পাতা:পলাতকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পলাতক তাত্যাচারের সুধা-উৎস বন্ধ হয়ে গেল একেবারে ; তাই এ ঘরের প্রাণ লোটায় ম্ৰিয়মাণ জল-পালানো দিঘির পদ্ম যেন । খাট পালঙ্ক শূন্তে চেয়ে শুধায় শুধু, কেন, নাই সে কেন ? সবাই তারে দুষ্ট বলত, ধরত আমার দোষ । মনে করত, শাসন বিনা বড়ো হলে ঘটাবে আপশোষ । সমুদ্র-ঢেউ যেমন বাধন টুটে ফেনিয়ে গড়িয়ে গর্জে ছুটে ফিরে ফিরে ফুলে ফুলে কুলে কলে ছলে তুলে পড়ে লুটে লুে ধরার ব এলে, দুরন্ত তার দুষ্ট মিটি তেমনি বিষম বলে দিনের মধ্যে সহস্রবার ক’রে বাপের বক্ষ দিত অসীম চঞ্চলতায় ভ’রে । বয়সের এই পর্দা-ঘেরা শান্ত ঘরে আমার মধ্যে একটি সে কোন চিরবালক লুকিয়ে খেলা করে, বিজুর হাতে পেলে নাড় সেই-যে দিত সাড়া । সমান বয়স ছিল আমার কোনখানে তার সনে, সেইখানে তার সাথি ছিলেম সকল প্রাণে মনে । আমার বক্ষ সেইখানে এক তালে ఆషా