পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


అఫిషి [ २sं खशिं, २च क्ष७ SAAAAAA AAAA AAAA MMMeAAeM MAAA AAAA AAAAA - - মুক্তি হইতেছে, ততক্ষণ আমি নিজের মুক্তি কামনা कत्रि न! !** ভারতের উন্নতি ভারতবাসীর উন্নতি একমাত্র কো-অপারেসনের দ্বারাই হওয়া সম্ভব । শতধাবিভক্ত ভারত এই একষ্ট উপায়ে সম্মিলিত এবং সংযুক্ত হইয়া সবল ও সুস্থ হইতে সমর্থ। পুরাণে অাছে -- “সতষশক্তি কলৌযুগে।” হিন্দুশাস্ত্রমতে যেহেতু এখন কলিকাল, সেইহেতু এযুগের যুগশক্তি সঙ্গাশক্তি ! সেই সঙ্ঘের আবাহন এবং উদ্বোধন-মন্ত্রই এযুগের মূল AMeAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAAMMMAMMMMAMMAMAMAAA SAAAAA AAAA AAAAMMA AMAMMAAAS মন্ত্ৰ ! এ মন্ত্রের শরণ লইতে পারিলে হিন্দু মুসলমান ব্রাহ্মণ শূদ্র ধনী দরিদ্র স্পৃশু অস্পৃপ্ত নর এবং নারী একই উদ্বেগুপ্রণোদিত হইয়৷ এক কার্য্যে আত্মনিয়োগ করিতে পারিলে জাগতিক কোন উন্নতিলাভেরই আর অন্তরায় wifety vitz; ai I Dominion Status wool "::s স্বাধীনতা কিছুই ইহার পর আর অসম্ভব থাকিবে না । ইহাই প্রকৃত স্বরাজ ৷ * Tহ মজঃফরপুর লেডীদ কো-অপারেটিভ কনফারেন্সের সভানেত্রী কর্তৃক পঠিত । পক্ষান্তর শ্ৰীদেবেন্দ্রনাথ মিত্র যতীন ও স্বরেশ কুমুদের আবাল্য বন্ধু, কলেজের পথেও অনেকদূর সহযাত্রী বটে। উভয়ে সেদিন স্থির করে এসেছিল, কুমুদের বিয়ে সম্বন্ধে আজ একটা হেস্তনেস্ত করতে হবে । বছর ঘোরে, কুমুদের স্ত্রী স্থরমার মৃত্যু হ’য়েছে । সেই থেকে তার দ্বিতীয়বার দারপরিগ্রহের চেষ্টা চলছে, কিন্তু কুমুদ রাজী হয় না। বন্ধুবান্ধবের এতে বিস্ময়ের অস্ত নেই। কেননা সে চিরদিন সংসারে বাধা নিদিষ্ট পথে চলে এসেছে- চমকপ্রদ নূতন কিছু তাকে দিয়ে করানো যায় নি। এত টানাটানি কিছুতেই তাকে দিয়ে অসহযোগ করানে; গেল না । স্বরেশ যখন আইন কলেজের সঙ্গে অসহযোগ করে পার্কে পার্কে বিলাজী বস্ত্রে অগ্নিযজ্ঞ করেছে, কুমুদ তখন তার ভাঙা লণ্ঠন জেলে টিম্টমে আলোতে ইংরাজী সাহিত্যের নোট মুখস্থ করেছে। যতীন যখন প্রতিজ্ঞা করল, চিরকাল অবিবাহিত থেকে দেশের কাজ করবে এবং তার বিধবা মা সেই ভীষণ প্রতিজ্ঞ সংবরণ করবার জন্য পুত্রের কাছে চোখের জল ফেলছেন, তখন কুমুদের পিসী গ্রামে ক’নে পছন্দ, দিন স্থির করে খবর দিলেন। ३भूणि नििि६बIt f१.ध्र दिtच बtब्र ७ण । cभग्छब পিত্ৰালয় অঞ্জ পাড়াগায়ে, বয়েস তেরর কোঠায় এবং লেখাপড়া জানে কি জানে না সন্দেহ শুনে যতীন ঘৃণায় । সে বিয়েতে বরযাত্রী হয় নি। বছর দেড়েক পরে কিছুকাল হ’ল সেই স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সকলেই আশা করছে এমত অবস্থায় সংসারের পনের আন লোক যে-পথে চলে কুমুদও সেই পথ অনুসরণ করে কোনও দরিদ্রের লক্ষ্মীশ্ৰীশালিনী ডাগর মেয়েকে বিবাহ ক’রে আবার সংসারের পাকা রাস্ত বেয়ে চলবে । কিন্তু কুমুদ বিয়ে করতে সম্মত হচ্ছে না । যতীন ও সুরেশ কুমুদের পটলডাঙ্গার বাসায় এসে উপস্থিত হ’ল। হরমার মৃত্যুর পর বুড়ে। পিসিম ছাড়া বাড়ীতে অন্ত স্ত্রীলোক আর কেউ নেই । ভুতে চাকর দরজা খুলে দিয়ে জানালো, বাৰু কলেজ থেকে তখনও ফেরেন নি । কুমুদ মিসনারী কলেজে ইংরাজীর অধ্যাপকতা করত । পিসিমা চোখের জল ফেলে বললেন,—বাবা, এ শূন্ত পুরীতে ত লার— স্বরেশ বলল,—এবার একটা বে আপনাকে না জুটিয়ে দিয়ে ছাড়ছি নে পিলিমা । —দেখ বাব দেখ, যদি পারো । ওর ভাব দেখে