পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


'ইচ্ছা সম্যক্ জগদরশনে কিন্তু পাথেয় নাস্তি, পায়ে শিল্পী মন উডু উডু এ কি দৈবের শাস্তি। ‘স্বপ্রভাত’ ( ভাদ্র ১৩১৭, পৃ ৭৫ ) থেকে প্রবোধচন্দ্র সেন সম্পাদিত ‘ছন্দ' ( ১৩৬৯ ) গ্রন্থে উদ্ধত এর পাঠ এইরূপ— “ইচ্ছা সম্যক ভ্রমণ গমনে কিন্তু পাথেয় নাস্তি পায়ে শিল্পী মন উডু উডু এ কি দৈবেরি শাস্তি ? পত্র ১২৪ । ১১ পৌষ, ১৩৪১ সালে ‘অলবেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সের’ উদবোধন উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ একটি ভাষণ দিয়েছিলেন । এটি ১২ পৌষ আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোটে প্রকাশিত ও পরবতীকালে সংগীতচিন্তায় গ্রথিত হয়। কলম্বোর কলাসদনে বক্তৃতার প্রসঙ্গে দ্রষ্টব্য ১২০ সংখ্যক পত্রের পরিচয় । ‘অনেকগুলি চিঠি’— অমিয় চক্রবতী, অজিত চক্রবর্তী এবং দিনেন্দ্রনাথকে লিখিত মোট ৮ থানা পত্র, প্রবাসীতে যথাক্রমে জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় ও আশ্বিন ১৩৪২-এ মুদ্রিত হয়েছিল । পত্র ১২৫ । প্রবাসী আষাঢ় ১৩৪২-এ প্রকাশিত নির্মলকুমার বস্থর প্রবন্ধ "বাঙালীর চরিত্র' প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের এই পত্র লিখিত । উক্ত প্রবন্ধে লেখকের বক্তব্য ; ইংরেজ আমলে পূর্বতন গ্রামীণ অর্থনীতি ভেঙে যাওয়ায় সমাজে প্রভূত পরিবর্তন এসেছে। ব্যক্তিত্বের অতিবৃদ্ধির ফলে সম্মিলিতভাবে কোনো বড়ো কাজ করা আর বাঙালীর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। দৃষ্টান্ত হিসাবে লেখক তিনটি প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ করেন, 'কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়', 'কংগ্রেসী করপোয়েশন' এবং 'বোলপুরের শাস্তিনিকেতন । এ সম্পর্কে লেখকের অভিমত : ‘ভাল করিয়া পরীক্ষা করিলে এ তিনটির মধ্যে (t e (t