পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জয়তু নেতাজী אס উচ্ছেদ-চিন্তা তখন স্থগিত রাখিয়াছিলেন, সে কথা পূৰ্ব্বে বলিয়াছি। তথাপি আমি তাহার সেই অস্তুর-নিরুদ্ধ দহনজ্বালা, এবং একদা সেই জ্বালা তাহারও কিরূপ অসহ্য হইয়াছিল, তাহার প্রমাণস্বরূপ একটি কাহিনী উদ্ধৃত করিব। ভগিনী নিবেদিতা তাহার গুরুর সহিত হিমালয়প্রমণ-কালে, একটি ঘটনায় স্বামীজীর অন্তরে হঠাৎ যে অ্যুৎপাত দেখিয়াছিলেন, তাহার গভীরতর কাবণ তিনিও চিন্তা করেন নাই—কেবল, সেই ঘটনার ফলে তাহার গুরুর অধ্যাত্ম-জীবনে কিরূপ বিপ্লবের সূচনা হইয়াছিল, তাহাই বলিয়াছেন । ঘটনাটি এই । স্বামীজীর বড় ইচ্ছা ছিল কাশ্মীর-রাজ্যে একটি মঠ ও একটি সংস্কৃতবিদ্যালয় স্থাপন করেন ; মহারাজার নিকট হইতে একটু জমি যে তিনি পাইবেন তাহাতে কোন সন্দেহ ছিল না, রাজমন্ত্রী র্তাহাকে অতিশয় শ্রদ্ধা করিতেন। কিন্তু এই সামান্ত বিষয়েও, we-FfETA foss CIfHTES Sir Adalbert Talbot বিরুদ্ধতাচরণ করিলেন, মহারাজার সম্মতিও তুচ্ছ হইয়া গেল । এই ঘটনায় স্বামীজী দারুণ আঘাত পাইয়াছিলেন, সে আঘাত যে কিসের আঘাত, তাহা বোধ হয় আজ আর কাহাকেও বুঝাইয়া দিতে হইবে না । ভগিনী নিবেদিতা লিখিয়াছেন, ইহার পর কয়েক সপ্তাহ স্বামীজীর ভিতরে এক তুমুল ঝড ৰহিয়াছিল, সেই অবস্থায় তিনি ইংরেজীতে যে “কালী-স্তোত্র' লিখিয়াছিলেন, তাহা শেষ করিবার সঙ্গে সঙ্গে সংজ্ঞাহীন হইয়া পড়েন । সেই জোত্রের শেষ কয় পংক্তি এইরূপ--