এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১০১৬
গীতবিতান - ৩
| ভাদ্রের ‘ভারতী’তে প্রকাশিত। একমাত্র ‘স্বরলিপি-গীতিমালা’য় রচয়িতা সম্পর্কে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়— কথা:—শ্রীজ্যো—
—শ্রীর কিন্তু, সুরকারের উল্লেখ না থাকায় ‘হিন্দিভাঙা’ সুর বলিয়া মনে হয়। প্রথম প্রকাশের কাল (ওই সময়ের ‘ভারতী’তে রবীন্দ্রনাথের ‘য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্র’ ধারাবাহিক ভাবে মুদ্রিত হইতেছিল) এবং রচনাশৈলীর বিচারে ইহা প্রধানতঃ রবীন্দ্রনাথের রচনা বলিয়া অনুমান হয়। বর্তমান পাঠ ‘স্বরলিপি-গীতিমালা’র অনুসারী। | |||||||||||||||||||
৯৫২।২-৩
|
১৮৮০ খ্রীস্টাব্দে প্রচারিত ‘মানময়ী’ গীতিনাট্যের অঙ্গীভূত। ইন্দিরাদেবী-লিখিত ‘রবীন্দ্রস্মৃতি’ (বিশ্বভারতী-কর্তৃক প্রকাশিত: ১৩৬৭/পৃ ২৭-২৮) দ্রষ্টব্য। এক সময়ে গান দুটি পড়িয়া শুনাইলে পর, রবীন্দ্রনাথ ‘নিজের বলিয়া সন্দেহ প্রকাশ করিয়াছেন।’ দ্রষ্টব্য ‘রবীন্দ্র-রচনাপঞ্জী’: শনিবারের চিঠি: ফাল্গুন ১৩৪৬/পৃ ৭৬১। | ||||||||||||||||||
৯৫৩।৪
|
জ্যোতিরিন্দ্রনাথের ‘স্বপ্নময়ী’ (১২৮৮) নাটক হইতে সংকলিত। ভাব ভাষা ছন্দের বৈশিষ্ট্য এবং রবীন্দ্রজীবনের বিশেষ অনুষঙ্গ বা স্মৃতি ছাড়া ইহা যে রবীন্দ্রনাথেরই রচনা সে সম্পর্কে অন্য প্রমাণ দুর্লভ। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের নাটকগুলিতে রবীন্দ্রনাথের গানের অজস্র ব্যবহার দেখা যায়। ‘স্বপ্নময়ী’তে পাই—
|