পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/১৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান ᎼᏄᎼ নিদ্রা যদি পায় সোনার কে দেয় বিছানী । ভিয়াস লাগিলে তাহার কেবা জোগায় পানি ॥ ক্ষিদা লাগিলে আমার সোনার মুখে নাহি রা। মুখ দেখ্যা কে বুঝিবে তাহার অন্তর ॥ সন্ধ্যা বেলা শূন্য কলসী কঁখেতে করিয়া। বিরহে বিভোলা সোনা যায় কি চলিয়া ॥ শুকনা মুখে পন্থ চাইয়া বাড়ী ফিরা যায়। পরের ঘরে সোনা পরের গালি খায় ॥ নদীর কুলে কেয়া গাছ ফুলের সুবাসে। অভাগিনী বিরহিনীর নিদ কিসে আসে। ফাগুনে আগুন জালরে শুকায় নদীর কুল। বিরহিনী নারীর অঙ্গে ফুটে যৌবন-ফুল। এহি ভন ভাদ্রমাস বড় লাগে মিঠ । একদিন না খাইতে চাইল সোনা সুরস। ভালের পিঠা | দলিদর হইলাম আমি নছিব বড় বুরা। আমার পয়সা ঘরে নাইরে পাইলাম মনে পীড়া ॥” এদিকে সোন। মামুদেব মামা-বাড়ীতে যাইয় তাহার এক মামাত ভাইয়ের প্রেমে মজিয় তাহাকে নেকাহ করিয়া বসিল । চার বৎসর হইয়। গেল, মামুদ ফিরিল না । সোনা সন্তান-সন্ততিসহ সুখে গৃহস্থালী করিতে লাগিল । বহুদিন পরে ‘সোনা সেনা করিয়। হতভাগ্য প্রেমের পাগল মামুদ বাড়ী ফিরিয়া দেখিল - তাহার মামাত ভাই তাহার ভিটামাট দখল করিয়৷ বসিয়াছে, তাহার ঘর-বাড়ীর কোন চিহ্নমাত্র নাই । “পরে নিল বাড়ী ঘর, বাপের বসতি । বাপের ভিটায় নাই সে জলে সাঝে কড়ার বাতি ॥”