পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—শ্ৰাবণ, ১৩২৪ ৩৩২ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ছেন বলিয়া এখনও শুনা যায় নাই । ) বাংলাদেশ ও বিরুদ্ধে ফোন যড়যন্ত্ৰ করেন নাই, ইংলণ্ডর শকদের সঙ্গেও গোপনে কোন প্ৰকাপে যোগ দেন নাই। সুতরাং যুদ্ধ অদ্যান্য দু-একটি অনগ্ৰসর ভূখণ্ড ছাড়া ভারতবর্ষের সকল সম্পৰ্কীয় অপরাধের জন্য যাহা অভিপ্ৰেত, সেই আইন শই অনেক লোক এই প্ৰতিজ্ঞ কৰিয়াছেন, যে তাহাদের বিরুদ্ধে প্ৰয়োগ করিয়া বাৰ্ড পেণ্টলাণ্ড আইনের বৰ্ণমেণ্ট যদি হোমরুলের আদশ বেআইনী বলিয় ঘোষণা ইলেও তারা ঐ অাদশ করেন, তাহা হ প্রচার করিতে বড়লাটের সভায় না পেব্যবহাররিয়াছে রেজিনাল অাইন বেং ক্ষয় পণ্ডিত হইতে হইলে তাহার ক্ষ ছাড়িবেন না। ক্ৰাডক বলিয়াছিলেন, যে, যা ভ ও৬োগ করিতে প্ৰস্তুত সালে অনুসারে নগরবন্দী হয়, ত হাদিগকে তাহাদে তরাং পে দাই:৩ছে, যে, মান্দ্ৰাজের গবৰ্ণ শ্ৰীমন্ত্ৰী অতিযোগ জানান হর বং কৈয়িং দি বার সুযো। হয়। কিন্তু শ্ৰীমতী বোট লৰ্ড পেণ্টল্যাণ্ডের সহিত সাক্ষাৎ :িক একটি জায়গায় আবদ্ধ করিয়াছেন কারের সময় স্বীয় সাটো প্ৰাতি জিনি অপরাধ জানিতে চাহিলোও বৰ্ণর কিন্তু বাতাদের অ৷ শ্ৰী চায়, হাদিগকে পঙ্গু করিতে পারেন নাই ; বরং হাঙ্গে মহাশয় তাহা বলেন নাই বা বলিতে পারেন নাই । সুতরা অনেকের উৎসাহ এবং কাজ করিবার প্রবৃত্তি ও শছি এক্ষেত্রে সাল রেফিন্যাস্তের উক্তি গিগা বলিয়া প্রমাণিত বাড়াই দিয়াছেন মাজাৱে গবৰ্ণ মাতী সোণ্টের সহিত সাক্ষাৎ ভারতসচিবের উক্তি । কারের সময় তাহাকে বলেন, আমরা তসচিব গোলেন এখানকার অনেক বড় সাহেৰে কাজ বন্ধ কবি পরে এই কড়া খুকুম কিছু শিথিল করা কথা প্ৰতিধ্বনি কবিয়া বলিতেছেন, শ্ৰীমতী বোরে হইয়াছে ; রাজনৈতিক ভিন্ন অল্প ধয়ে তাহর রচিত কাজকৰ্ম্ম বড় অনিষ্টকর হইতেছিল, কোন দিন উহা হইতে পুস্তকাদি গবৰ্ণমেণ্ট পরীগণ করাইয়া প্ৰচাৰ কহিতে এক কি বিপদ হইয়া বসিতে পারত, ভারতবর্থের শাসন দিবেন। বৰ্ণ মহাশয়ে উদ্দেশ্য এই পৰ্যন্ত সিদ্ধ হইবে করা শান্তি ও শৃগালা রক্ষার জন্য বাহা করিবেন তার যে শ্ৰীমতী বেসাণ্ট নিজের হাতে কিছু লিখিতে, নিজের সমৰ্থন তিনি নিশ্চয়ই কবিনেন, ইতালি কি মুখে কিছু বলিতে পরিবেন না । হাল অভিপ্ৰাত বেসাণ্ট কি অনিষ্টকর কাজ কৰিছেন, কেহ স্পষ্ট কবি কথা আঙ্ক শতকণ্ঠে ধোবিত হইতেছে, শত, হস্ত তাহার তাহা নিৰ্দেশ করিতেছেন না আমরা বিশ্বাস কুরি না, রাজনৈতিক আদশের অনুপ কথা লিখিয়া তিনি কোন অনিষ্টকর বা বিপজ্জনক কাজ করিয়ানো করিতেছে। যাহারা আগে হোমকল লীগের সভা ছিলো ঠাৱ। দ্বারা দেশে কোন দী অরাজকতা দুইবা কোনই সম্ভাবন ছিল ন এই যুদ্ধের না, এমন শত -শত ব্যক্তি সভ্য হইতেছেন। সকলেই যে সময় তিন বং মুখের ফাঁকা কথা বলিয়া সভ্য হইতেছেন, তাহা নহে ধরিয়া মাদ্ৰাছ অন্যান্য অনেক প্ৰদেশ অপেক্ষা শান্তিপূৰ্ণ অনেকের ত্যাগ দ্বারা বুঝা যাইতেছে, যে, লোকে বাষ্ট্ৰীয় সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করিয়াছে তথায় “রাজনৈতিক অধিকার লাভের সত্য-সতাই জন্ত বাগ্ৰ হইয়াছে অাদি প্তাকাতি বা তা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হয় নাই। স্বয়া বোম্বাইয়ের শ্ৰীক্ত এল , আর বোমাজি তাত্য হোমঙ্গল- চাওয়াটা কি অনিষ্টক ও বিপজ্জনক ? তাহ ই লীগের কাৰ্য্যা নিৰ্ব্বাহাৰ্থ এক লক্ষ ট কা দান করিয়াছেন। ইংরেজরা আয় ওকে কেন স্বরাজ দিতে ব্যগ্ৰ ইয়াছে কুমার হামাৰাষ্ট পতিত বাইরে কােমী লীগে তা হইলে ইঞ্চের লিগায় গণতন্ধের প্রতিষ্ঠা উদি হইতেছেন কেন ? তাহা হইলে তাহারা পোলাতে কুড়ি হাজার টাকা দিথাছেন এবং মাস্তাদের “শ্ৰীমতী ফণ্ডে পাঁচ হাজার দিয়াছেন আরও অনেকে স্বাধীনতালাভের সমৰ্থন কেন । করিতেছেন ? তাহা হইবে টাকা দিয়াছেন ও জিতেছেন বাংলাদেশের কেহ হোৱা বেলজিয়মের স্বাধীনতার জন্য লড়িতেছেন বলি ছেন কেন ? আমরাই কি পৃথিবীতে সৃষ্টিয়াড়া জীব ? হোমরুলের জন্য অৰ্থদান বা অন্তস্কপ তাগাস্বীকার কবিয়া প্ৰ বিবিধ প্ৰসঙ্গ সিদ্ধির ভারত-সচিব ইহাও বলিয়াছেন, যে, ত্রিটিশ বৰ্ণমেণ্টের মান ম ও গবৰ্ণমেণ্টের উপর মানুষের আস্থা ( ইংরেজীতে সিদ্ধির পথ । the prest e on the 18 h Government ) কাহাকেও নষ্ট করিতে দেওয়া যাইতে পারে না। । আমরা শ্ৰীমতী বেসাণ্ট প্ৰভৃতিকে আবদ্ধ করার বির লি, এই প্রেষ্টিজ জিনিষটি আমাদের সমালোচনা দ্বারা ভারতবর্ষের সকল প্রদেশে যে-সকল সভায় অধিবেশন নষ্ট হয় না, যত নষ্ট হয় গবৰ্ণমেণ্টের বড় ও ছোট হইতেছে, প্ৰস্তাব ধাৰ্য্য হইয়া বিলাতে প্রেরিত হইতেছে কথা ও কাজের দ্বার পৃথিবীময় খেতি কাগজে বাহা লেখা হইতেছে, তাহা িঠকই হইতেছে চুপ ইতেছে যে ইংরেজেরা জগতে মানবের স্বাধীনতা করিয়া থাকিলে জগতের লোকে ভাবিব, নি ৱ প্ৰজাতন্ত্ৰ শাসনপ্রণালী স্থাপন করিলার জন্য আমরা সাহ িদতেছি। তা ছাড়, িসদ্ধির একটি মন্ত্ৰ সংবাঞ্চ করিতেছেন ও কাগজে পিথিয় একই কথা এক যোগে বিশ্বাসের সহিত সকলে বল শিয়া, পোল্যাণ্ডে, আয়াল ও প্ৰজার অধিকার প্রতিষ্ঠার ইহাতে সাহস ও উৎসাহ বাড়ে, এক প্ৰাণতা আসে। এই মৰ্থন করিতেছেন ভারত বাসী অধিকাংশ ইংরেজ জন্য আরও প্ৰতিবাদসভা হওয়া উচিত ; বিশেষতঃ বাংলা ভারতর্যের লোকদের অন্ত সেই স্বৰ্গটা সুপুর দেশে বাংলাদেশ অনেক বিষয়ে পশ্চাতে পত্ত্বি অশিপিষ্ট ও অনিলে স্থাপন ধাইতেছে। কিন্তু দুটি বিষয়ে আনাদিগকে মন দিতে হইয়ে করিতেছেন আমরা ধাতা চাহিতেছি, তাহা নাকি দেওয় আমরা যাহা বলিতেছি, তাহা শুধু বলিয়া নিশ্চিন্ত থাকিলে লম্ভব ? কেন অসম্ভব ? পৃথিবীর অন্যত্ৰ অন্যজাতিদের চলবে না তাহ বিলাতে ও অন্ত বিদেশে পেীছ য় স্নায় বিজিত ও শাসিত লোকদের পক্ষে বাহা পাওয়া সম্ভব ব্যবস্থা করিতে হুইবে । বিলাতে প্ৰধান মন্ত্ৰীকে ও ভারত মাদের পক্ষে তাহা পাওয়া অসম্ভব কেন তা, ধরন সচিবকে এবং প্ৰধান প্ৰধান কয়েকটা কাগজে টেলিগ্ৰাৰ দি অ্যামরা একটু বেশীই চাই, তার হু নিগ্ৰহ মন, পাঠান কৰ্ত্তবা। কোন কোন স্থান হইতে তাহা । অবলম্বন করা হইতেছে কেন ? অামারা যাহা হইয়াছে । আমাদের খবরের কাগজগুলির কোন খামিয় , চাহিয়াছি, তাহা কি তোমরা দিয়াছ দা ও নাই কোন সংখ্যা সেসর বিদেশে যাইতে দিতেছেন না, তাহ হাতে অাম বা তোমাদের কি কলিয়াছি ? কিছুই করি জানিবার উপায় নাই । এই জন্ম বিলাতে ও অন্ত বিদেশে নাই। এবারেও না দিলেই চুকিয়া যায় ভিকদের বাবাদের চিঠি যায়, তাহার মধ্যে ও ভারতবাসীদের প্রকা হেনে তাড়া করিবার বা তাহাদিগকে আবদ্ধ করিবার সভা-সকলের বৃত্তান্ত খবরের কাগজ হইতে কাটা বা নকল কোন প্রয়োজন নাই। পৃথিবীর কোন দেশের প্রজার করিয়া পাঠান কৰ্ত্তব্য সব গুলা না হউক, কিছু যথাস্থানে বে শাসনকৰ্তাদের মনের কথা জানিয়া তাহারা যতটুকু পেখিতে পারে অধিকার দিতে চান, ঠিক ততটুকু চাহিতে পারিয়াছে ? দ্বিতীয় কথা এই, যে, আমাদের সমুদয় শক্তি কেবল কে রক্ষার একমাত্ৰ উপায়, পৃথিবীৱ সৰ্ব্বত্ৰ ইংরেজেরা প্ৰতিবাদ করিতে এবং রাজপুবাদের সমালোচনা করিতেই কাহাদের মূলমন্ত্ৰ বলিয়া ঘোষণা করিতেছেন, সেই যেন নি:শেষ ইয়া না যায় মামরা কেন স্বরাজ চাই মূলনীতি অনুসারে ভারতবর্ষেও কাজ করা আমাদের তাহা ভাল করিয়া বুকতে এবং দেশবাসী সৰ্ব্ব সাধারণকে কারা তাঙ্গাই ক হন, তাহা হইলে তাদের প্ৰেষ্ট বুঝাইতে হইবে স্বরাজের যোগাতা মানে কি কি বিষয়ে আমি মুখ বন্ধ করা সোজা, কিন্তু যোগ্যতা তাহা বুলিতে ও বুঝাইতে হইবে দেশবাসীকে মাদের মধ্যে প্ৰতন ও দুৰ্ব্বলতমের ও চিন্তার বুঝাইতে হইলে পু ন্তিকা প্রচার ও বস্তু তা করিতে হইবে । তিৰোধ করা প্ৰবণতম পদাপোৰ অতিশক্তিশালী পুস্তিক। সকলে পড়িতে পারে না; সুতরাং পড়িবার ক্ষমতা সকদেরও সাধের সম্পূৰ্ণ অতীত । ইতিহাসে জন্মাইবার জন্য দেশমধ্যে সাধারণ শিক্ষার বিস্তায় করিতে হা শতবার ঘটিয়াছে, ভারতবর্ষে ও তাহাঁই ঘটবেহইবে ধারা জিতি, আমাদেরই জিদ বায়ু থাকিবে, সত্তা ৰ্ব্বোপরি, আমাদের স্বরাজের যোগ্যতা জমণ এবং বিশ্বের সমুদয় শক্তি ইহা অনুকূল বাড়াইতে হইবে স্বরাজেন্তু যোগ্যতা বালিরা কাটি ই , চৰ্ম্মচক্ষে আমাদিগকে পূব কাল মনে হইলেও, ছাঁটা মাপা বা ওজন করা একটি নিৰ্দিষ্ট কোন জিনিষ নাই সামরা বাস্তবিক শক্তিশালী আমরা স্নাত্মার বলে সফল- ইহা অপেক্ষিক বস্তু কোন জাতিরই দেশের কাজ চালাইবার সম্পূৰ্ণ যোগাতা নাই ; কারণ স্বাধীনতম দেশে লোক খুব বড় বড় ভুল করিতেছে, এবং অধোগ্যতা আপনাদের অনেক দুঃখের কারণ হইতেছে । কোন জাতিই ।