বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:কৃষি-চন্দ্রিকা.pdf/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

( १v' ) উপযুক্ত। ইহার বীজ আতিশয় লঘু, অপ বাত, সেই উড়িয় যায়, এজন্য নিৰ্ব্বাত-পরিস্কার দিবসে বীজ বপন করা উচিত । ইহার চাষের নিমিত্ত, মৃত্তিক অত্যন্ত গভীর করিয়া খনন করবে। খনন করা যত অধিক হইবে ততই ভাল। মৃত্তিকায় কাকর, প্রস্তর প্রভৃতি থাকিলে, মুল প্রবেশের ব্যাঘাত হয়, অতএব সে সকল বাছিয়া ফেলিবে । ক্ষুদ্র-মুল জাতীয় গাজরের বীজ ভাদ্র মাসের প্রথমে, এবং মধ্যবিধ মূল-বিশিষ্ট জাতীয়ের বীজ ভাদ্র মাসের শেষে, আর দীর্ঘমূল জাতির বীজ আশ্বিন মাসের মধ্য ভাগে বপন করিবেক । আর এক প্রকার গাজর আছে, তাহার মূলের আকৃতি শৃঙ্গের ন্যায়। দীর্ঘমূলায় গাজর অপেক্ষ। তাহ শীঘ্র পূর্ণাবস্থা প্রাপ্ত হয় । বীজ বপন করিয়া জল সেচন করিলে, কয়েক দিনের মধ্যে তাহা হইতে অঙ্কুর উদ্ভিন্ন হইয়া চার জন্মিবে। Fার গুলিতে চারিট করিয়৷ পাতা বাহির হইলে, তাহাদিগকে পরস্পর ৫ অঙ্গল অন্তর২ করিয়া রোপণ করিবে এবং ইহার কিছু দিন পরে, চারা গুলি একটু বড় হইলে, পুনরায় স্থানান্তর করিয়া ১২।১৩ অঙ্গুল অন্তরে২ রোপণ কfরবে। চারায় যথেষ্ট জল দিবে। ক্ষেত্ৰ-মধ্যে অনিষ্টকুারী ডুণাৰু৷ জন্মিলে, নিড়ান দ্বারা তুলিয়া ফেলিবে । জ্যৈষ্ঠ মাসের মধ্যে চারা সকল পূর্ণাবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং তখন তাহাদিগকে উৎপাটন করা যাইতে পারে।