পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/১৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


& গোবিন্দ দাসের করচ গুর্জর নগর ছাড়ি মোঁর গোরারার। পূর্ণনগর প্রভু যাইবারে চায় ॥ गांउनिन हेडेrणांछै। कछु ना कब्रिट । একেবারে বিজাপুর পর্বত উঠিলা ॥ পথের সম্বল মাত্র আছে হরিনাম । পৰ্ব্বতে উঠিয়া প্রভু করিলা বিশ্রাম ॥ এইস্থানে পৰ্ব্বতের শিখরে উঠিয়া । আনন্দ পাইল হরগেীরী নিরখিয়া ॥ পৰ্ব্বত হইতে নামি চৈতন্ত গোসাই । চলিল উত্তরে মুক্তি পিছে পিছে যাই ॥ একেবারে দেখা গেল সহ কুলাচল । কুলাচল দেখি প্রভু আনন্দে বিহবল ৷ মহেঞ্জ মলয় গিরি দেখেছি নয়নে । সহগিরি শোভা আহা না যায় কথনে ॥ দূর হৈতে নীলবর্ণ রেখা যায়। সেই স্থানে দেখিবারে মোর প্রভু ধায় । গম্ভীর ভাবেতে গিরি আছে দাড়াইয়া । গিরি দেখি চিত্ত যেন উঠিল নাচিয়া ॥ প্রভু বলে এই গিরি আনন্দের ধাম । আননের ধুমি বলি করিলা প্রণাম ॥ সহকুলাচল দেখি হয় অগ্রসর। পুলকে পুরিল যেন প্রভু বিশ্বম্ভর ॥ চলিল উত্তরে সহ গিরি ত্যাগ করি । অপার আনন্দ মুখে বলে হরি হরি ॥ কোন অভিলাষ নাই অতি দীনবেশ । ভক্তিরলে ভাসাইলা প্ৰভু নানা দেশ ॥ কৌপীন পরণে ধূলা মাখা সৰ্ব্বগায় । দেখিলে পাগল বটে এই মনে হয় ॥ ক্রমে গোরাচীন পূর্ণনগরে আইলা। ৰহত পণ্ডিত তথা আসি বাকি দিল ॥ বহু লোক করে হেথা শাস্ত্র অধ্যয়ন । ক্রমে ক্রমে বহু লোক দিলা দরশন ॥ আচ্ছসর নামে এক জলাশয় আছে। বসিলা নিমাই মোর গিয়া তার কাছে ॥ বিস্তৃত বকুল বৃক্ষ শোভে তদুপরি । মোত্র প্রভু বৈসে তার তলে মাডড করি ॥ শত শত পণ্ডিত বিরাঞ্জে এই থানে। রাত্রিদিন নানা শাস্ত্র পণ্ডিতে বাখানে ॥ শত শত পড়ুয়া আসিয়া এই খানে। নানা শাস্ত্র অধ্যয়ন করে গুরুস্থানে ॥ এই স্থানে বহু লোক নিপুণ বিদ্যায়। শত শত চতুষ্পাঠী মধ্যে শোভা পায়। ভাগবত যেই জন করে অধ্যয়ন । তাহারে পণ্ডিত বলি মানে সৰ্ব্বজন ॥ গীতা আর ভাগবত যেই নাহি জানে । তাহারে পণ্ডিত বলি কেহ নাহি মানে ॥ একই পণ্ডিত ভাগবত ব্যাখ্যা করে। তাহা শুনি প্রভুর নয়নে অশ্রু করে ॥ এক জন ব্রহ্মবাদী পণ্ডিত আইল । তার সব তর্কবাদ প্ৰভু খণ্ডাইল । অনেক বৈষ্ণব সাধু একত্র হইয়া। প্রভুর ভকতি দেখি উঠিল জাগিয়া ॥ নয়ন মুদিয়া প্রভু কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে। নয়ন বহিয়া অশ্রু পড়ে বক্ষঃস্থলে । প্রভু বলে মোর প্রাণ মুকুন্দ মুরারি। আসিয়া উদিত হও হৃদয়ে আমারি ॥ রাধাকৃষ্ণ সৰ্ব্বশক্তিময় বিশ্বাধীর । কুজ্ঞ বিনা এ বিশ্বের কেবা লয় ভার ॥ কোটি কোটি ব্রহ্মাণ্ড যার লোমকূপে। সেই প্রাণকৃষ্ণে মুহি হেরিব কিরূপে ॥ মাটি খেয়ে মার কোলে মুখ বিস্তারিল। অমনি জননী মুখে ব্ৰহ্মাও দেখিল।