পাতা:জগজ্জ্যোতি বা নুরজাহান.pdf/৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

L 8 J জাগ । মাতঃ, মূরজাহানকে দেখিয়া অবধি আমি একেবারে পাগলের মত হুইয়াছি। যত দিন না সেই রমণীরতন আমারি হইল বলিয়া জানিতে পারি, যতদিন না সেই স্বর্ণ প্রতিমাকে স্বদয়ের সহিত আলিঙ্গন করিতে পারিতেছি, ততদিন আর আমার হৃদয়ে সুখ নাই। আমার মুখ সেই | একমাত্র মনোরমার উপর নির্ভর করিতেছিল। কিন্তু পাষাণ হৃদয়িণী, যখন আমায় অরণ্য মধ্যে পরিত্যাগ করিয়া চলিয়। গেল, তখন আমি সকল সুখের আশা একবারে বিসর্জন দিয়াছি । হায়! বৃথা আমি কেন মনোরমাকে ভৎসন। করিতেছি । সে তো স্বইচ্ছায় আমায় পরিত্যাগ করে নাই । সে পিতৃ আজ্ঞা পালনের নিমিত্ত আমাকে পরিত্যাগ করয়াছে। অজেয় প্রভাপ সিংহ কি নিষ্ঠুর ! কেমন করে সে, সেই কোমল বালিকাকে ভৈরবীর বেশ ধারণকরিতে আদেশ করিল? হায়! ষে মনোরম আজ মহামূল্য কিংখাপের বস্ত্র পরিধান করিয়া মনোহর অট্টালিকায় বাস করিত, আজ সেই মনোরম। গেরুয়া বসন পরিধান করিয়া শ্মশানে শ্মশানে, অরণ্যে অরণ্যে ভ্রমণ করিতেছে। কিন্তু আর বৃথা শোক করিয়া কি হইবে, সে যাহা হইবার তা ত হইয়া গিয়াছে । এক্ষণে, মা আমার মুখ নুরজাহানের উপর নির্ভর কর চে । কিন্তু আপনার অনুগ্রহ বাতিত আমার জন্য কোন উপায় নাই । o রাঙ্গী। সেলিম, তুমি নূরজাহানের পাণিগ্রহণ করিবার আশা একবারে পরিত্যাগ কর । তোমার বুদ্ধি এবং বিবেচনা শক্তি, কি একবারে লোপ পাইয়াছে ? তুমি দিল্লীশ্বরের পুত্র ও