পাতা:পলাতকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভোলা হঠাৎ আমার হল মনে শিবের জটার গঙ্গা যেন শুকিয়ে গেল অকারণে— থামল তাহার হাস্য-উছল বাণী, থামল তাহার নৃত্যনূপুর-ঝরঝরানি, সূর্য-আলোর সঙ্গে তাহার ফেনার কোলাকুলি, হাওয়ার সঙ্গে ঢেউয়ের দোলাদুলি স্তব্ধ হল এক নিমেষে, বিজু যখন চলে গেল মরণপারের দেশে বাপের বাহুর বঁাধন কেটে । মনে হল, আমার ঘরের সকাল যেন মরেছে বুক ফেটে । ভোরবেলা তার বিষম গণ্ডগোলে ঘুম-ভাঙনের সাগর-মাঝে আর কি তুফান তোলে ! ছুটোছুটির উপদ্রবে ব্যস্ত হত সবে, হা-ই ক’রে ছুটে আসত ‘আরে আরে করিস কী তুষ্ট ব’লে ; ভূমিকম্পে গৃহস্থালি উঠত যেন টলে। আজ যত তার দস্থাপনা, যা-কিছু হাক ডাক, চাক-ভরা মৌমাছির মতো উড়ে গেছে শূন্ত করে চাক । অামার এ সংসারে $9)