l/o S , ১৯২০ সালের মাচ কিংবা এপ্ৰিল মাসে কাশীধামে নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির অধিবেশন হয়। তখনও মহাত্মার অসহযোগ-নীতি সাধারণের মধ্যে তেমন ভাবে প্রচারিত হইতে আরম্ভ হয় নাই । কংগ্রেস অসহযোগ-ব্ৰত গ্ৰহণ করিবেন কি না, ইহাই এই সভার আলোচ্য বিষয় ছিল । বাঙ্গালা দেশ হইতে বিপিন বাবু, আমি, শ্ৰীযুক্ত কামিনী চন্দ প্রভৃতি কয়েকজন এই সভায় উপস্থিত ছিলাম। দেশবন্ধু তখন ডুমরাওর রাজের মোকদ্দমা করিতেছিলেন। তিনি আরা হইতে আসিয়া সভায় যোগদান করেন। কংগ্রেস কমিটির অধিকাংশ সভ্য, দেশবন্ধু ও আমরা সকলেই তখন মহাত্মার বিপক্ষে। দেশের বর্তমান অবস্থায় অসহযোগ চলিতে পারে না ইহাই সকলের মত । লোকমান্য তিলক এই সভায় উপস্থিত ছিলেন । তিনিও অসহযোগের ঘোর বিপক্ষে । অধিকাংশের মতে অসহযোগ গ্ৰহণ করা হইবে না, এবং ভবিষ্যতে ইহার আলোচনাও হইবে না, এইরূপ একটি প্ৰস্তাব স্বীকৃত হয় হয় হইয়া উঠিল। এমন সময় দেশবন্ধু একটু ঘুরিয়া দাড়াইলেন। তিনি মহাত্মার সহিত পরামর্শ করিয়া ঠিক করিলেন যে অসহযোগ গ্রহণ করা হইবে কি না, তাহ মীমাংসা করিবার জন্য আগষ্ট কি সেপেস্টম্বর মাসে কলিকাতায় কংগ্রেস মহাসভার এক বিশেষ অধিবেশন হইবে এবং সেইখনেই এই বিষয়ের চূড়ান্ত নিম্পত্তি হইবে। ফিরিবার সময়ে মোগলসরাই ষ্টেসনে দেশবন্ধুর সহিত আমার এই সকল বিষয় লইয়া আলাপ হইতেছিল। আমি বলিলাম, “আপনি অসহযোগের বিপক্ষে,
পাতা:দেশবন্ধু-কথা - জিতেন্দ্রলাল বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৭
অবয়ব