পাতা:গল্পাঞ্জলি.djvu/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ما لمسا 2 ૨૨ গল্পাঞ্জলি “তোমাদের দুঃখ দেখে, আর ভট্চার্য্যি তোমাদের অমন করে ঠকিয়ে ঠকিয়ে সৰ্ব্বন্ধটা নিয়েছে শুনে, আমার মনে হল বেটাকে জদ করতে হচ্ছে। তোমরা শুতে গেলে, সেই ভূজ্জিপত্ৰখানা খুলে দেখলাম—কোন কালের কি মন্ত্র আলতা দিয়ে লেখা ছিল—কিছুই আর দেখা যাচ্ছে না। আমি সেই ভূজ্জিপত্রে তখন কালে কালী দিয়ে লিখলাম আমার বংশাবলীর মধ্যে যদি কাহারও কখনও অল্পকষ্ট উপস্থিত ছয় সে যেন আমার বসত বাটীর পূজার ঘরের ঈশান কোণ খনন করিয়া দেখে, সেখানে সাতঘড়া মোহর পোত রহিল। এই লিখে, ভূজ্জিপত্ৰখানি গুটিয়ে রেখে দিলাম। ভোর বেলায় চলে যাবার আগে তাতিনীকে যা বলে গিয়েছিলাম তা ত ভুমি স্বকৰ্ণেই শুনেছ।” এই বৃত্তান্ত শ্রবণ করিয়া রাইচরণ একমিনিট কাল নিম্পন্দ হইয় রছিল । শেষে বলিল—“তা হলে কাযটা ত ভাল হয় নি বাবু মশায় ।” “কেন, মন্দটা কি হয়েছে ” ‘ব্রাহ্মণের ব্রহ্মস্ব হরণ । সে যে মহাপাপ।” যুবা আবার হাসিতে লাগিল। বলিল—“ব্রাহ্মণের ব্ৰহ্মশ্বট এসেছিল কোথা থেকে ? দুনিয়ার গরীব অসহায় লোককে ঠকিয়ে ঠকিয়ে টাকা করেছিল, এ কথা ত তোমরাই বলেছ। সে টাকা গ্রহণে কিছুমাত্র দোষ নেই।” রাইচরণ বলিল—“বাৰু, আমি শুনেছি, যে পাপ করবে, ভগবান তাকে সাজা দেবেন। ভট্টচাৰ্য্য যদি অন্তের সৰ্ব্বনাশ করে থাকেন, সে বিচার করৰার জন্তে ভগবান রয়েছেন। তুমি আমি তাকে সাজ দেবার কে বাৰু?” \