পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪৭৮ প্ৰবাসী—ভাদ্র, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড করবারই জিনিস। বিখ্যাত নৰ্ম্মদা নদীটি মধ্য-বিভাৱে বাঘগুহা C. P. ) তিন হাজার পাচশত ফুট উচু অমর কীকে পথের কথা উপত্যকা থেকে নেবে এসে পাৰ্ব্বত্য পথে প্ৰবাহিত হয়ে এষায় আমায় গোয়ালিয়ার রাজসরকারের তরফ থেকে রেওয়া রাজ্য হাড়িয়ে জব্বলপুরের কাছে ৩০ ফুট নীচু মাৰ্চ মাসে বাঘ গিরিগুহায় প্রাচীন চিত্ৰাবণী পৰ্য্যবেক্ষণ প্ৰপাতের পর ১২০ ফুট উচু মৰ্ম্মর শৈলের প্রাচীরের মধ্য করতে যেতে হয়েছিল । মধ্যভারতে এই বাঘগুহাগুলি দিয়ে প্ৰবাহিত হয়ে মোট প্রায় ৮-১১ মাইল দুরে ফিয়ে যে , ছাড়া ইন্দোরে পোলাভাঙ্গাড় ( Poladungad), টঙ্কয়াজে প্রেসিডেসি বিভাগে সমুদ্ৰ-গৰ্ভে লীন হয়েচে । এই নদীটির মামলাও আয় হাতিগাও ; এ ছাড়া কালওয়ারে আওয়ার প্রধান বৈচিত্ৰ্য এই যে এ বরাবরই পাহাড়ের কোলের ও বেনাইগা প্ৰভৃতি গুহাও আছে এখনও মধ্যভারতে মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে । বি বি সি আই রেলের ছোট সে খৃষ্টপূৰ্ব্ব ৭ম ও ৮ম শতাব্দীর অতি প্ৰাচীন হিন্দু রাজ্যের মাউ বাবার পথে এই নদীটিকে অতিক্ৰম করেচে। সেখানে নিদৰ্শন উজয়ীনে, আর ভুপালে সাঞ্চি স্তুপ প্ৰাকৃতিতে একেবারে সিবিড়ভাবে পাহাড়ে ঘের ঃ পূঃ ৩য় শতাৰ্থীয় বৌদ্ধ ইতিহাসের উপকরণ যথেষ্ট শৈলের মধ্য দিবে একটি ছোট সাধা রঙের নেীকোতে যখন দেখতে পাওয়া যায় অন্ন-পরিসর ( পরিসর মাত্ৰ ২০ ফুট) গভীর নদীটিতে এফ বাঘে যাবার জন্তে মামা ই আই রেলওয়ের বথেমেণে মাইল লেঃ ঔপর ভেসে খেতে লাগলুম, তখন হু পাশের পরে খাণ্ডোয়া নেবে মাউথে বাবার সাদা পাহাড় জ্যোৎস্বায়ু ঠিক যেন সাদা ঘোমটার মত জন্তে বিবিসি আই ছোট রেলে ( Mict rce (Gaugeএ নীটির মুখটিকে ঢেকে আছে বলে মনে হল । পাথরের যেতে হয়েছিল । বাঘে-মেলে খাণ্ডোয়া যাবার পথে বল পুরে কৰ্কশ । এই ং লাদেকে মোটেই চোখে পড়ে না। মর শৈল ভার নৰ্দ্ধার বিখ্যাত জলপ্রপাতটি দেখবার প্ৰায় সমস্ত রাতটা সেখানে কাটিয়ে ভোরের বেলা ষ্টেশদে লোত সঙ্গণ করতে পারলুম ন সন্ধ্যার সময় মেলনে ফিলুন দোরবার পথে পাহাড়ের উপর এক স্থানে একটি কালপুরে এসে পোঁছল । আমি কালবিলম্ব না করে দেশী স্থাপত্যের রীতিতে গঠিত দেবমন্দির দেখলু ষ্টেশনের ওয়েটিং-কমে জিনিসপত্র-সমেত চাককে রথে সেটি শুনলুম কোন স্ত্ৰীলোক ময়দা পিষে অৰ্থ সংগ্ৰহ করে পাতায়াতিই টঙ্গাগাষ্ঠীতে চড়ে মৰ্ম্মৱ-শৈল দেখতে গেলুম। তৈরী করিয়েচে । এই ভাবেই আমাদের দেশী স্থপতিয়া শেনে সরকারী কোন বিশেষ বিভাগের বাঙ্গালী কৰ্ম্মচারীর আমাদের দেশে এখনও বেঁচে আছে দেখা যায়। তা সঙ্গে পরিচয় হল নানা কারণে তাকে সঙ্গে নেওয়া যুক্তি- রাজ-অনুগ্রহের আশাও বাণে ন সিদ্ধ বিবেচনা করলুম। ষ্টেশন থেকে মন্থরশৈলটি প্ৰায় পরদিন বলে-মেলে খাণ্ডোয়ায় ট্ৰেন বদল করে বি বি ১৪ মাইল । সৰৱ ছাড়িয়ে টঙ্গা জ্যোৎ বাধে পাৰ্ব্বত সি আই বেলের ছোট টেনে ভোর রাত্ৰে চড়লুম। ছোট পথ দিয়ে চুটি চলল । নগদা-নদীর জলপ্রপাতটি একটি ট্ৰেনটি বিস্কোর পাৰ্বতা পথে ক্ৰমাগত উপরে উঠতে লােগ নিতৃত পৰ্ব্বত-কদরে লুকানো আছে ; তার আশেপাশে ঘন এই পথে ট্ৰেন থেকে পাহাড়ে বন্য হরিণ ময়ুর প্রভৃতি দেখা নলুৰ বাঘ ভালুকের নাকি অসাৰ নেই এই পথের পাৰ্ব্বতা দৃশ্য ভারি মনোরম। এ প্ৰপাতটির উপর হু জ্যোৎস্নালোক পড়ায় উচ্ছসিত ফেনিল জায়গায় লেীহবন্ধটি বারবার কাছাকাছি কত লঙ্কণাগুলি অসংখ্য সাধা সাদা ফুলের মত বিকীৰ্ণ হয়ে ‘টানেল’ অতিক্ৰম করে সপগতিতে একে বেঁকে মুরে দিয়ে ভাবি চমৎকার দেখাচ্ছিল। নিৰ্জ্জনে জলপ্ৰপাতের বিচিত্ৰ চলেচে আর তারই একপাশে মধ্য-ভারতের সন্ম গীয় শব্দ আর জ্যোৎস্নালোক ও পাহাড়ের গহবরের নিবিড় উপতাকার উপর থেকে একটি ঝরণা পাহাড়ের গাবেে অন্ধকার এইসব মিলে যে কি সুন্দর গজাল বিস্তার করে প্রায় ৩০০ ফুট নীচে রুপার তারের মত শত-খাৱা অতল তুলেছিল তা লিখে প্ৰকাশ করবার বিষন্ত নয়, অনুভব তলে ঝরে পড়চে ট্ৰেন পাহাড়ের টানেলের মধ্যে থাবোলা ৫ম সংখ্যা] বেশ কয়ে’ আধা বেরিয়ে এসে বাটির সঙ্গে কিছুক্ষণ তাই এখানকার সদাশয় মহারাজ একটি প্ৰাপ্ত ন খন কোচুরি খেলে থাকালে মাউ ষ্টেশনে এসে পৌছল। করিয়ে জলকষ্ট নিবারণ করেচেন। দটি জারি ক্ষয় যাট একটি বড় সহর এখানে একটি ইংরেজ পণ্টনের কতকগুলি কৃত্ৰিম দ্বীপও তার মধ্যে আছে ছাউনি আছে ভা ঙ্গা সেখান থেকে ধাড়ে যা অার সরদারপুরের পথেই এই স্কুলটি পড়ে। সয়দায় থেকে পুনরায় আর-একটি টঙ্গা সরদারপুর পৰ্য্যন্ত পৰ্য্যন্ত পথে আমার বড়ই একলা একলা ঠেকেছিল। কি ওয়া-আসা করে । এই ডাক টঙ্গীতে চড়ে যাত্রীরাও সেখানে গিয়ে সেখানকার বাসাহেবের ( ম্যাজিষ্টে) ডায়াত করে থাকে । মাউ থেকে ধাড় ৩ মাইল, ধাঢ় সঙ্গে পরিচিত হবার পর শুনলুম তিনি ও ইঞ্জিনিয়ার সাহেব কে সরদারপুর ২৫ মাইল, সরদারপুর থেকে টাংগু ১৬ কোন সরকারী কাৰ্য্যোপলক্ষে টাণ্ডায় ও বাঘে যাবেন। মাইল আর টাও । থেকে বাঘ ১৯ মাইল দূরে অবস্থিত । তাই তারাও অামার সাথী হলেন বা পাকা রাস্তা এই মোট ৯৩ মাইল পাওয়া বাঘের পথে খুবই জর পাৰ্ব্বত্য দৃশ্য দেখা গেল | জাক-টঙ্গায় কোন-গতিকে বসে-থাকবার মত স্থান এই পাহাড়গুলি বৃক্ষবিরল নয় । গিরি-গাত্রের উপ পাওয়া যায় অসংখ্য ডাক-পাশেণের শিলা মোহর করা লগুলির আর নিজের আসবাব-পরে মধ্যে সমস্ত কোনই শ্ৰী থাকে না গান্ধী হয়ে বসে-বসে ২৮ মাইল পথ অতিক্ৰম করে সকালে আমরা পথে চাণ্ডার ডাকবাঙ্গলায় বিশ্ৰাম করে পুনরায় দারপুরে পেীছলুম। স্তব রাৱে পথে টঙ্গা-ওয়ালা ভেঁপু, বাঘে যাবার জন্থে রওনা হলুম ! সরদারপুর থেকে যাবা tাণী বাজিয়ে পথিকদের সাবধান করতে লাগল—কেন না জন্তে টঙ্গা পাওয়া যায় না। । তবে, সরকারী কৰ্ম্মচারীদের কণ্টদায় আলো মালাবার কোন ব্যবস্থাই নেই। মাউ সঙ্গলাড করায় এ যাত্ৰায় গোস্কর গাড়ীতে চড়তে হয়নি। অনেক উপতাকা অধিত্যকা অতিক্ৰম করে আমরা যা কে সরদারপুৱ পৰ্য্যন্ত পথে প্ৰাকৃতিক সৌন্দৰ্য্য মোটেই নাভিরাম বলে মনে হয় না, একঘেয়ে ঢেউ-গেলান প্রামের ডাকবালায় এসে পোঁছলুম। বাঘ-ভাকৰালার পৰ্ব্বত্য পথ, কোন-প্ৰকার বৈচিত্ৰই চোখে ঠিক পশ্চিমে একটি নাতিউচ্চ না পাহাড়ের মাথায় ভাt এই প্রদেশটি অনুৰ্ব্বর বলে মনে হয়, কেন না রাস্তার দুৰ্গের প্রাচীর ও গড় দেখা গেল । আমরা যখন সেখানে পেী-ছলুম তখন সন্ধার সূৰ্য্যা সেই প্ৰাচীন বিগত-গোঁৱৰ ঙ্গে সরকারী ২১টি বড় গাছ ছাড়া অন্য গাছপালার বড় একটা পাওয়া যায় না। । বাঙ্গলা দেশের গড়েরই ঠিক পশ্চাতে অস্ত গেলেন মত নেয় কচি পাতার বঙিন থেলা মোটেই দেখা গেল ফ-এামট সমতল ক্ষেণে, গোয়ালিয়ার রাজ্যে অবস্থিতা সবই ধূসর মলিন বলে বোধ হল । গ্ৰামটির কাছেই বাঘনদী আর তার চারিদিক পাহাড়ে হাড়ে টঙ্গা বদল করলুম রাজার আর গাছপালায় ঘেরা। স্থানটি অনুৰ্ব্বর বলে মনে হয় ন্ধানী। সরদারপুরাট গোয়ালিয়ার এলাকার আমফেরা শুনলুম বাঘ-নদীতে বৰ্ষাকালে ৩৪ মাস জল থাকে যখন আমি রাত্রে ধাচে পেীসুম তখন বাকি সব সময় শুকনো। আমাদের ডাকবাঙ্গলা থেকে গুহা ঘাড়ের প্রকা ও সহটিতে একটি লোকও বাস যাবার তিন মাইল কঁচা পাৰ্ব্বত্য রাস্তা গোত্ৰ গাড়ীতে দয়া দা—শ্লেগের ভয়ে দরিদ্র তার কুর ত্যাগ করে, এই নদীটিকে চারবার প্ৰাসাদ ত্যাগ করে পাতার বা দরমার কিম্বা অমনি অতিক্ষন করতে হয়েছিল সরদারপুর থেকে বাধাগ্রাম পৰ্য্যন্ত পাকা রাস্তা আছে বট ষ্টা কিছুর ছাউনি করে সহরের বাইরে মাইলথানেক কিন্তু বাঘগ্ৰাম থেকে গুহায় যাবার তিন মাইল পথ অতি অতিকষ্টে সকলে বাস করচে। সহব্লট অন্ধকারাজ বাঘ-গ্ৰামটির কাছে পাহাড়ের ধারে বাণীীর খৰি পশ্চিমে কখনও বসবাস করিনি—মেগে বিভীষিকা মন্দির। তারই কাছে আরো কতকগুলি ধ্বংসাবশেষ এই প্ৰথম দেখলুম। শুনলুম ধাৰুে পূৰ্ব্বে বড় জলকষ্ট ছিল, প্ৰাচীন গৃহের ভিত্তিচিন্ত পাওয়া যায়। তা ছাড়া বাখনীয়