পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छड़ानिक দিগ্বিদিকে অfপনারে দিই বিস্তারিয়া বসস্তেব আনন্দের মতো ; বিদারিয়া এ বক্ষ-পঞ্জর, টুটিয়া পাষাণ-বন্ধ সংকীর্ণ প্রাচীর, আপনার নিরানন্দ অন্ধ কারাগার,—হিল্লেলিয়া, মমরিয়া, কম্পিয়া, স্থলিয়, বিকিরিয়া, বিচ্ছুরিয়া, শিহরিয়া, সচকিয় আলোকে পুলকে প্রবাহিয়া চলে যাই সমস্ত ভূলোকে প্রাস্ত হতে প্রাস্ত ভাগে ; উত্তরে দক্ষিণে, পুরবে পশ্চিমে , শৈবালে শাস্বলে তুণে শাপায় বন্ধলে পত্রে উঠি সরসিয়। নিগুঢ় জীবন-রসে ; যাই পরশিয়, স্বর্ণ-শীর্ষে অা নমিত শস্তক্ষেত্রতল অঙ্গুলির আন্দোলনে ; নব পুষ্পদল করি পূর্ণ সংগোপনে স্ববর্ণ-লেখায় স্বধাগন্ধে মধুবিন্দুভারে ; নীলিমায় পরিব্যাপ্ত করি’ দিয়া মহাসিন্ধুনীর তীরে তীরে করি নৃত্য স্তন্ধ ধরণীর, অনস্ত কল্লোলগীতে ; উল্লসিত রঙ্গে ভাষা প্রসারিয়া দিই তরঙ্গে তরঙ্গে দিক দিগস্তরে ; শুভ্ৰ উত্তরীয় প্রায় শৈলশৃঙ্গে বিছাইয়া দিই আপনায় নিষ্কলঙ্ক নীহারের উত্তজ নির্জনে, নিঃশব্দ নিতৃতে । যে-ইচ্ছা গোপন মনে উৎস-সম উঠিতেছে অজ্ঞাতে আমার । বহুকাল ধ’রে—হৃদয়ের চারিধার వివి