পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রবাসী আনি ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ৬ষ্ঠ সংখ্যা দুই তার তারালা বাকু হইয়া কাধিতে-কাদিতে বলিল পাত্ৰ খুজিতে ঘটক লােগাইয়াছেন বটে, কিন্তু সুমু খ্ৰী া ৰি ওকে বিয়ে করতে পারব না, ওর সঙ্গে আমার এই শেল অনুরোধ তিনি ঠেলিতে পারবেন না বলি ও । দয়াদেী তবু পা ছাড়াইলেন না, কোনো কথাও বীরেন-ধা আজ শাসিার সঙ্গে কথা কহিতেছে বলিলেন বিয়ে দিয়ে না দয়াদেবীর বিশ্বাস ছিল ; মায়া একটু জেদী ছিংহাই মাসিয়াকে মা বকিয়াছে, বীরেনদা তাহাকে ডাকি, ইহা তাহার মা অত্যন্ত কুদ্ধ হইয়া বলিলেন—ৱে এমন হইলেও সে ধীরেন্দ্ৰকে ভালো যে বাসিত তাহাঁর পরিচয় মােহিনী বলি-মাসিম, মায়ের ওপূব খাবার সময় খুব গুণী হইয় মায়া ভাণ্ডাতাড়ি ৰীয়েনের খালেসিয়া যায় কথা মুখে অনিবি ত তোকে এইখানে একলা ফেলে রেখে পাওয়া গিয়াছিল ; ধীরেন ও মায়াকে দেহ করে, কিন্তু য়েছে, ওলটা চেলে দাও না। আর একটু বেদনার রস ছে বলিয়া আদে আড়ে রাজবালাকে দেখিতে লাগিল । দাও আনি বাড়ী চলে যাব ; না হয় হেলই এ কাত্তিক মাস, প্ৰণয়ে বাকুলতার পরিচয় সে পায় নাই, মায়ার সে বা দয়াদেবী বিরক্ত হইয়া ধীনে মায়াকে দাদেবীর কাছে বসাইয়া ব্লাঙ্গালিকে কালই তোর বিয়ে দিয়ে আমি নিশ্চিন্তি হব বলিলেন—দাৰ্থ, মোথিনী, তাহার সঙ্গে আসিতে ইঙ্গিত করি স্বর হইতে বাহি। ই হয় নাই বলিয়াই ; সুতরাং ইহাদের বিবাহ উভয়েই যাকে-তাকে আমার ন, া বা গুণময় প্ৰলয়কালের বরের সুখে হইবারই সদ্ভাবনা ছিল ওষুধ কি খাবার জিনিস তাই যখন তিনি অনুভব তে দিনে গেল। একটু ইতস্তত করিয়া বাজবালা কা বা দুরে উদিত হইলেন। তাহাকে দেখিয়াই রাজবালা করিলেন যে রাজবালাকে দেখিয়াই ধীরেস্ত্ৰে মন ব্ৰাহ্ম বা বাঁচতে দিবিনে মনে দিকে । হইতে উঠিয়া পলায়ন কলি করেছিল তাহাকে পলাইতে বাণার প্রতি আকৃষ্ট হইয়া আনন্দরসে অভিষিক্ত হই। পারিস আমার গুণ পত্তির তাকাইয়া আছে ; একবার দয়াদেবীর দিকে চাহিল, দয়াৰে সরকার নেই দেখিয়া গুণময়ও দ্ৰুত চলিবার চেষ্টায় হাতীর মতন থপথপ্ন * উঠিয়াছে , সে কলিকাতা ধাওয়া স্থগিত রাখিবা জয় চোখ বুজিয়া আছেন উঠিতে ইচ্ছা ইলেও সে মোহিনী আশ্চৰ্ণ হইয়া করিতে কল্লিতে তাহার পিছনে-পিছনে এ-ধর সে-র ও-র তাহার কাছে মিথ্যা ছলনা পৰ্যাপ্ত কবিয়াছে, তখন তিনি বোলাৱ দিতে চাহিল। পারিতেছি, ন বোইতে লাগিলেন আর ছাপাইতে ছাপাহঁতে বীরেন্দ্ৰয় সহিত করার বিবাহ দেওয়া উচিত হইবে না দে রাজবালা সজায় দুঃখে লাল হইয় উঠিয়া ভাবিতেছিল – ক্ষণেক পরে দয়াদেবী বলিয়া উঠিলেন— ম্বা আদি ভাবিতে লাগিলেন – বান্ধু ও রাজু! এ কবা ধরা ও স্থির কারিয়া দুঃখিত হইয়াছিলে কিন্তু আজ আবার দি নিশ্চয় সমস্ত টের পেয়েছেন—বীরেন বলে দিয়েছে পা ছড়া, কে সরে যেতে বল্‌ সেই বাজবালা তাহার স্বামীকে প্ৰলুব্ধ করিতেছে অনুমাৰ তানে, এ বিয়ে করতে তার ইঞ্চে নেই, তবে সে যায়৷ ঠোট উপপ্টাইয়া বণিল—ওর সঙ্গে কথা বতে করিয়া তিনি ক্লাবাসা উ কথাটুকু সে দিদিকে বলেনি কেন ? দিকি লে কথা জেনে আমার বা পড়েছে দেবীর ঘরে গিয়া ঢুকি ; বীরেন পলাৱন করিল ; গুণময়ও আচরণ দেখাও আশ্চৰ্গা ও ক্ষুদ্ধ হইয় উঠিলেন—ইহাৱা মাযার ওপর রাগ করছেন ? আপনানের আঘাতে ব্যথিত ও লঙ্কায় লাল হইয়া আসিৱা ঘরে ঢাকিলেন ; দয়াদেবী একবার স্বামীর শ্ৰমকাত এমন বেহা নিৰ্লজ্জ যে রণকেও সম্মান করিতে ইহা রাজবালার ইচ্ছা হইতেছিল দিদির পায়ে ধরিয়া তাহাকে বালা মাস্তে আস্তে পারে মল গুজিয়া খাট -উচুতে গলৰধৰ্ম্ম মূৰ্ত্তির দিকে অবাক হইয়া তাকাইয়া পাশ ফিরিয়া সকল কথা লিঙ্কা বলে, কিন্তু তাহার লঙ্কায় বাধিতেছিল নামিয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল ইলেন। রাজবালা, তাড়াতাড়ি গিয়া তাহার দু ধয়াদেবী অশুচি সম্পৰ্শের স্নায় রাজবালার সম্পৰ্শ পরিবার এমন অবস্থায় অপরাধিনীর মতো কুষ্ঠিত হইয়া সেখানে কম্বা আপনার পা সরাইয়া লাইলেন রাজবালা অমনি বসিয়াও থাকিতে পারিতেছিল না, আৰা কোলে করিয়া বসিল ; গুণময়ও থাটের একবারে রাজ তা প্ৰকাশ { ১৫) বসিয়া হাপরে মতন আরো বিধা দাদেবীর কোলের কাছে গিয় বসিল পাইবার পড়িবার ডয়ে উঠিয়াও বাইতে ৫ গুণময়ের কৰণে বাহিরে ধীরেন্দ্ৰ অপেক্ষা করিতেছিল। রাজা পাইতে লাগিলেন গুণময় খ্ৰীয় গায়ের উপর দিয়া হাত ধাড়াইয়া রাজধালাকে পারিতেছিল না । বাহির আসিতেই বীরেন তাকে ডাকিয় ইয়া ত ধরিতে যাইতেছিলেন, রাজবালা হঠাৎ সরিয়া যাওয়াতে দুম লইয়া গুণময় রাজবালার পিঠে থাবা গশ ই থকা সমস্ত দিেখয়ছিল ছাড়ি ধরে েগলধীনে মেন কৰিছিল েযখানে হুড়ি খাইয়া নয়াদেবীর গায়ের উপর পড়িা গেলেন শুনিয়াছিল । সে দয়াদেবীর কথা শুনিয়াই তাড়াতাড়ি ঘরে গুণময় কিছুতেই তামাদের সন্ধান পাইবে না। দয়াৰেী অমনি মুখ ফিরাইয়া স্বামীর দিকে তীব্ৰ এখান থেকে চলে এস বাজু! তি । আসিল এবং মা বেমন কবিয়া শিশুকে বড় করে তেমনি ধীরেন রাজবালার হাত ধরিয়া িমনতির সহিত বলি চাহিলেন সে দৃষ্টির কাছে গুণময় সঙ্গুচিত হইয়া সরিয়া ভাবে দয়াদেবীকে ঔদধ ও পণা দিল রাজবালা পিঠ মুড়িয়া সরিয়া বসিয়া পিঠ হইতে গুণময়ের দয়াদেবী স্নেহের আজ ভোরে আমি চলে যাব আসিলেন এমন সময় সেই রে মায়া ও মোহিনী আদি লোগ করিয়া বলিনেন-তুই কোথায় থাকি বীর, হাত সাইয়া ফেলিবার চেষ্টা করিতে লাগিল ; গুণময় আমার দেখা হবে না। গুণময়কে দেখিয়া থমকিয়া দাড়াইল ওসুধ পত্তি দিতে মরণাপন্ন শ্ৰীৱ পায়ের উপর কুকিয়া পড়িয়া বাজালাকে আমার কিছু প্ৰাৰ্থনা জানাবার আছে । স্বাগত টানিতে লাগিলেন। কবিতে-কবিতে গল্প হইতে বাহির হইয়া গেলেন বীরেনের মনে হইল বলে —ও ত তোমারই বোন দালাল শুভ্ৰ ষ্ঠে লক্ষার আভা লাগিয়াকে মাত্ৰ পতাকল্য এই পদসেবার উপলক্ষে রাজবালা —কিন্তু দে দেখিল প্ৰায়বালার চোখ ছলছল করিতেছে ; আলতায় রং হইল, গোলাপের পাপড়ির মতন পাতলা ঠো ধীরেক্সের সহিত যে ঐতি খেলা থেলিয়াছে তাহা টের তাহার কথা বলিলে পাছে দয়াদী বিরক্ত হইয়া আরো কিছু গুণময় চলিয়া গেলে রাজবালা হিয়া দুখানিতে রক্তের ছোণ গভীর হইল, গুক্তির কোঁটার স্থা আসিয়া আৰ বলি নিরপরাধ ক্লাৱৰাণার মনে বাধা দান সেই ভয়ে পাইয়া দুৱাদেবী দুঃখিত হইয়াছিলেন, বিরক্ত হইতে দয়াদেবীর পায়ের দিকে বসিল মসৃণ ও উচ্ছল গাল দুটিতে নীল নীল শিরাগুলিতে দয়াদেবী পা সে তাড়াতাড়ি বলিল—ঐ পাশের পারেন নাই । তাহার একান্ত অভিলাষ ছিল যে বীরশ্নের ঘরেই ছিলাম মা, এই ছড়াইলেন না । রাজবালা তাহার পুয়ে হাত দিতেই তিনি নদী চঞ্চল হইয়া উঠিতে দেখা গেল । সহিত মায়ার বিবাহ দিবেন ; স্বামী অমত করিয়া মায়ার পা আরো সরাইয়া লইলেন। প্লাজবালা দলিল—“দিলি , লাম তোমায় ওষুধ দিতে মায়া আয় মার কাছে বীরেন্দ্ৰ বলিতে লাগিল—আদি চলে বাছি ; সালে দেখবার কেউ থাকল না, মাছের সেবার ভায় তোমাকে জানে নী