এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
গ্রন্থপরিচয়
১০১৫
| ১৩৪৩ আশ্বিনে ইহার রচনা। ১৩৪৩ সালের ২৪ ও ২৫ কার্তিক তারিখে কলিকাতার ‘আশুতোষ হল’এ ইহার অভিনয়। এই রচনা পরে নানা ভাবে পরিবর্তিত হইয়া ‘শ্যামা’ (পৃ ৭৩৩-৫০) নৃত্যনাট্যে পরিণত হয়। | |
৯৪৭-৫১
|
পরিশিষ্ট ৩॥ প্রথমসংস্করণ গীতবিতান’এ ‘বাদ দেওয়া গানের তালিকা’য় (পরিশিষ্ট খ) কতকগুলি গান কবির ‘স্বরচিত নহে’ বলিয়া নির্দিষ্ট। তাহারই একাংশের বিবরণ বর্তমান গ্রন্থের জ্ঞাতব্যপঞ্জীতে (পৃ ১৬৫-৬৯) দ্রষ্টব্য; অন্য অংশ এ স্থলে তৃতীয় পরিশিষ্টরূপে সংকলিত— এগুলি যে রবীন্দ্রনাথের রচিত নয়, এ সম্পর্কে প্রথমসংস্করণ ‘গীতবিতান’এর উক্ত বিজ্ঞপ্তির অতিরিক্ত অন্য মুদ্রিত ও নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নাই। অপর পক্ষে তৃতীয় ও সপ্তম ব্যতীত সব গান ১২৯২ সালের ‘রবিচ্ছায়া’য়, তৃতীয় ও অষ্টম ব্যতীত সব গান ১৩০০ সালের ‘গানের বহি’তে, এবং প্রথম হইতে নবম অবধি সব গানই ১৯০৯ খ্রীস্টাব্দের ‘গান’ গ্রন্থে পাওয়া যায়। ১৩০৩ সালের ‘কাব্যগ্রন্থাবলী’ গ্রন্থে এক পাঁচ সাত আট ও নয় -সংখ্যক গান, এবং ‘১৩১০’ সালে প্রকাশিত ‘কাব্যগ্রন্থ’ অষ্টম ভাগে তিন পাঁচ ও সাত সংখ্যক গান পাওয়া যায়। ‘নিত্য সত্যে চিন্তন করো রে’ (৩) ‘ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি’ চতুর্থ ভাগে এবং ‘সঙ্গীতপ্রকাশিকা’য় (চৈত্র ১৩১৩) স্বরলিপি-সহ রবীন্দ্রনাথের নামেই প্রচারিত। ‘মা আমি তোর কী করেছি’ (৪) গানটি ‘ভারতী’তে ‘বৌঠাকুরানীর হাট’ গল্পের অঙ্গীভূত হইয়া ১২৮৯ আষাঢ়ে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের প্রথম-দ্বিতীয় সংস্করণেও মুদ্রিত। ‘না সজনী, না, আমি জানি’ (৯) ‘স্বরলিপি-গীতিমালা’য় রবীন্দ্রনাথের রচনা বলিয়াই নির্দিষ্ট হইয়াছে। |
৯৫২-৫৫
|
পরিশিষ্ট ৪॥ সংকলিত রচনাগুলি ইতঃপূর্বে রবীন্দ্র-নামাঙ্কিত কোনো গ্রন্থে বা রচনায় পাওয়া যায় নাই। |
৯৫২।
|
এই রচনা স্বরলিপি-সহ ‘বালক’এর ১২৯২ আষাঢ় সংখ্যায় ও পরে ‘স্বরলিপি-গীতিমালা’য় মুদ্রিত; তৎপূর্বে দীর্ঘতর আকারে ১২৮৬ |
গী ৬৫