পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


3. গান্ধী-মন্ত্র ও সেই মস্ত্রে দীক্ষিত কংগ্রেসী ভারতের কথা বলিয়াছি, এইবার উহার পায় সম্পূর্ণ বিপরীত যে আর এক তন্ত্র তাহার কথা বলিব । এই তন্ত্র গান্ধী-ভাবতেৰ নহে, ইহা বাংলাদেশের— বাঙালীৰ ; গুহার পন্থাও স্বতন্ত্র । ইংরেজআগমনের প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এই দেশে, একটা বিশিষ্ট জাতির ধানে ও জ্ঞানে ভাবতীয সংস্কৃতি এক নুতন রূপ পরিগ্রহ করতে আবস্ত কবিল, এই বাংলাদেশেই ভারতের সেই সমগ্র অতীতের সঠিত বৰ্ত্তমানের একটা বোঝাপড়া অবশুম্ভাবী হইয়া উঠিল । এইখানেই সেঙ্গ অতীতের যার সবলে ভাঙ্গিয় অত্যগ্র বৰ্ত্তমান প্রথম প্রবেশ করিয়াছিল,—সে আসিয়াছিল ঐ বণিকদম্যৰ ছদ্মবেশে , তখনও,পুর্বসীমাস্তের এই নিভৃত পল্লী-প্রদেশ – কবির ভাষায “শাস্তমুখে বিছাই যা আপনাব কোমল নিৰ্ম্মল শ্রামল উত্তী তন্ত্রাতুর সন্ধ্যাকালে শত পত্নীসস্তানের দল ছিল বক্ষে করি।” এই ইংরেজদেব মত মানুষ ভারতবর্ষে পুবে কেহ দেখে নাই, বাঙালীও তাহার আকারে-প্রকারে ও ব্যবহারে মুগ্ধ হইয়া গেল, এবং তৎক্ষণাৎ তাহাকে “গঙ্গোদকে অভিষিক্ত করিয়া” নিজ গৃহে চুপে চুপে বরণ কবিয়া লইল । সেই অতিথি যখন তাহার অজ্ঞাতসারে সর্বস্ব-হরণ আরম্ভ কবিয়াছে, তখন এই দারিদ্র্যব্রতী ভাবস্বপ্নাতুর তত্ত্বপিপাসু জাতি তাহারই মুখে এক নূতন জগতের