পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী---জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড তিনি এই তীয় ভাষা প্ৰয়োগ কবিয়াছিলেন । হিমুসমাজ ব্ৰাদ্ধ, গোড়, পণ্ডিত, নবাহিদু ইহাদেৱ কাহাকে শুমি ও শঠতায় পুৰ্ণ বলিষ্মা মনে হইয়াছিল। সকল তােহাৱা তিনি ছাড়িয়া কথা কহন নাই। ৰিকী ব্ৰক্ষার িনক প্ৰায় হয় এখানে অষ্ঠত হইতেছে ; কিন্তু পাপী বিলেতফেরতাদের এইরপ পরিচয় দিতেছেন নাচায়দিগকে সমাজ শাসন করে না। আর কে কাহাকে . বিলেতকো নামক আর এক সাদায় হইবে ; তাহারা হিয়া সাহস প্ৰতি সগুণ ও বাহিৰে বৰ্ণ ভিন্ন সৱ বিষয়ে সাহেবি শান্তি দিৰে ? সমাজের প্রায় সকলেই যে এই রকম অণুৰী হইবে । তাহারধুতি চাদর ইহাৱা বিলাতফেরতাদিগকে একঘরে করিবে ; কিন্তু নিজেরা বিবেচনা করিা যাতে পাজামা বাহিয়ে জাকোট পঞ্জি কাটে মুরগীর কোল খাইয়া বাহিরে আসিয়া অমায়িক তালাচকগুড়গুড়িতে বিৰে গু প্ৰণাম—এক কা—সমস্ত বেশীর রীতিনীতির ছিা কথা কহিয়া পুণাসঞ্চয়” করিবে অ্যাভিমানপুঞ্জ তাহাবের দারুণ বিতৃক বিবে তাহারা মাতৃভাষার কথা কৰিছে দ্বিজেন্দ্ৰলাল হয়ত ভায়ের মধ্যা ঠিক রাখিতে পাবেন কি হবে, এবং কেবল বুলি সদায়ের সহিত এক্ষে বাঙ্গলো হিনী সক্ষম হইবে ইংরাজী হ্যাং নাই। কিন্তু তিনি যে স্বজাতিদ্ৰোহী ছিলেন না, পরম্ব পরিমাণে ব্যবহ করিবে ; ইংরাজী সুরে পিস দিবে ছড়ি ইয় স ন্ধি দেশের মঙ্গলকামনাই তাহার এই আক্ৰমণের মূলে নিহিত বীৰ্ণে চলিলে ইঞ্চি খাইবে এবং পদৰ ধ প্রসারিত করিয়া চারটি টানিৰে ছিল তাহার প্রমাণও এই পুস্তকেই বহিয়াছে। তিনি কয়েক বহর পরে তাহলে এই উক্তিই বলেতকে ক’ভাই’ নামক হাসির গানে পান্তরিত হই একম্বরে করিতে চাহেন, তাহন নাম যে-সব নির সমায়ের অবশ্ন দ্বিজেন্দ্ৰলালোব অমঙ্গলো হে কাহাদিগকে এক গৱে করি। শাহ আমি বলি, সে া য়িবে, মিছা কথা কহিবে তাহাকে একঘরে কবি ; যে পঞ্চম উক্তি সকল বিলাতফেরতার প্রতিই প্ৰযুজ্য নয় এবং বা দি বিবাহ দিবে তাছাকে একঘরে কবি ; যে যুৰী বিধার লগণ মাত্ৰ দেখিয়াই মানুষকে সব সময় বিচার খৰি বিবাহে বাধা দিবে তাহাকে একঘরে কবি ; যে স্বজাতি প্ৰতি বিশ্বাসঘাতকতা করিবে তাহাকে একঘরে কবি ; আল, যে যা জাতির বুলে বসিরা অবাধে বুকের রাজ পাম কৰিতেছে অতঃপর দ্বিজেন্দ্ৰলাল সে-সকল বাঙ্গ কবিতা ও হাদি ছিাৱা, নিচয়ে রতি, প্ৰেমের, সন্তোর হৃদয়ে শেল বিধিতেছে ঐক্ষবৰে কবি স ‘কবরতে মেশিনে দেশের গান লিখিতে লাগিলেন সে গুলি সকলের এতই পরিচি মঙ্গল হইবেজাতির জীবন হইবে যে এ প্ৰবন্ধে সে সম্বন্ধে কিছু না বলিলেও চলে তি সমাজের ক কৃত ধূলা ও সোধ ; যে একঘরের অৰ্থ অনৰ্ণেয় উদে ; জানে, সতো, উমাদের বাজা । নহিলে দেখানে অরালে বেদনা, হাতের সহিত অরেখা এই গানগুলিয়ে বল সেন, মনোমোহন ঘোষরামত লাহিড়ী একরেসে তাহা অকপট স্বদেশপ্ৰেমিক হৃদরটিকে দেশের বায়েতে েক সমলে ভীত হইবে না। দে বিৰা একরের জন্ম , পতি৷ উদনাটিত করিয়া দিয়াছে । তিনি এখন আর নিজেকে তার স্বদেশবাসিগণ হইতে স্থত বলিয়া মনে পুৰ্ব্বেহ বলিয়াছি যে এই একঘরে পুস্তিকায় আমর দেশের দুঃণ দৈন্য লক্ষ্মা, এমন কি তাহার জ লাদৈ বাঙ্গশক্তির প্রথম পরিচয় পাই । ইহাই ন এখন তিনি সহাজাধির প্রতিকারের চেষ্টার নিয়োতি সমূহ ও তিনি অংশক্ষা, স্থত। তিনি থাহাদিগকে বাদ ব্লান মধ্য তিনি নিজেও একজন তা রিলেন। তাহা ভাৱ অাব কখনও তীব্ৰ হয় নাই ক্ষম হইতে তিনি সকলকে কেবল হাসাইতে লাগিলেন তিনি বিশ্বত হন নাই, এবং বিদ্ধপকারী ও বিক্ষপের সে হাসিতে কোন সঙ্কীর্ণতা বা অনুদারতা ছিল না সেই এই উভয়ের মধ্যে যে কোন পাকা বা বাবধান চরিত্রের মলিনা ধোঁত কবি তাহা তিনি অকুষ্ঠিত ভা:ে ব প্ৰকাশ করিয়াছেন কেলাই তার তাহার রসকৌতুকপূৰ্ণ অথচ ব্যঙ্গমূলক হাসির খ কন্ধি অবতার’ নামে এক প্ৰহসন লোকের এত প্ৰিয় হইয়াছে। চনা করিলেন তে তিনি হিন্দুসমাজের অন্তৰ্গত কিন্তু শুধু দোষ দেখাইয়া কি বাঙ্গ করিয়া দেখে সমস্ত প্ৰায়কেই ম্পদ দিয়াছেন। বিলোতফেরৎ, যেহিতসাধন করা যায় তাহা আংশিক মাত্ৰ। সঙ্গে লো না ২য় সংখ্যা] দ্বিজেন্দ্ৰলালের স্মৃতি-তৰ্পণ জাতিকে নুতন ভাব দিতে হইবে এবং যদি তাহার সাইবে সবই, ইত মানুহ আমরা সবাই ভেড়ায় পাল । গাঁৱৰ করিবার কিছু থাকে, তাহাকে তাহ পূরণ কাইয়া তাহার পদদলিত অবমানিত প্ৰাণে আত্মমৰ্য্যাদা তিনি এখন এক নুতন আবেগে গাহিয়া উঠিলেন, পিত করিয়া দিতে হইবে । ইহাই প্ৰকৃত দেশ আমরা সহিত দেয়। ক্তের কাজ । দ্বিজেন্দ্ৰলাল তাহা বুড়িতেন । তাই সমগ্ৰ বঙ্গবাসী দি এই মহোয়ত ভাবে অনুপ্ৰাশিত হয়, দি থম তিনি দেখিলেন যে ব্যঙ্গবিক্ৰপ যথেষ্ট হইয়াছে, তখন সকলেই জননীর ললাটকালিমা মুম্বাইতে প্ৰাণপণ কয়ে তিনি ভারতগৌরব রাজপুত জাতির ইতিহাস হইতে তাহা হইলে আর দুঃখ দৈন্ত লা ক্লেশ কোথায় থাকে? দেশপ্ৰেন ও মনুষ্যত্বের মহোল্পত আদৰ্শ বাঙ্গালীজাতির ন্দেমাতরম' ময়ের ঋষি বঙ্কিমচন্দ্ৰও একদিন বলি উজ্জ্বলভাবে ধরিয়া ‘রাণা প্ৰতাপ দুৰ্গাদাস’ ও ছিলেন, ‘কে বলে মা তুমি অবলে ? ” হেমচন্দ্ৰেয় । উদা দেবার পতন’ নামক নাটকত্ৰয় রচনা করিলেন । তাহার সঙ্গীত আমরা এখনও ভুলি নাই। আর রবীন্দ্ৰনাথ এই বিফল হয় নাই । এই নাটকগুলি রঙ্গালয়ে একই অাশার বাণী আমাদিগকে শুনাইয়াছিলেন অভিনীত হইয়া শত সহস্ৰ বাঙ্গালীর প্রাণে যে উপাদনার হে কাহিনী এ নহে , আসিবে সেদিন আসিবে । করিয়াছে তাহার বন্যায় জাতীয় চরিত্রের অনেক লিতা ধোঁত হইয়া গিয়াছে জানিনা সেদিন কবে আসিবে যখন সমগ্ৰ বাঙ্গালী জাতি একমন এক প্ৰাণ হইয়া -সেবায় আপনাদিগকে উৎস এইখানেই তিনি ক্ষান্ত হন নাই এই উচ্চ আদশের স্বদেশ থে অগ্রসর হইবার যোগ্যতা যে বাঙ্গালীর অাছে করিবে, যখন স্বাৰ্থপরতা, কাপুৰুষতা, আগন্ত ও কি গ - মাছাও তিনি দেখাইয়া দিয়া অাশা ও উৎসাহের আগুন বিমুখতা ত্যাগ করিয়া বাঙ্গালী সত্যসত্যই মাহৰ জীয়া শমধ্যে মালিয়া দিলেন অধ:পতিত বাঙ্গালী ভুলিয়া বলিয়া গৰ্ব্ব করিতে পারিবে, যখন বাঙ্গালী তাহার যে সেও একদিন জগতে মাথা উচু করিয়া সগৰ্ব্বে গৌরব পুনকার করিয়া তাতার বর্তমান দুঃখ লঙ্কা ঞ্জৈ ক্লেশ বিস্মৃতির গৰ্ভে ডুবাইয়া দিতে সমৰ্থ হইবে । যখনই ভাইয়াছিল সে ও সমরাভিযান করিয়া সিংহ বিজয় সেদিন আসুক না কেন, আমাদের এই দোয়ভয় অঙ্ক তাহার বাণিজংপোত একদিন ভারতসাগরময় পতনের সময় যিনি আমাদিগকে দোষমুক্ত ও উত্ত হণ করিয়াছে এবং চীন জাপান জাভা উপনিবেশ স্থাপন চেষ্টা করিয়াছিলেন, যদি আপন সভ্যতা প্ৰকৃত নিদৰ্শন ব্লাগিয়া আসিয়াছে শুনাইয়া দেশে সাহ ও উন্মাদনার তড়িৎ প্ৰৱাহ জামাদেরই নিমাই প্ৰেমের যে অপুক মধু প্ৰচার করিয়া ছিলেন, সেই মহাপ্ৰাণ দেশভক্ত দ্বিজেন্দ্ৰলালে পাছে তাহার তুলনা জগতে নাই মামাদের স্থায় তপণ করিতে বাঙ্গালী যেন কখনও বিস্তুত না হয় ও গর স্মৃতি দেশে যে পা ও বাসস্থা দিয়াছিল সব অঞ্চ কোন দেশের তুলনাত শ্ৰীকৃষ্ণবিহাৰী গুপ্ত । ন নহে অ র এই সেদিনও বপুল মোগল শক্তি লিঙ্কে দণ্ডায়মান হইয়া বীরত্বের পতাকাদা দেখাইয়া ত্ৰিাছেন এই ত ‘আমার দে যাহা অতীত এত বেময় লে ভবিষ্যতে অ্যাবার কেন বড় হইতে পারবে না ? কবির কবিত্ব চাহি— চাহি না গো নীতির বচন আবার আমরা বড় হইব,--এই আশায় কবির আকাশে কুসুমগুচ্ছ-নিৰ্ব্বোবেই ফরে আকিফল এখন মাতিয়া উঠিয়াছে। কয়েক বৎসর পূৰ্ব্বে যিনি শ্ৰীজানান চট্টোপাধ্যায় । তিয় নিশ্চেষ্টতা ও চবিত্ৰহীনতা দেখিয়া নিৱাশাদিত হালে, বেদনা-কাতর কষ্ঠে গাহিয়াছিলেন