পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৪১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


कर्णाछन्न रुघ्राङ्ग 80s তামাকু সেবন করিতে করিতে তিনি কিছুক্ষণ বিষয়কায নিৰ্বাহ করতেন; অবশিষ্ট সময় নিদ্রায় অথবা মোসাহেবগণের খোস গলপ শ্রবণ করিয়া অতিবাহিত করিতেন। কেবল বিকালে একবার তাঞ্জামে চড়িয়া বায় সেবনে বহিগত হইতেন। গ্রামের বাহিরে বলিলেই হয়, নদীর নিকট একস্থানে একটি ক্ষদ্র মৎকুটীরে আবদল নামক একজন গরীব লোক বাস করিত। রাস্পতা হইতে এই কুটীরখানি বেশী দরে নহে; —মাঝে খানিকটা পতিত জমি মাত্র। কুটীরের উভয় পাবে এবং পশ্চাতে নদীতীর অবধি শরবন। আবদলে প্রত্যহ প্রভাতে উঠিয়া, একখানি ছাঁর হাতে করিয়া এই শরবন মধ্যে প্রবেশ করিত;–এবং বেশ পাকাপাকা শরগুলি খুজিয়া খুজিয়া কাটিয়া, বোঝা বধিয়া তার কুটীরের সম্মখে আনিয়া ফেলিত। ধারালো ছরেীর সাহায্যে শরের ছালগলি ছাড়াইয়া তাহা দিয়া সারাদিন বসিয়া কুলা, ডালা, পাখা, ছোট ছোট বাক্স ইত্যাদি নানা দ্রব্য বয়ন করিত। বাজালে বা গহপথ বাড়ী গিয়া, সেই সব বিক্ৰয করিত—ইহাই তাহার উপজীবিকা । নবাব বাহাদর বিকালে হাওয়া খাইতে বাহির হইলে, প্রাযই তাঁহার তাঞ্জাম আবদলের কুটীরের সন্মুখ দিয়া যাইত। তিনি দেখিতেন, সারাদিনের পরিশ্রমের পর, আবদল কোন দিন কুটীরেব বাহিরে বসিয়া অন্নপাক করিতেছে, কোনও দিন দেখিতেন, বাহৎ শানকাঁতে লাল মোটা চাউলের একরাশি ভাত ঢালিয়া, যৎসামান্য ব্যঞ্জন অথবা কেবলমাত্র লবণ সহযোগে পরমানন্দে ভক্ষণ করিতেছে। কোনও দিন বা দেখিতেন, তাহার খাওয়া হইয়া গিযাছে, ধলা মাটীর উপর ছোড়া চেটাই বিছাইয়া, গ্রীমের ফরেফারে হাওয়ায় আবদুল গভীর নিদায় মগন। দেখিয়া দেখিয়া, নবাব বাহাদরের মনটা ঈষায জবলিয়া যাইত। তিনি ভাবিতেন, “উঃ—হতভাগার কি পদ্ধা ! উৎকৃষ্ট কাশমীরী চাউলের পোলাও তাহাই অাধপোয়ার বেশী আমি খাইতে পারি না;--বাবাচ্চারা প্রত্যহ ৮৭১o প্রকাবের মাংস রন্ধন করিয়া দেয়, কোনওটা একট চাখিয়া দেখি মাত্র—মখে রাচে না—খাই না,— কোনওটার দুই চারি টুকরা খাই; একদিন দুই চামচ বেশী খাইলেই বদহজম হয় । আর ঐ শযতান, শুধ খানিকটা নতুন বা খানিকটা কুমড়ার ঘাঁট দিয়া সেরখানেক বাকড়ি চাউলের অন্ন গোগ্রাসে গিলিতেছে; রেশমের গদি তোষকের উপর শইয়া থাকি, ভূত্যেরা দুই পাশেব দাঁড়াইয়া, গোপালজলে ভিজানো পাখায় আমায় হাওয়া কবে, তব আমার ঘমে আসে না, অন্ধ রাত্রি পয্যন্ত আমি জাগিয়া কেবল এ পাশ ও পাশ করি! আর, ও কিনা ধলোর উপর চেটাই পাতিয়া এমন ঘমোয় যে, আমার তাঞ্জামবাহকগণের শব্দ পযর্ণন্ত শুনিতে পায় না,-উঠিয়া দাঁড়াইয়া আমায় সেলাম করে না । উঃ, অসহ্য !" গ্রীমকাল । সমস্ত শরবন পাকিযা শুকাইয়া উঠিয়াছে। একদিন রাগের মাথায় নবাব বাহাদর ভূত্যগণকে হুকুম দিলেন, “দে—ওর শরবনে আগন লাগাইয়া দে।” শধ্যে শরবন পড়িল না;—সেই আগনে আবদলের কুটীরখানিও ভস্মসাৎ হইয়া গেল । নবাবের এইরুপ অত্যাচারে নিরশ্ন নিরাশ্রয় হইয়া, আবদলে রাজধানীতে গিয়া, প্রধান काछिन्न निकछे नवारवव्र नाट्ञ नाठिाथा कर्गद्वग्ना मिळ । ॥ गद्गुर्दे ॥ কাজী সাহেব উভয় পক্ষেব সক্ষী সাবাদ গ্রহণ করলেন। কট প্রশ্ন করা আবদলের উপর নবাব সাহেবের রাগের যথার্থ কারণও তিনি অবগত হইলেন। বিচার-শেষে কাজি সাহেব রায় প্রকাশ কবিলেন। ফরিয়াদীকে সম্বোধন করিয়া তিনি