পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(፩b” শিবনাথ-জীবনী। বোন কঁদিলেও মা খুঁকি এ্যা এ্যা এ্যা বলিয়া ভেঙ্গাইত। প্ৰসন্নময়ী যখন ঘর বঁাট দিতেন পাখীটা বলিত বৌমা ছোং ছেং ছেং। তাহাকে কিছু খাইতে দিলেই বলিত “আর খাব না। আর খাব না খুকীকে দাও।” ভিখারী বাড়ীতে আসিলেই বলিত “মাঠকরুণ অতিথি ।” একবার শিবনাথ তাহাকে মামার বাড়ী লইয়া গিয়াছিল, নূতন একটা পাখী দেখিয়া শিবনাথের মামা বিদ্যাভূষণ জিজ্ঞাসা করিলেন । “এ পাখীটা কার” ? শুনিলেন শিবনাথের পাখী, তখন বলিলেন, “পাখীটা কি আমাদের পাখীগুলোর মত মুখু্য, না কথা কয়”-শিবনাথ বলিলেন, “ওকেই জিজ্ঞাসা করুন না”। বিদ্যাভূষণ যেই বলিয়াছেন “ও আত্মারাম তুমি কি পড়তে পার না মুখু” ? আমনি আত্মারাম ঝঙ্কার করিয়া উঠিল “বটে। বটে । এরাম । এরাম ! চোপ চোপ চোপ”-তিনি অবাক। একদিন প্ৰসন্নময়ী পাখীটাকে খাবার দিতে গেলেন, হাতে ঠোকর মারিল--যেই হাত সরাইয়া লইলেন অমনি বাহির হইস গেল। তার পর বাড়ীর উঠানে গাছের ডালে গিয়া বসিল, ধরিতে গেলে ক্ৰমে ক্রমে উপরের ডালে উড়িয়া বসিল, ধয়া দিল না—এবং বাজপাখী সেটাকে মারিয়া ফেলিল। টুনোর শোকে শিবনাথ কাতর হইলেন-মাকে কেবলি বলিতে লাগিলেন “কোথা থেকে একটা বৌ আনলে, “আমার পাখী উড়াইয়া দিল, ও বৌটাকে রেখো না-বিদায় কবে দাও।” শিবনাথ ডাংপিটে ছেলে কখন ছিলেন না, এরীর চিরদিনই দুৰ্বল, তবে বড়ই সদানন্দ আমোদ প্রিয় ছিলেন। খেলা ধূলায় আমোদ আহিলাদে প্ৰাণ খুলিয়া যোগ দিতেন । খেলার মধ্যে চিলছোড়া এক প্রিয় খেলা ছিল-চিলের সন্ধান ছিন্ন অব্যৰ্থ। কত পাখী তার ঢ়িলে প্ৰাণত্যাগ করিয়াছে। রাগ হইলেই মাকে