পাতা:গল্পাঞ্জলি.djvu/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাল্যবন্ধু ン* “খোকা এখন কেমন আছে বউমা ?” “এখন আর গা গরম নেই—যুমুচ্ছে।” “তবে আমি কয়লায় আগুন দিয়ে এসে খোকাকে निइँ–झुगि তারপর চান করে ফেলে—” কি বলিতে যাইতেছিল, একটু মুখে হয় দিও,–কিন্তু তাছার স্মরণ হইল ঘরে কিছু নাই—তাই সে থামিয়া গেল । যত বেলা হইতে লাগিল, হেমাঙ্গিনীর আশঙ্কাও তত বাড়িয়া উঠিল । আস্তে আস্তে খোকাকে তক্তপোষে শোয়াইয়া দিয়া সে স্বয়ং জামাল কাছে গিয়া দাড়াইল । অধিকক্ষণ অপেক্ষা করিতে হইল না। দেখিল, টলিতে prg নলিনী আসিতেছে। হস্ত রিক্ত—পশ্চাতে কোনও ঝাকামুটে নাই। যে আলোয়ানখানা গায়ে দিয়া প্রভাতে বাহির হইয়াছিল, তাহাও গায়ে নাই । দেখিয়া হোমাঙ্গিনীর মাপা ঝিম্ ঝিম্ করিতে লাগিল । পড়িয়া যাইবার ভয়ে দুই হাতে জানালার গরাদে শক্ত করিয়া ধরিল। সিড়ি বহিয়া কোনও মতে নলিনী উপরে উঠিয়া জাগিল। ৯০ প্রবেশ করিয়া, পকেট হইতে মুঠ করিয়া কয়েকটা টাকা পয়স বাহির করিয়া সজোরে ঘরের মেজেতে ছড়াইয়া দিল। জড়িতম্বরে বলিs_ “এই নাও, বিকে বাজারে পাঠাও। আমি গুলাম।”—বলিয়া লড়াম করিয়া মেঝের উপর পড়িল । একটা র্কাসার গেলাস রাখা ছিল, তাহার কাণায় লাগিয়া মস্তকের একস্থান কাটিয়া গেল—রক্তপাত হইতে লাগিল । “হায় হায় হায়”—বলিয়া তাড়াতাড়ি হেমাঙ্গিনী মাতাল স্বামীর মস্তক কোলে তুলিয়া লইয়া বসিল । কস্তা তাড়াতাড়ি ঘটি করিয়া জল আনিম দিল। হেমাঙ্গিনী নিজ পরিধানের ছিন্নবস্ত্র ছিন্ন করিয়া, জলে ভিজাইয়া আহত স্থান টিপিয়া ধরিল। কন্যাকে বলিল—“পাখা নিয়ে বাতাস কর।” নলিনী অচেতন ।