধ, প্ৰণমিয়া প্রভুর চরণে । কৃপাময় অবতরি, অনাদি পুরুষ হরি, তুমি সার এ তিন ভুবনে ॥ আমি পাপী দুরাশয়, অজ্ঞানেতে মূৰ্ত্তিময়, অপরাধ করিনু গোসাই । শুন প্ৰভু চক্রপাণি, যে কৰ্ম্ম করিনু আমি, । আমার নিষ্কৃতি কতু নাই ॥ শুনিয়া ব্যাধের বাণী, আশ্বাসেন চক্রপাণি, শুন ব্যাধ না করিহ ভয় । মম দেহ ত্যাগকালে, নয়নেতে নিরখিলে, স্বগে যাবে কহিমু নিশ্চয় ॥ রামচন্দ্র অবতারে, পিতৃসত্য পালিবারে, | প্রবেশিক্ষু অরণ্য ভিতর । চাহিয়া গোবিন্দপদ, - শ্ৰীমধুসূদন হরি, কাশীদাস বলে যদি, সাক্ষাৎ হইল বনে, আর চারি কপিসনে, সখা হৈল সহিত আমার । বধ করি বলিরাজা, স্বগ্রীবে করিনু রাজা, ছিলে তুমি বালির কোঙর ॥ মারিয়া লঙ্কার পতি, উদ্ধারিনু সীতাসতী, । দিতে বর যাচিমু তোমারে । পিতৃবৈরি মারিবারে,বর মাগি নিলা মোরে, আমিও ছিলাম অঙ্গীকার ॥ সেই প্রয়োজন ফলে, জন্ম হৈল ব্যাধকুলে, মুক্ত হয়ে যাহ স্বৰ্গপুরে । হেনকালে আচম্বিতে, পুষ্পবৃষ্টি অপ্রমিত, রথ এল ব্যাধের গোচরে ॥ রথ আরোহিয়া ব্যাধ, স্বৰ্গপুরে করিল গমন । হৃদয়ে ভাবনা করি, নিজ দেহ ত্যজেন তখন ! জ্যোতিৰ্ম্ময় নিজ অঙ্গে, প্রবেশি পরম রঙ্গে, দেবগণে করে স্তুতিবাণী । দুন্দুভি-নিনাদ বাজে, অপ্সরী কিন্নরা নাচে, হুলাইলি অমর রমণী : পুষ্পবৃষ্টি করে সবে, পারিষদগণ সেবে স্তুতি করে স্থর মুনিগণ । চতুৰ্ম্মখে বিধিবর, পঞ্চমুখে মহেশ্বর করপুটে করয়ে স্তবন ॥ অখিল হইল দীপ্ত, ভুবন হইল তৃপ্ত আনন্দিত যত দেবগণ । শুনরে ভকত-ভাই, স্মরণেতে মুক্তি পাই, এড়াই শমন দরশন ৷ ভক্তবশ গুণনিধি, ভক্তবাঞ্ছা করে সিদ্ধি, নাহি আর ভক্তির সমান । পার হবে ভব-নদী, ভজ সেই দেব ভগবান ॥