পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী য়া উঠিল—াহারা সংসারের সমস্ত বন্ধন ছিা করিয়াছে । ণে ততদিগের মধ্যে জাতটা নিৰ্ব্বিবাদে বিরাজ তেছে। কোন কোন বিশেষ স্থলে, নুতন ধৰ্ম্মসমাজ লি নূতন উপবিভাগ জনে সাহায্য করে, এই বাদল-গান শ্ৰাবণ, ১৩২৪ এখনকার কালে আমরা অার একথা বলিতে পারি না জৈনধৰ্ম্ম সমাজ যে, জাত উঠাইয়া দিয়া বৌদ্ধধৰ্ম্ম বা সচেষ্ট হইয়াছিল। বরং আমৱা দেখিতে পাই বেই যুগে বভেদপ্ৰথাটা হিন্দুর অন্তঃকণে এজপ গভীরত্বপে মূল ছিল,() কৰ্ম্মফলবাদ, পুনৰ্জন্মবাদ, মোক্ষৰাদ ত বাদের স্নায় উৰা এতটা ধৰ্ম্মবিশ্বাসের অঙ্গীভূত ইহ পৰিয়াছিল যে, পরবী বেীন্ধ ও জৈনসম্প্ৰদায়ও উহা রাধিকারসূত্ৰে নিৰ্বিবাদে প্ৰহণ করে । জ্যোতিগ্রিনাথ ঠাকুর । প্রাটমেঘেৱ সৱ কালো মলবরণ আকাশ সুনীল বাদল-দিনের খবর কি আজি বিলায় ধরা পাগল অনিল ? আকাশ হের বিপুল আশা বালা কে ওই বিষয়-বিবাণ । বাজার কে ওই মেহের মাদল, ওড়ায় কে আজ মেঘের নিশান ? হঠাৎ কথন মেঘের মেলায় মাতস জগায় পকন গোঁয়া । মুহূৰ্ত্তেকেই আকাশ-সাবর ভাসার হেলায় মেঘের জোয়াৱ । ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড হাজার যোজন মেরে বিখার তপন তারা নিদেশনা পাই ? দখল বজায় রাখতে তে আজি হল যে দেয় মেঘের সিপাই । অযুত সেনা হে বীর চালক সবার উপর তোমার আসন ; প্ৰবল জন তোমার কঠিন শাসন সকল দিকেই পাঠাও তোমার পাঠাও হে দূত তড়িৎ আলো । শ্ৰাবণ-ধারায় ধরার উপর মামাও তোমার জলের কাল । জাগাঁও পাবন করে ধারায় কঠিন মাটির কাঠিন্য টুক্‌ চাকুক সবুজ নৰী সরস ফুটুক বকুল, ফুটুক কদম, হাওয়ায় ভাক ো জাগুক নাচন পাতায় পাতায় ফুটুক ধরা র পরাগ । মন্দাকিনী পুণ্য জলে কানায় কানা ভৱক হে জল । খরখোতার কলম্বনেই জানগান উক কেবল পুৰ্ব্ব রাগ করুক সিনান ধরিী এই, পবিত্ৰ হোক নিখিল জগৎ সলিম-সুধার পরশ পেয়েই ঐবিমানবিহারী মুখোপা ৪ৰ্থ সংখ্যা ইংরেজিশিক্ষিত বাঙালীয়ে হালঙ্ক্যাসানেয় বৈঞ্চত বৈষ্ণব-কবিতা সাধনা আছে । পুরাণো সাধনা ও তত্বের সঙ্গেতায় মিল দৈব কবিতা সম্বন্ধে দূতন করিয়া ভাবিবার সময় উপস্থিত কারণ তাতে একালের শিক্ষিত লোকের দিল খোলে ইয়াছে। কারণ আমাদের দেশের কোন কোন সাহিত্যিক তারা বৈষ্ণব রসাধনাকে যতটা জীবনের অতি কৈৰ কবিতার মধ্যেই বাংলার গীতিকবিতার শেক্সপ ভিজ্ঞতার সঙ্গে জড়ান, জীবনের সঙ্গে বাৰিষা সে টিাছে এবং বৈষ্ণব কবিতার ভিতরকার তত্বের মধ্যে ততটা জড়িত নয়। কিন্তু এ সব তত্ত্ব সময়ক্ৰমে লো। অধ্যা তত্বের চরম বিকাশ ধটিয়াছে বলিয়া মনে করেন । করা যাইবে ; উপস্থিতমত ৰৈকাৰ কবিতাকে বিবেচনায় “বাংলা কবিতার প্রাণ ও বাংলা সাহিত্যের সাহিতাহিসাবে আলোচনা করিলে কাহারও আপনি আদৰ্শন সমস্তই ঐ বৈধব কবিতার মধ্যেই মেলে, কোন কোন কারণ দেখি না । কোন বৈষ্ণব কবিতার মত রসরচন “কোন দেশের চণ্ডীদাস ত বৈষ্ণব কবিদের মধ্যে শ্ৰেষ্ঠ কৰি বলি সাহিতোই, আজও পৰ্যাণ্ড সৃষ্ট হয় নাই’ এবং “বাঙ্গলার অনেকেরই ধারণা ; চণ্ডীদাসের কবিতার তার বিৰে প্রতীচোর নব আগমনে, তাহার আলোকে, তাহার বুকের তর বাই থাক, অন্ত কারো তত্বেরই তিনি ধাৰাজে সলিতা শুখাইয় গেল, বাগলার দীপ নিতিয়া গেল” নাই এটা ঠিক । চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি প্ৰভৃতি অৰ্থাৎ প্রতীচ্যের সাহিত্যের প্রভাবে আধুনিক কালে রচনাগুলা নাড়াচাড়া কবিয়া দেখা যাক, সাহিতাহিলা দেশে যে সাহিত্য গঢ়িয়া উঠিয়াছে, তাদের মতে সেটা তাদের কতটুকু মূল্য যাচাই করিয়া পাওয়া যাৰ । নয়—“বাংলা কবিতা প্ৰাণ তার মধ্যে আদপেই মূল্য যাচাই করিবার কথাটা যখন তোলা গেল, বাংলার কবিতার দর যাচাই বাংলাসাহিত্যের বৈষ্ণব সন্তবের বিচার পরে হইবে, আগে সাহিত্য. হাটেই করা যাইতে পারে এ কথাটা তোলা ভাল কে হিসাবে বৈষ্ণব কবিতার আলোচনা করা যাক । কেননা, বিশ্বসাহিতোর হাটে ছাড়া অৰ্থাৎ বিশ্বমহাজনদে মহা এটা সত্য যে গেীীয় বৈষ্ণৰ কবিতার অধিকাংশই গেীীয় যেখানে চলিতেছে সেখানে ছাড়া, বৈষ্ণৰ মহানশা বৈষ্ণব সতত্বের ভণিতার অনেক আগেই তৈরি । তার দর যাচাই সবে না । তবে ধারা মনে করেন যে মা পৱ বৈকাৰত বলিলে ত কোন একজন তত্ত্বকারের রচনা দেশটা বিশ্বের চেয়ে বড়, যা নাই ব্ৰহ্মাণ্ডে তা এই দেশে ফুৰা না—তার মধ্যেও নানা সদায় ও শাখাসপ্ৰদায় ভাণ্ডের মধ্যে থাতিরজমা হইয়া আছে, সুতরাং এখানে ছে| যথা, রামানুী, বল্লী, জীবগোস্বামী সম্প্ৰদায় সাহিত্যের উদ্ভব হইয়াছে অন্যা দেশের সাহিত্যের সীে এৰা এদের আবার নানা শাখাসম্প্ৰদায়।—এই নান তুলনা না করিয়াই সে-সব সাহিত্যের চেয়ে তাকে ও দলের নানা জটিল মতামতের ঋজুকুটিল পদার ভিতর দিয়া বণিয়া কলাৰ কৰিলেই সে কলরবটা ক্ৰমশ অনবৰে পশি দলে তবে বৈষ্ণবতৱে সমাকু পরিচয় পাওয়া যাইতে হইয়া কাটা তা হইয়া বসিবে— দের সঙ্গে জামা। পারে। তারপর বৈষ্ণব সাধনা ও বিস্ত ভেদ বৈষ্ণৰ- কোন তৰ্ক নাই । তারা বিশ্বকে ছাড়িয়া স্বস্ব দেশে দেখি ; সন্ধাজে সাধনাকে মহাজন সাধকের নিন্দাই বিবরের মধ্যে চোখ কান বন্ধ করিা পড়িয়া থাকুন, বিয়া থাকেন। অথচ মহাজন সাধনার অগ্ৰাকৃত কোন খবর সেথায় যেন না পোঁছায় । রাধাকৃষ্ণ-লীলাকে সম্বুজ দিব্য প্ৰাকৃত ও সহজ করিয়া বৈষ্ণব কবিতা কিছু সখ্য এবং যথেষ্ট পরিমাণে যাস ইবার চেষ্টায় আছে এবং এক্ষেত্ৰে অপ্ৰাকৃতের, চেয়ে ও মধুর রসের কবিতা । বাঙালীর জীবনে এই দুটা ই কতের পরেই প্ৰাকৃতজনের মনের টানটা যে বেশী তা প্ৰধান—সেইজন্য দেখিতে পাই যে বৈষ্ণৰ কবিতায় বাংলগ্রামের ভিতরকার খবর ধারা রাখেন তারাই বৃন্দাৰন-লীলাঙ্গ শ্ৰীকৃষ্ণ হয়। বালগোপাল নয় কিশো কালেন । এসব তত্ব ও সাধনার পর আবার এখনকার গোপীবাদেই … বন্দী হইয়াছেন। হাতী