পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পলিনবাবরে পত্রলাভ 8e» ऋलिन आग्न किञ्चद मा शलग्ना, नाण शिर्गब्रज्ञा भग्नन कब्रिज । “আমাদের গাড়ী কটায় " . “রাত ন’টায়।” “তুমি একবার সেখানে যাবে না ?” “কোথায় ?” “তোমার বিভাবতীর কাছে ?” পলিন খসী হইয়া বলিল, “তুমি সন্ধে যাও যদি, ত যাই। চল না, দেখে আসবে তাকে। তোমায় সে দিদি বলতে অজ্ঞান। কলকাতা থেকে যেদিন আমি ফিরে যাই, সেদিন সে কত যে কাঁদলে। বললে, “আমায় এখানেই ফেলে রাখলে, দিদিকে ত আমি দেখতে পাব না, তাঁর একদিন সেবাও করতে পাব না !—তার কথাবাত্তায় বঝেতে পেরেছিলাম, তোমায় সে খুব ভক্তি করে। চল না সে তোমায় দেখলে কত খসেী হবে।" সশীলা বলিল, “আমার গলায় একগাছা দড়ি আর একটা কলসী কি জোটে না ভেবেছ তুমি—ষে তার সঙ্গে যাব আমি দেখা করতে ?” পলিন ক্ষণস্বরে বলিল, “তবে থাক।” কিয়ৎক্ষণ উভয়েই নীবব। শেষে সশীলা বলিল, “তুমি যাও না, গিয়ে দেখা করে এস। এখন ত মোটে ৪টে—আমাদের গাড়ীর এখনও ৫ ঘণ্টা দেরী।" পলিন বলিল, এখন থাক—সে তোমায় পৌঁছে দিযে ফেরবার পথেই হবে এখন।" —বলিয়া তামাক সাজিতে বসিল। পর্বে ভূত্যাদি না থাকিলে সশীলা নিজে তাহাকে তামাক সাজিয়া দিত, এখন আর দেয় না । তামাক সাজিয়া, কিয়ৎক্ষণ ধুমপানের পর পলিন বলিল, “সশীলা, তোমায় আমায় এখন থেকে বোধ হয় চির-বিচ্ছেদ ?” - সুশীলা কঠোর স্বরে বলিল, “একরকম তাই বইকি " “আমার শেষ অনুরোধ একটি রাখবে ?” “কি ?” "চল তোমাতে আমাতে এক সঙ্গে ফটোগ্রাফ তোলাই। আগে যখনি কলকাতায় এসেছি, তখনই ওকথা তুমি আমায় বলেছ—কিন্তু একবারও হযে ওঠেনি।—একখানা ফটোগ্রাফ থাকলে তব চিহ্ন ত একটা থাকবে!” সশীলা নীরব রহিল। তাহার মৌন সম্মতি জানিয়া পলিন বলিল “তবে তোমার বেনারসীখানা বের করে পর—আর খানকতক গহনা-টহনাও পরে নাও।” প্রবল বেগে মাথা নাড়িয়া সাশী বলিল, “সে সব কিচ্ছ আমি পারবো না।” পলিন দীঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিল, “তোমার উপর ত এখন আর আমার কোনও জোর নেই। আচ্ছা, তবে গাড়ী ডাকতে পাঠাই ?” o গাড়ী আনাইয়া সশীলাকে লইয়া পলিন হাতীবাগানে এক ফটোগ্রাফের দোকানে ?१rन्ना छैठळ ॥ ফটোগ্রাফওয়ালা খাতির করিয়া উভয়কে একটি কামরায় লইয়া গিয়া বসাইল। তাহার সহকারী পাশেবার টুডিও মধ্যে ক্যামেরা ঠিক করিতে লাগিল। অপেক্ষণ মধ্যেই•উভয়ের ফটোগ্রাফ তোলা হইয়া গেল। বিশ্রামকক্ষে ফিরিয়া আসিয়া উভয়ে আবার উপবেশন করিল। ফটোগ্রাফওয়ালা বলিল, “লেমনেড়, বরফ, কি চা-কিছল আনিয়ে দেবো ?” পলিন বলিল, “না।—দেখন, এই ষে সেবার আপনার দোকান থেকে আমি এই ফটোখানা কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম-এ নিয়ে ত মহাতক উপস্থিত হয়েছে, মশাই!”—