পাতা:ধর্ম্মবিজ্ঞান - স্বামী বিবেকানন্দ.pdf/৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ধৰ্ম্মবিজ্ঞান । منابع۹ جمعیت این এইরূপে উহা দুই ভাগে বিভক্ত হয় । একভাগ ইউরোপ ও আলেকজান্দ্রিয়ায় গেল, ও অপর ভাগটা ভারতেই রহিল এবং সর্বপ্রকার হিন্দুদর্শনের ভিত্তিস্বরূপ হইল, কারণ, ব্যাসের বেদান্ত দর্শন ইহারই পরিণতিস্বরূপ । এই কাপিল দর্শনই জগতের মধ্যে যুক্তি-বিচার দ্বারা জগত্তত্ত্বব্যাখ্যার সর্বপ্রথম চেষ্টা । জগতের সকল দার্শনিকেরই উচিত—তাহার প্রতি উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করা । আমি আপনাদের মনে এইট বিশেষ করিয়া মুদ্রিত করিয়া দিতে চাই যে, দর্শন শাস্ত্রের জনক বলিয়া আমরা তাহার উপদেশ শুনিতে বাধ্য এবং তিনি যাহা যাহা বলিয়া গিয়াছেন, তাহার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা করা কৰ্ত্তব্য। এমন কি, বেদেও এই অদ্ভুত ব্যক্তির, এই সর্বপ্রাচীন দার্শনিকের উল্লেখ দেখিতে পাওয় যায় । তাহার অনুভূতি সমুদয় কি অপূর্বব ! যদি যোগিগণের অতীন্দ্রিয় প্রত্যক্ষ শক্তির কোন প্রমাণ প্রয়োগ আবশ্যক হয়, তবে বলিতে হয়, এইরূপ ব্যক্তিগণই তাহার প্রমাণ । তাহারা কিরূপে এই সকল তত্ত্ব উপলব্ধি করিলেন ? র্তাহাদের ত আর অণুবীক্ষণ বা দূরবীক্ষণ ছিল না। র্তাহাদের অনুভবশক্তি কি সূক্ষম ছিল, তাহদের বিশ্লেষণ কেমন নির্দোষ ও কি অদ্ভুত । পরমেশ্বর হইতে জগৎ ক্রমে ক্রমে বিকশিত হইয়াছে। এক একটি বিকাশকে ইয়ন ( Aeon ) বলে। আরও ইহাদের মতে ঈশ্বর কিছু না হইতে জগৎ স্বজন করেন নাই। "হাইল (Hyle) নামৰেন্থ আদিভূত হইতে তিনি জগৎ স্বই করেন। 魯