পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬ষ্ঠ সংখ্যা] প্ৰবা—আশ্বিন, ১৩২৪ ৬৩০ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড এইভাবে গিয়া, থানিকটা পাহাতে উঠিয়া গছ নিৰ্ম্মল চীনে ব্লামা এত থাকি তা ত জানা ছিল না।” জামায়ণ কিন্তু কথা আলােচনা কাল নেই, মিণ, তিরুতরাজ্যে তিন বৎসর ধারণা দেখিতে পাইলাম । এই নিকর হইতেই নাকি হইতে ধৰ্ম্মোপদেশ নিবার জন্য সকলে ব্যঞ্জ হইল। আমি নার কথাটি কাউকে বোলো না ; তার সঙ্গে একটু সদয় পুতোয়া গঙ্গার জন্ম আমরা ইহার জল প্ৰাণ ভবিয়া সেই দিন ক্লাবে অতি সহজ ভাষার তাহাদের নিকট ধরে জাপানী শ্ৰমণ একাই কাণ্ডাগুচির মণবৃত্তান্ত ) ব্যবহার কোয়ো—আমার খাতিয়েই এইটুকু করবে বলে পান করিলাম। উত্তর দিকে যাত্ৰা করিয়া আরও কিছুদূর কথা বলিলাম । শুনিতে শুনিতে আনন্দে ও ভক্তিতে কেন ? ও হো, এখন যে তোমার ঘোড়ায় চড়বার সময় । উনবিংশ অধ্যায় । উঠিয়া আর-এক সুন্দর দৃশ্য দেখিলাম । একখানি প্রশস্ত তাহাদের চক্ষু হইতে অশ বিগলিত হইল। সেই দিন খে আজ কি চমৎকার দিন ; ঠিক ব বার উপযুক্ত বেীদ্ধধৰ্ম্মের শক্তি থে পাথরের নিয়া হইতে একটি উৎস অপুৰ্ব্ব শোভায় হইতে তােহাৱা আমার ভঞ্চি ও ঐতির চক্ষে দেখিতে বাই ঘোড়া আনতে বলি গিয়ে হাওয়া খাবার জন্তে পূৰণিত ঘটনার পরে আবার উত্তর-পশ্চিমে ৬ উৎসরিত হইয়া পড়িতেছে। সেইখানকার লোকের এই লাগিল বং বলিল তোমার মত সাধুর সেবা কয়া পরম আমার মন ছট্‌ফট্‌ করছে । অামায় . ক্ষমা চিহ-স্বৰূপ যাত্ৰা করিয়া এক পথে আসিয়া পড়িলাম। এ ধরণটিকে মানদের নিন্ত, বলে । বাস্তবিকই ইহা সৌভাগ্য, যতদিন মানস সরোবরে থাকিবে আমরা তোমা। একটি চুম্বন দাও, আর বেড়াতে যাবে বলে লোকের গতিবিধি আছে বুঝিতে পারিলাম । পথে মানদের নিষ । এই দুইটি নির হইতেই পুণ্যতোয়া সেবা করিব । সেই দিন হইতে আমি নিশ্চিন্তু ও নিৰ্ভয় মিস আশার দুইটি অনুরোধই রক্ষা করিয়া সাজ-সজ্জার সান আমার যতদূর জানা আছে তাহা হইতে জাগীরথীর জন্ম ; কি হিন্দু, কি ৰেী সকলের নিকট ইহাৱা হইলাম প্ৰভু বুদ্ধের জয় ; আমার ঘর জয়। নরহত্ত উদ্বেতে বাহির হইয়া পঢ়িল। আণ্টনি ঘোড়ার সন্ধানে করিলাম, তিকাত হইতে মানস-সরোবরের দিকে যে প পবিত্ৰ তীৰ্থ । ই প্ৰস্ৰবণ। ৪টি পার হইয়া আবার উত্তর ডাকাতদিগের অদয়ে আজ একি পরিবর্তন ! আমায় মুখে স্বাস্তালে চলিল ( ক্রমশ গিয়াছে—এ সেই পথ । এইবার তীৰ্থযাত্ৰী পথিকদিগে পশ্চিমে চলিলাম । তখনও এই গঙ্গানদীর তীর বাহিয় প্ৰসঙ্গ শুনিয়া যখন তাহারা চক্ষের জলে ভাসিয়া যাইত, ঐশাত্মা দেবী সহিত সাক্ষাৎ হইবে ভাবিয়া উৎফুল্প হইলাম। কিছু চলিতে লাগিলাম এবং সেই দিনকা মত এই নদীর অনিও সেই দু দেখিয়া না কাদিয়া পারিতাম না। : অগ্রসর হইতেই এক নদীর তীরে এক কৃষ্ণবৰ্ণ তা ী রেই রাত্ৰিবাস করা গঙ্গানদীর তীর হইতে শরচ্ছবি গোচর হইল । তিববতীরা এই নদীকে গঙ্গা বলে। সেই ষড়বিংশ অধ্যায় । অদূরে উত্তর-পশ্চিম দিকে তুলায়াত কৈলাসশিখর ( ) ( s ) ঠাকুতে একরাত্ৰি আশ্ৰয় লইলাম। ভারতে তিনটি পঞ্চম গোচর হইল।তিকাতে কৈলাস পাতের নাম গাননি পবিত্ৰ মানস-সরোবর জন দুইটি নারী । পুহৰ তিনটি সহোদর ভাই। নারী দুজনে লোচি।” এতদিনের পর স্বাদ আমার ঢিববাহিত পবিত্ৰ অাদ আগষ্ট মাসের ৪ তারিখ সেই তুষারের দেশে কুও মধ্যে একজন উহাধের একজনের স্ত্ৰী ; দ্বিতীয়—িএক কৈলাসগিরি নেত্ৰগোচর হইল। হিমাচলের শুদ্ধ শিখর ১০ মাইল পথ অতিম করিয়া ২৫০ ফুট উচ্চ মিনী ঙ্গের কণে। জনের কন্যা। তাবুতে নারী দুটিকে দেখিয়া আমার অনেক দেখিয়াছি, কিন্তু নিঃসন্দেহ বলিতে পাৰি - নামক চিরতুষারাবৃত পৰ্ব্বতশিখর দেখিলাম। চারিদিকে স্বৰ্ণেৱ আশ্বস্ত হইল, কারণ আমি শুনিয়াছি তিব্বতেও যে দলে৷ কৈলাসগিরি সৌন্দৰ্যো অতুলনীয়। কৈলাস পৰ্ব্বতের দিকে তুষার-শিখরের মধ্য হইতে ‘মনী যেন সৰ্ব্বে ী ভিতর নারী থাকে তাহারা খুনী ডাকাত হয় না কি ষ্টিপাত করিয়া আমার হৃদয় আনন্দ ভক্তি ও কৃতস্ততায় মন্তক উত্তোলন করিয়া দাড়াইয়া আছে । আজ মনী অঙ্কন রাতে রেীদের বৰ্গে যখন শুনিলাম ইহাৱা “ডামরাই সোঁ হইতে আসিতো, উখলি উঠিল। আমি যেন দিবাচক্ষে দেখিতে পাইলাম, অপরপ শোভা ও বিরাট গাম্ভীৰ্য্য দেখিয়া, আমার হল (২) ( ) তখন আর বড় ভরসা পাইলাম না ; কারণ "থামের’দত ভগবান বুদ্ধ এবং বোসিগণ ঐ পবিত্ৰ শিখরে বিহার ভাব-সাগরে নিমগ্ন হইল। কিন্তু এই অপুৰ্ব্ব সম্ভোগে যি এদেশের লোকও খুনী ডাকাত বলিয়া খ্যাত। আমি কৰিতেছেন। কৈলাস পৰ্ব্বতের দিকে চাহয়, জীবন ধন্য জগাইয়া অকস্মাৎ প্ৰকৃতির এক তাণ্ডবনৃত্য স্নায় রংচোর শুনিয়াছিলাম সে-দেশে একপ প্ৰবাদ অাছে “খুন বলে সাৰ্থক হইয়াছে বলিয় অনুভব করিলাম । তুমিতে হইল । সহসা বিদ্যাৎ চমকিত হইল । * অমনি কড়কৰে মোহনায় ধারে ক্ষেত্ৰ । অল্প মোটে, তীৰ্থ করলেই পাপ ছোট”—তীৰ্থদৰ্শন ক, ভীষণ বধ্বনি, আবার ফলকে কালকে দামিনীবালা পুণ্ঠন করিয়া একশত আটােৱ কৈলাস গিৰিকে কাৰ্যক বিশ্বের আর মানুষ খুন করিয়া দিনগুজরান কর, কোন ভাবনাই প্ৰণিপাত করিলাম। যথাৰ্থই সেইদিন মানব-জাতির গুর গম্ভী বস্তু-নিৰ্ঘোষ সেই সঙ্গে চড় চড় ফরিয়া হৰ্ষক নাই । সে দেশের স্ত্ৰীলোকেরা পৰ্য্যন্ত মাছের মত অনায়ান মধ্যে আপনাকে সৰ্ব্বাপেক্ষা ভাগ্যবান বলিয়া অনুভব ভীষণ শিবৃষ্টি আরম্ভ হইল দেখিতে দেখিতে কৃষ্ণবৰ্ণ সীষ্ঠৰ—নগ্ন । উৎসুক-নেত্ৰ । লোকের পাল্লাহ পচিয়াছ লিম আমার এই ভাৰাবেশ ও কৈলাস পৰ্ব্বতের যেথে সমুদায় সৃষ্টি আচ্ছা হইয়া গেল বাতাসের দাপটে (৩) ( মানুষ কাটিয়া বসে। সেই শেৱ ) লি ৰিল ভাবিয়া মনটা নমিয়া গেল, প্ৰাণটি হাতে করিয়া ব্লা ইবেশে লুণ্ঠন ব্যাপার দৈখিয়া আমার সঙ্গীগণ বিস্ময় শিউলির মনে হইতে লাগিল হিমালয়-শিখর কঁাপিতেছে। কিছুই পরদিন অৰ্থাৎ ৩ সেীরত কাটাইলাম আগষ্ট এই নীয় ভীয় কেন যে আমি আবিরাম বিশ্বরিত নেত্ৰে চাহিয়া ছিল আর দেখা যায় না, কেবল ক্ষণে গণে বিছাতে অালোকে মৃগ মন্ত্ৰ উচ্চারণ করিতেছি, কেন যে আমি ভক্তি-বিগলিত শুভ্ৰ , শিখর আরও উজ্জল করিয়া দেখাইতেছে । আমরা সন্তোষপূৰ্ণ ; পরে সঙ্গে বাহিয়া আমরা উত্তরপশ্চিম মুখে যাত্ৰা করিলাম । সঙ্গীয়া ্ লিল উত্তর-পশ্চিম দিকে যে তুষার কি ৰায় বার গ্ৰাম করিতেছি-তােহা অৰ্থ তাহারা ভীত স্তৰ হইয়া ছিলাম। প্ৰতেিয় এই তৈয়ব ভাৰ হংসের বংশের গোচর হইতেছিল, সেই পৰ্ব্বতেই এই নদীর ইবন্ধে- তে পারিল না। নামি তাহদের আমার কাব্যের এক ঘণ্টা মাত্ৰ স্থায়ী হুইল যেমন আরও তেমনি শেষ। নিয়া মুগ্ধ হইলমুহূর্তের মধ্যে চারিদিক পরিদ্ধাৱ হইয়া গেল। আবার নীল গাঁৱৰ চুৰ্ণ কৌতুক রঙ্গে নদী বেশ গভীয় এবং প্রায় ৫০ গুণ কাইয় দিলাম। তােহাৱা । বই, এই শ্ৰীহরিপ্ৰসন্ন দাসগুপ্ত। নদীটি মানসসরোবরে গিয়া পড়িয়াছে । প্ৰায় ৪ ইল ৭ — ।