পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఏ* চয়নিক গভীর অরণ্য-ছায়ে উদাসিনী হয়ে বসে থাকো ; ঝিকিমিকি আলোছায়া লয়ে কম্পিত অঙ্গুলি দিয়ে বিকাল বেলায় বসন বয়ন করে। বকুলতলায় ; অবসক্স দিবালোকে কোথা হতে ধীরে ঘনপল্লবিত কুঞ্জে সরোবর-তীরে করুণ কপোতকণ্ঠে গাও মুলতান ; কথন অজ্ঞাতে আসি’ ছু’য়ে যাও প্রাণ সকৌতুকে ; করি’ দা ও হৃদয় বিকল, অঞ্চল ধরিতে গেলে পাল্য ও চঞ্চল কলকণ্ঠে হাসি’, অসীম আকাঙ্ক্ষারাশি জাগাইয়া প্রাণে, দ্রুতপদে উপহাসি’ মিলাইয়া যাও নভোনীলিমার মাঝে । কখনো মগন হয়ে অাছি যবে কাজে স্থালিত-বসন তব শুল্ল রূপখানি নগ্ন বিচ্যতের আলো নয়নেতে হানি’ চকিতে চমকি? চলি যায়—জানালাস একেলা বসিয়া সবে অঁাধার সন্ধ্যায়,— মুখে হাত দিয়ে, মাতৃহীন বালকের মতে, বহুক্ষণ কাদি, স্নেহ-আলোকের তরে, ইচ্ছা করি, নিশার সাধারস্রোতে মুছে ফেলে দিয়ে যায় স্তষ্টিপট হতে এই ক্ষীণ অর্থহীন অস্তিত্বের রেখা, তখন করুণাময়ী দাও তুমি দেখা তারক{-অালোক জাল স্তব্ধ রজনীর প্রাস্ত হতে নিঃশব্দে আসিয়া ; অশ্রনীর অঞ্চলে মুছায়ে দাও, চাও মুখপানে স্নেহময় প্রশ্নভরা করুণ নয়ানে,