পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আদর্শ সম্বন্ধে তার প্রতিকূল মনোভাব প্রকাশ করে রবীন্দ্রনাথকে একটি দীর্ঘপত্র ( ৩১ মে, ১৯২২ ত্র: প্রবাসী চৈত্র ১৩৫২ ) লেখেন । এই পত্র পাওয়ার পর রবীন্দ্রনাথ সদস্তপদের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করেন । ১৯২৮-এ যদুনাথ যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, তখন তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে ‘স্তার উইলিয়ম মেয়ার স্মারক বকৃত দেন। ওই বক্তৃতামাল পরে ‘India Through the Ages' গ্ৰন্থরূপে প্রকাশিত হয় । ৯২ সংখ্যক পত্রে কবির যে মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে তার উপস্থিত কারণ আর কিছু “tegi di ciris ak :st.txt: 'Rabindranath Tagore's VVorld Mission of India ert- gigatra{ă fazat si IgKTCr এর কারণ বলে আহমান করা যেতে পারে : ‘This latest form of the Hindu revival we owe to Rabindranath Tagore. It is a very close but unconscious copy of the movement which began in Russia in the 19th century, the very language of the Slavonic leaders being repeated by the Indian poet'—Jadunath Sarkar, India Through the Ages (1923) p. 125 পুনরায় উনিশ শতকের রাশিয়ার Slavophile আদর্শের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গির সাদৃশ্ব দেখিয়ে যদুনাথ বলেন, “This latest form of Indian thought is based entirely on a new interpretation of our ancient Upanishads under the unconscious influence of Christianity"— ওই গ্রন্থ পৃ ১২৭ ৷