পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান 있 SAAA AAAAAS SAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA S AAAAA AAAAMAAAS - --س.-سید مم--۔-.م. سی۔سی۔ করে। এই জন্তই পূৰ্ব্ববঙ্গের মুসলমানের সংখ্যায় গরিষ্ঠ। নতুবা পশ্চিম বঙ্গবাসীরা প্রায় একশত পচিশ বৎসর পূৰ্ব্বেও মুসলমান-শাসনাধীনে? থাকিয়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইসলাম-ধৰ্ম্ম গ্রহণ করে নাই, অথচ পূর্ববঙ্গ এতপরে বিজিত হইলেও ইসলাম ধৰ্ম্মাবলম্বীদের এত অধিক পরিমাণে ংখ্যা গরিষ্ঠ হইবার কারণ কি ? মুসলমানেরা যে খড়গ-হস্তে ধৰ্ম্মপ্রচার করিয়াছেন ইহার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না । বরং কালাপাহাড় ও মুরশিদ কুলি খ। প্রভৃতি যে-সকল ব্যক্তি ব্রাহ্মণকুল-সস্তৃত হইয়। ইসলাম গ্রহণ করিয়াছিলেন, তাহারাই হিন্দুসমাজের উপর অধিক বিদ্বিষ্ট ছিলেন এবং হিন্দুদিগকে উৎপীড়ন করিতেন। ধীরে ধীরে যে বৃহৎ নাথপন্থী-সমাজ ইসলামেরদিকে ঝু কিয় পড়িয়াছিল, তাহার প্রমাণ আছে। বৰ্দ্ধমান জেলার বাতুল নামক গ্রামে প্রায় আশী বৎসর বয়স্ক শশিভূষণ পণ্ডিতের গৃহে বাং ১১৫০ সালে লিখিত, রামাই পণ্ডিতের ভণিতাযুক্ত একখানি পূপি আছে। উহা রামাই পণ্ডিতের দোহাই দিলেও তাহার বহুপরে লিখিত হইয়াছিল। এ দোহাইয়ের কোন মূল্য নাই। কিন্তু সদ্ধক্ষ্মীরা যে ইসলামেরদিকে কিভাবে অগ্রসর হইতেছিল, এই পখিতে তাহার পরিচয় আছে। ইহার ধৰ্ম্ম-ঠাকুরের নিকট প্রার্থনা এইরূপ ঃ– “তোম্বি সাহেব গোসাই, তেৰি জগন্নাথ। তোম্বি ধরম গোসাই, তোম্বি চরিবেদ । তোম্বি পীরপয়গম্বর, তোম্বি সৈয়দ ॥” 米 ‘ত্রিশ রোজার বাত কহে মিলে ফরমান ।” এই স্তোত্রটি খুব দীর্ঘ এবং ইহাতে উর্দশন্ধ এত বেশী যে, তাহার অর্থবোধ হয় না। অথচ প্রার্থনাটি ধৰ্ম্মঠাকুরের কাছে। ইহার দ্বারা নিশ্চয়রূপে বুঝা যাইতেছে যে, সদ্ধক্ষ্মীরা মুসলমানদের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ ংশ্রবে জাসিয়াছিলেন।