পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বামীজা ও নেতাজী שא মুক্তি-সাধনার অমুকুল করা হইয়াছে; কিন্তু সেই ব্যক্তিগত মুক্তি-সাধনাকে তুচ্ছ করিয়া এই যে মানব-প্রেম, এবং বিশেষ করিয়া স্বদেশ ও স্বজাতি-প্রেম, ভারতবর্ষে ইহা নূতন ; আবার এই প্রেমও যে অধ্যাত্ম-পিপাসারই একটা রূপ, তাহা একমাত্র ভারতবর্ষেই সম্ভব। সন্ন্যাসী না হইলে, বৈরাগ্যের দ্বারা সুরক্ষিত না হইলে, প্রেম এমন নিভীক ও বলীয়ান হইতে পারে না, প্রাণ এমন যুক্ত ও স্বাধীন হইতে পারে না । দ্বিতীয়ত, সেই কারণেই কোন সমাজ-বন্ধন না থাকায়, তিনি দেশের সকল সমাজে মিশিয়া, সকল প্রকাব জীবন-যাত্রা আপন চক্ষে দেখিবার ও আপন বক্ষে বুঝিবার সুযোগ পাইয়াছিলেন। দেশকে ভালবাসার মূলে ছিল—দেশের যাতনাক্লিষ্ট সৰ্ব্ব-অঙ্গের সঙ্গিত এই ঘনিষ্ঠ পৰিচয় । ঐ পরিচয়ের কাহিনী মহাকাব্য অপেক্ষাও রোমাঞ্চকর ; এখানে সে বিষয়ে কিঞ্চিৎ উদ্ধৃত করা অপ্রাসঙ্গিক হইবে না। একদা, প্রায় ছুই বৎসর তিনি সমগ্র ভারত পর্য্যটন করিয়াছিলেন—ইহা সেই সময়ের কথা । তাহার জীবনবৃত্তকার লিখিয়াছেন—

  • সকল মামুবের সঙ্গে তিনি সমপদস্থের স্থায় ব্যবহার করিতেন— ছোট-বড়-ভেঙ্গ ছিল না । অস্পৃশু পারিয়ার গৃহেও তিনি যেমন দরিদ্রভিক্ষুকের বেশে জাপ্রয় লইতেন, তেমনি রাজা-জমিদারদিগের প্রাসাজে র্তাহাঙ্গের সমকক্ষ-রূপে আতিথ্য গ্রহণ করিতেন ; গরীব-দুঃখীর ঘরে, কোথাও গোয়ালের মাচায়,কোথাও ৰ মাটিতে ছেড়া চাটাই-এর উপরে একত্র শয়ন করিয়া রাত্রি যাপন করিতেন,—সমাজে বাছার পতিত ও