পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( הנ ) যাইবার সময় পথে একজন সন্ন্যাসী তাঁহাকে স্নান দেখিয়া তাহার কারণ জিজ্ঞাসা করিলেন। সবিশেষ গুনিয়া সস্নেহে লৈলেন “বৎস, রক্তপাত করিয়া, কিম্বা যশের কামনা-পরবশ হইয়া পৃথিবীজয়ী নামের আশা করিও না। তাহাতে সে প্রদীপ নিভিবে না। যদি আত্মজয় করিতে পার তাহা হইলেই তুমি যথার্থ পৃথিবী জয়ী হইত্ত্বেও তাহা হইলেই তুমি সেই দেবরত্বের অধিকারী।” সন্ন্যাসীর কথায় মহারাজের চৈতন্য হইল। তিনি মন্দিরে ন৷ গিয়া পথ হইতে বাট ফিরিয়া আসিলেন। অন্যায়রপে যে সকল রাজত্ব কাড়িয়া লইয়াছিলেন তাহ ফিরাইয়া দিলেন, নিজের দ্বপ্রবৃত্তি সকল দমন করিয়া নিঃস্ব ভাবে পরোপকারে কৃতসঙ্কল্প হইলেন। আন্তরিক প্রার্থনায় ঈশ্বর তাহারসহায় হইলেন— ক্রমে লোভ, ঈর্ষা, অহঙ্কার সকলি তাহাকে পরিত্যাগ করিল— তিনি ঈশ্বরে আত্ম সমর্পণ করিতে সমর্থ হইলেন। তখন তাহার হস্তের কালী মুছিয়া গেল, কিন্তু তখন আর কোন রত্ন লাভে তাহার বানা রহিল না, তিনি বাসনাহীন হয়ে পুরোহিতকে ধন্যবাদ দিবার নিমিত্ত সেই মন্দিরে গিয়া দেখিলেন, প্রদীপ নিভিয় গিয়াছে। পুরোহিত বলিলেন—“তুমি যে রত্ন বইতে আসিয়াছ তাহা ইতিপূৰ্বেই তোমার হইয়াছে—এই ীে দীপ নিৰ্ব্বাপিত। এখন তুমি কেবল মাত্র পৃথিবীজয়ী নহ—ত্ৰৈলোক্য জয়ী।” বালকবালিকাগণ,তোমরাকি বুঝিয়াছ এইগল্পটির গৃঢ়ার্থকি? দুপ্রবৃত্তি অনুষ্যহৃদয়ে সৰ্পস্বরূপ সুমের গুণজ্যোতি হরণ করিয়া সে নিজে fಣ್ಣೆ হয় কিন্তু মনুষ্যকে নিজে "খে | সেইন্সপেরঞ্জাৱাই মন্ত্র্য তা মারিয়া পায়।