পাতা:পলাতকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিষ্কৃতি অন্তঃশীলা অশ্রনদীর নীরব নীরে ছুটি নারীর দিন বয়ে যায় ধীরে । অবশেষে বৈশাখে এক রাতে মঞ্জুলিকার বিয়ে হল পঞ্চাননের সাথে । বিদায়বেলায় মেয়েকে বাপ ব’লে দিলেন মাথায় হস্ত ধরি, ‘হও তুমি সাবিত্রীর মতে, এই কামনা করি । কিমাশ্চর্যমতঃপরং, বাপের সাধন-জোরে আশীৰ্বাদের প্রথম অংশ তু মাস যেতেই ফলল কেমন করে, পঞ্চাননকে ধরল এসে যমে ; কিন্তু মেয়ের কপালক্রমে ফলল না তার শেষের দিকটা, দিলে না যম ফিরে— মঞ্জুলিকা বাপের ঘরে ফিরে এল সি দুর মুছে শিরে । দুঃখে মুখে দিন হয়ে যায় গত স্রোতের জলে ঝরে-পড়া ভেসে-যাওয়া ফুলের মতো । অবশেষে হল— মঞ্জুলিকার বয়স ভরা ষোলো । কখন শিশুকালে হৃদয়লতার পাতার অন্তরালে বেরিয়েছিল একটি কুঁড়ি 8 X