পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৬৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বামীজী ও নেতাজী ૨૮:

  • ওগো নাথ, ওগো প্ৰভু ! তুমিও আমার কলঙ্কের দিকটাই দেখিও না, তোমার চক্ষে যে সব সমান ! বে-লৌহ দেবমন্দিরে বিগ্রহের দেহে স্বান পায়—মাংগৰিক্রেতা কসাইয়ের ছুরিতেও যে তাছাই রহিয়াছে'। কিন্তু পরশমণির স্পর্শে দুই-ই ত’ লোনা হইয়া যায় ! তবে কেন তুমি আমার পাপটাই দেখিতেছ ? হে নাৰ। হে প্ৰভু ! তোষার চক্ষে যে সব সমান !

একই বৃষ্টিবিন্দু যখুনার জলে ৰ! পখিপার্থের অপৰিত্ৰ পয়ঃপ্রণালীতে পডে, কিন্তু সেই জল গঙ্গায় মিশিলে উভয়ই সমান পবিত্র হইয়া বায় । ওগো নাথ ! ওগো প্ৰভু ! তুমি আমার কলঙ্কটাই দেখিও না—তোষার চক্ষে যে সব সমান!” বাইজীর মুখে ঐ মুরে ঐ গান শুনিয়া স্বামীজীর মনে কি হইয়াছিল, তাহা অনুমান করা কঠিন নতে। আর কোন দেশে ঐ শ্রেণীর নারীর মুখে মুহুর্ভের জন্তও এমন দিব্যভাব ফুটিয়া উঠে ? এমন সহজলব্ধ ভাবাবেশ এজাতির বহুকালাগত সাধনার পরিচায়ক নহে কি ? স্বামীজীর মত মহাভাবের ভাবুক, অতিউচ্চ অধ্যাত্ম-পন্থী সাধককেও এই দেশ ও এই জ্ঞাতি কেন যে এত মুগ্ধ করিয়াছিল—তাহার বর্তমান তুর্দশা তাহাকে কেন ষে এমন অভিভূত করিয়াছিল, আমি সংক্ষেপে তাহার একটু আভাস দিলাম। একদিকে এই ভারত-ভারতের হীনতম দীনতম নরনারীর মধ্যে প্রাণ ও প্রতিভার ঐ ভস্মাচ্ছন্ন বহ্নি, এবং সে সম্বন্ধে সকল সংশয়ের তিরোধান ; অপরদিকে সেকালের একমাত্র ভরসা—